নারীকেন্দ্রিক ছবি বলে একঘরে করে দেবেন না, জানালেন ভূমি পেডনেকর

নারীকেন্দ্রিক ছবি বলে একঘরে করে দেবেন না, জানালেন ভূমি পেডনেকর

সাধারণ মেয়ের অসাধারণ হয়ে ওঠার কাহিনি? ভূমি পেডনেকরের বলিউড কেরিয়ারকে এক কথায় কী বলা যায়?

সাধারণ মেয়ের অসাধারণ হয়ে ওঠার কাহিনি? ভূমি পেডনেকরের বলিউড কেরিয়ারকে এক কথায় কী বলা যায়?

  • Share this:
     শর্মিলা মাইতি
    #মুম্বই: সাধারণ মেয়ের অসাধারণ হয়ে ওঠার কাহিনি? ভূমি পেডনেকরের বলিউড কেরিয়ারকে এক কথায় কী বলা যায়? অভাবনীয়? যে চেহারা নিয়ে বলিউড কেন, কোনও গ্ল্যামারওয়র্ল্ডে ছাড়পত্র পাওয়া যায় না, সেই স্থূলকায় স্বাস্থ্য নিয়েই কিন্তু তাঁর বলিউডে পা! দম লগাকে হাইসা ছবির সেই নারীকে দেখে আজকের ভূমিকে চেনাই যাবে না! মেদকে বেমালুম ভ্যানিশ করে তিনি এখন গ্ল্যাম ডল।
    কিন্তু না, নিজেকে মোটেই রোগা-মোটা, ওজন কম না বেশি, সেই নিক্তিতে মাপতে রাজি নন। অ্যামাজন প্রাইমে মুক্তি পেল দুর্গামতী'। সেখানে তিনি প্রায় হুঙ্কার দিয়ে জানান দিয়েছেন বলিউডকে।
    এখনও তাঁর প্রতিভাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি! "অবাক হই যখন দেখি, একটা ফিল্মের কেন্দ্রীয় চরিত্র নারী না পুরুষ, তার উপর ভিত্তি করেই ছবির দর ঠিক করা হয়। কেন্দ্রে অভিনেত্রী থাকলেই চট করে তাকে একটা ক্যাটেগরিতে ফেলে দেওয়া হয়। নারীকেন্দ্রিক ছবি। উওম্যান সেন্ট্রিক ফিল্ম। তা কেন হবে? উল্টোদিকটা দেখুন, যখনই কোনও পুরুষ থাকেন কেন্দ্রে, তখনই তাকে কিন্তু কোনও নির্দিষ্ট ক্যাটেগরিতে ফেলা হচ্ছে না। মেনস্ট্রিম বিগবাজেট ছবির সারিতেই থাকছে!" জানালেন ভূমি।
    একইরকম দৃঢ়সঙ্কল্প তিনি দুর্গামতী চরিত্র নিয়েও। হরর গোত্রের ছবি বলিউড ছবির ঘরানায় নতুন নয়। কিন্তু দর্শকের দরবারে বিরাট চাহিদা। " দেখুন, এক্ষেত্রেও আমি বলব, হরর মানেই ভূতের ছবি নয়। সময়ের সঙ্গেসঙ্গে ভাষা বদলেছে এই ধরনের ছবি। বিশেষ করে বলব টেকনোলজির ব্যবহার। অসাধারণ vfx এর কাজ সত্যিই আরও বেশি করে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছে দৃশ্যগুলো। আরও একটা কথা, এ ধরনের ছবিতে মূল চরিত্র হতে গেলে অনেকটা মডিউলেশন লাগে। অভিনয়, শরীর, অভিব্যক্তি  সবকিছুর। প্রচুর খেটেছি। আর খাটতে খাটতে মনে হয়েছে একই রকম খাটনি খাটা সত্ত্বেও আমার জায়গায় একজন নামী পুরুষ অভিনেতা অনেক বেশি প্রচার পান। অনেক বেশি আলোকবৃত্তের মধ্যে থাকেন। আমার ক্ষেত্রে, বা অন্যান্য নায়িকাদের ক্ষেত্রে কিন্তু সেটা হয় না। কয়েক যুগ আগেও হত না। এখনও হয় না। এই দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো দরকার। " বলেছেন ভূমি।
    বার বারই আপনি নিজের চেহারা নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করেছেন, সে ডেবিউ ছবি হোক বা ষান্ড কি আঁখ, কিংবা 'বালা' ছবির কালো মেয়েটি... "নিজেকে বার বার চ্যালেঞ্জ জানাতে ভালবাসি! এই এক্সট্রিম ফিজিকাল ট্রান্সফরমেশনের সঙ্গে নিজের মানসিক গঠনেরও নিবিড় যোগাযোগ আছে। গ্ল্যামডল হয়ে থাকতে তো চাইনি। নানা রকম চরিত্র হতে চেয়েছি। দুর্গামতী' ছবিটা দেখলে বুঝবেন কতটা নিংড়ে দিয়েছি নিজেকে।" বললেন ভূমি পেডনেকর।
    Published by:Akash Misra
    First published:

    লেটেস্ট খবর