বিনোদন

corona virus btn
corona virus btn
Loading

‘লুডো' খেলতে গিয়ে দিদিমার কাছে হারতাম: অনুরাগ বসু

‘লুডো' খেলতে গিয়ে দিদিমার কাছে হারতাম: অনুরাগ বসু

এই দীপাবলিতে নেটফ্লিক্সে সাড়ম্বর মুক্তি 'লুডো' ছবির! অনুরাগ বসু পরিচালনার ছবি মানেই একরাশ উন্মাদনা আর অন্যরকম গল্প। যা দর্শক ধরতেই পারবেন না প্রথমে।

  • Share this:

শর্মিলা মাইতি

#মুম্বই: এই দীপাবলিতে নেটফ্লিক্সে সাড়ম্বর মুক্তি 'লুডো' ছবির! অনুরাগ বসু পরিচালনার ছবি মানেই একরাশ উন্মাদনা আর অন্যরকম গল্প। যা দর্শক ধরতেই পারবেন না প্রথমে। রবিবার সন্ধ্যায় মুম্বইয়ের বাড়ি থেকে আড্ডা দিতে বসলেন পরিচালক।
'জগ্গা জাসুস' ছবির পর একটু সময় নিলেন আপনি! "একদমই না। তিনটে স্ক্রিপ্ট লিখেছিলাম, তার মধ্যে লুডো' নিয়েই কাজ শুরু করব বলে আমি আর তানি (অনুরাগ বসুর স্ত্রী)  একমত হলাম। যতটা সময় লাগার, ততটাই লেগেছে। প্যানডেমিকের জন্য দেরিতে মুক্তি পাচ্ছে, এটাই। না হলে এপ্রিলেই হলে মুক্তি পেত। তবে এই সময়টা এমনই যে,  ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বেশি করে দেখার জন্য মানুষ আরও বেশি সিনেমা-শিক্ষিত হয়েছে। দেখার চোখ বদলে গিয়েছে। তাই সিনেমার ভাষাও বদলাবে।" বললেন অনুরাগ।
আবার একঝাঁক তারকা নিয়ে ছবি। প্রথমবার অভিষেক বচ্চন। "আমি তো সেই 'যুবা' থেকে অভিষেক বচ্চনের ফ্যান! 'গুরু' ছবিতে তিনি যে উচ্চতার অভিনয় করেছিলেন, তা আজ অবধি কোনও অভিনেতার মধ্যে পাইনি। কাজেই বলতে পারেন আমার ওঁর সঙ্গে কাজ করতে দেরি হয়ে গেল। এখানে উনি কতটা ভাল অভিনয় করেছেন, সেটা নিজের চোখে না দেখে বিশ্বাস করবেন না। " হেসে বললেন অনুরাগ।
লুডোতে অনেক ছোটখাটো চুরিচামারিও হয়। লুডো পুরোপুরি ঘরোয়া হলেও পরিচ্ছন্ন খেলা নয়। বলে উঠলেন অনুরাগ, "সে আর বলতে! মনে আছে, ছোটবেলায় দিদিমা আমাদের ডেকে ডেকে লুডো খেলতে বসতেন। প্রত্যেকবার উনি জিতে যেতেন আর আমি হেরে ভূত হতাম। জিতব বলে জেদ নিয়ে আবার পরের দিন খেলতাম। এমনি করে রোজ হারতাম আর খুব মন খারাপ হত। আর একটা ব্যাপার খেয়াল করতাম দিদিমা কিন্তু এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে না আমরা ছোট বলে। ওই স্মৃতিগুলো লুডো' বানানো সময়ে কাজ করেছে। আপনারা দেখবেন কীভাবে ঘর থেকে বেরনোর পর চরিত্রগুলো বদলাচ্ছে, ঠিক লুডোর গুটির মতোই টপকে যাচ্ছে। আর হ্যাঁ। এখানে ছক্কা বা ডাইস পঙ্কজ ত্রিপাঠী। আর কিছু বলব না। " বললেন অনুরাগ, "ছক্কা আমি নিজের হাতে বানাতাম জানেন। শাঁখ ঘষে, কাঠের টুকরো ঘষে, তার উপর ফুটকি দিয়ে... "
'জগ্গা জাসুস' ছবিতে দেখেছিলাম কীভাবে ইতিহাস ও সাহিত্যকে আপনি মিশিয়ে দিয়েছিলেন সিনেমার পরিসরে। লাইফ ইন আ মেট্রো ছবিতে ছিল অনেক চরিত্রের সমাহার। "এখানে কিন্তু মেট্রোর সিকোয়েল করছি না। সেটা হলে আগে থেকেই বলে দিতাম। যা করছি সেটা সম্পূর্ণ অন্য ছবি। হয়ত সব ছবি বাণিজ্যিক হিট নয়। কিন্তু প্রতিটি ছবি আলাদা আলাদা কাহিনি বলে। সেটাই আমার কাজ। " বললেন অনুরাগ বসু।
তানিদির অবদান কতটা, কী এবং কেন? "একটাই অবদান, ডাণ্ডা! প্রত্যেকটা দিন শুটিংয়ের শেষে বলে, এদিকে খরচ বেড়ে যাচ্ছে, কমাও । ওদিকে বাজেট বাড়ছে, কমাও। সব সময়ে শাসনকর্তার ভূমিকায় ও ছিল।"
বাংলাদেশে তোমার অনেক ফ্যান। তুমি তো অনেক বাংলাদেশের রান্নাও জানো... "আমার পরিচয় হল, প্রথমে আমি একজন রাঁধুনি। তার পর একজন আর্টিস্ট। তার পর ফিল্মমেকার। শুটিংয়ে রান্না করার টাইম পাই না। কিন্তু বাড়িতে বরাবর রান্না করে লোক ডেকে খাওয়াই।"
এবার এক দান লুডো খেলা যাক।
"মানে?"
2020র সবচেয়ে বড় ঘটনা আমেরিকায় ট্রাম্পের পতন। জো বাইডেনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথগ্রহণ। যদি আমেরিকান প্রেসিডেন্সিয়াল ইলেকশন নিয়ে ছবি বানান তবে কাকে নেবেন ট্রাম্পের চরিত্রে? কে থাকবেন জো বাইডেনের ভূমিকায়?
"উঃ বড্ড ঝামেলায় ফেললেন। দাঁড়ান ভেবে বলতে হবে। ট্রাম্পের ভূমিকায় অসিত সেন... জো বাইডেন.... এ কে হাঙ্গল।"
যাঁদের নাম বলছেন, কেউই তো বেঁচে নেই!
"আপনি তো ছক্কা চেলেছেন, কী দান পড়বে আগে থেকে জানেন? আপনি তো কখনও বলেননি যে প্রয়াত অভিনেতাদের নির্বাচন করা যাবে না!"
হো হো করে হেসে উঠলেন অনুরাগ বসু।
Published by: Akash Misra
First published: November 10, 2020, 10:52 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर