মুখেই সুরের ঝঙ্কার তুললেন রথিজিৎ! মিষ্টি গলায় গান ধরলেন অঙ্কিতা! তৈরি হল অনবদ্য acapella

মুখেই সুরের ঝঙ্কার তুললেন রথিজিৎ! মিষ্টি গলায় গান ধরলেন অঙ্কিতা! তৈরি হল অনবদ্য acapella
এই গানের যে সুর তৈরি করা হয়েছে, তা কোনওটাই বাদ্যযন্ত্রের মাধ্যমে নয়৷ সবটাই হয়েছে মুখে তৈরি৷ অর্থাৎ পার্কাশন হোক বা ভায়লিন, পিয়ানো হোক বা মাউথঅর্গান, সবের সুর তৈরি হয়েছে মুখে মুখে৷

এই গানের যে সুর তৈরি করা হয়েছে, তা কোনওটাই বাদ্যযন্ত্রের মাধ্যমে নয়৷ সবটাই হয়েছে মুখে তৈরি৷ অর্থাৎ পার্কাশন হোক বা ভায়লিন, পিয়ানো হোক বা মাউথঅর্গান, সবের সুর তৈরি হয়েছে মুখে মুখে৷

  • Share this:

    #কলকাতা: জনপ্রিয় পুরনো হিন্দি গান 'ইয়াদ কিয়া দল নে কাহা হো তুম৷' 'পতিতা'ছবিতে এই গানটি গেয়েছিলেন লতা মঙ্গেশকর ও হেমন্ত মুখোপাধ্যায়৷ বলিউডের সর্বকালের সেরা রোম্যান্টিক গানের মধ্যে অন্যতম এটি৷ এবার সেই গানটি গাইলেন অঙ্কিতা৷ জনপ্রিয় বাংলা গানের রিয়্যালিটি শোয়ের বিজেতা তিনি৷ তবে সেই হিসেবে গানটি গাওয়া নয়৷ এই গানটি গাওয়া হয়েছে একাপেলার মাধ্যমে৷ মানে এই গানের যে সুর তৈরি করা হয়েছে, তা কোনওটাই বাদ্যযন্ত্রের মাধ্যমে নয়৷ সবটাই হয়েছে মুখে তৈরি৷ অর্থাৎ পার্কাশন হোক বা ভায়লিন, পিয়ানো হোক বা মাউথঅর্গান, সবের সুর তৈরি হয়েছে মুখে মুখে৷ যেটি করেছেন রথিজিৎ৷ এবং এই ভাবে নতুন মোড়কে পুরনো হিন্দি গানটি তিনি দর্শকের সামনে নিয়ে এসেছেন৷ যা এককথায় অনবদ্য!

    এই গানটি প্রায় ৩ বছর আগে তৈরি হয়েছিল৷ তবে বিভিন্ন কারণে তা প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি৷ কিছু কাজ বাকি থেকে গিয়েছিল৷ এবার সেই কাজ সম্পূর্ণ করে প্রকাশ করা হয়েছে ইউটিউবে৷ নিজের ইউটিউব চ্যানেলে এই গানটি প্রকাশ করেছেন রথিজিৎ৷ জনপ্রিয় এক বাংলা গানের রিয়্যালিটি শোয়ে তিনি ট্রেনার৷ এবং একই সঙ্গে বিভিন্নভাবে গানের রেনডিশন করে থাকেন যা দারুণ শ্রুতিমধুর হয়৷ বহু গানের মিশ্রণ বা কখনও দেশি গানের সঙ্গে বিদেশের গানে একটা মিক্স অ্যান্ড ম্যাচের মাধ্যমে তিনি দর্শকদের সামনে তুলে আনেন নানান রকমের গানের ধারা৷ তার সঙ্গে যোগ্য সঙ্গত দেন প্রতিযোগীরা৷ এবার তাঁর পেশ করা ইয়াদ কিয়া দল নে কাহা হো তুম গানটিকে একাপেলার মাধ্যমে শোনানো হয়েছে৷


    এই গানটিতে সঙ্গীতের বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রের আওয়াজ নিজে মুখে করেছেন রথিজিৎ৷ গানটি গেয়েছেন অঙ্কিতা ভট্টাচার্য৷ গানটি এতদিন বাদে প্রকাশিত হওয়ায় খুশি গায়িকা৷ তিনি যখন নবম শ্রেণিতে পড়তেন, তখন এই গানটি গেয়েছিলেন৷ তাই এই গানের মুক্তিতে গায়িকাও বেশ নস্টালজিক৷ একেবারে অন্য ধরনের গানের উপস্থাপনায় মুগ্ধ হয়েছেন সঙ্গীতপ্রেমীরা৷ একাপেলার ব্যবহার খুব বেশি শোনা যায় না হিন্দি এবং বাংলা গানে৷ তাই রথিজিৎ-অঙ্কিতার এই নতুন প্রয়াস সকলের বেশ মনে ধরেছে৷ যার প্রমাণ সোশ্যাল মিডিয়ায় গানটির লাইক ও শেয়ারের হিসেব৷ এভাবে আরও নানান নতুন পদ্ধতি প্রয়োগ করে মিষ্টি-মধুর গান উঠে আসুক ইউটিউবের পর্দায়, এই আশাই করছেন রথিজিৎ ও অঙ্কিতার ভক্তরা৷

    Published by:Pooja Basu
    First published:

    লেটেস্ট খবর