অভিনেতার নেই চিকিৎসা করার মতো টাকা! হতাশায় মৃত্য

অভিনেতার নেই চিকিৎসা করার মতো টাকা! হতাশায় মৃত্য

প্রতীকী ছবি

চিকিৎসা পর্যাপ্ত টাকা ছিল না বলে জানিয়েছে পরিবার৷ আর লকডাউনে বন্ধও হয়েছিল কাজ৷ ফলে খুবই আর্থিক সমস্যায় ছিলেন তিনি৷

  • Share this:

    #চেন্নাই: এই মৃত্যু খুবই মর্মান্তিক৷ শুধুমাত্র চিকিৎসার টাকা না থাকায় তিল তিল করে মৃত্যু হল অভিনেতার৷ পরিচিত মুখ৷ তিনি আবার ছিলেন কমিডিয়ান৷ স্ক্রিনজুড়ে সকলকে হাসাতেন৷ কিন্তু কে খোঁজ রেখেছিল যে ধীরে ধীরে তাঁর মুখেরই হাসি উধাও হয়েছে৷ এমনকি চিকিৎসা শুরু হওয়ার পরও কেউ সেভাবে তাঁর দিকে নজয় দেননি৷ কারণ অনেকেই জানতেনই না তাঁর শরীর খারাপের কথা৷ এমন অবস্থা হয় যে বেসরকারি হাসপাতালেও চিকিৎসা করা সম্ভব হয়নি৷ স্থানান্তর করতে হয় সরকারি হাসপাতালে৷ তবে ততক্ষণে সব শেষ৷ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন অভিনেতা ভাদিভেল বালাজি (Vadivel Balaji)৷ তাঁর এভাবে মৃত্যুতে শোকের ছায়া দক্ষিণী ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে৷

    বালাজির মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন দক্ষিণী স্টার ধনুশ, ঐশ্বর্য রাজেশ, শিবকাতিৃকায়ন প্রমুখ৷ অভিনেতার সুক্ষ কমিডি সেন্সের কথা অনেকেই মনে করেছেন এবং প্রশংসায় ভাসিয়েছেন৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁরা দুঃখপ্রকাশ করেছেন এই প্রতিভাবান অভিনেতার মৃত্যুতে৷ অভিনেতা বিজয় সেতুপতি বালাজির বাড়িতেও যান৷ পরিবারের সঙ্গে দেখা করে সমবেদনা জানান৷

    বালাজির বন্ধু অরনথঙ্গি নিশা জানিয়েছেন অভিনেতার কষ্টদায়ক মৃত্যুর কথা৷ তিনি বলেন যে, করোনার কারণে লকডাউন শুরু হতেই হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েন বালাজি৷ কারণ কাজ না থাকায় হাতে আসছিল না কোনও টাকা৷ বালাজি ছিলেন টিভির অভিনেতা৷ তাঁর আয় পুরোপুরি নির্ভরশীল ছিল টিভির ওপর৷ সেখানেই নিয়মিত শো করতেন তিনি৷ তবে শেষ চার মাসে কিছুই রোজগার হয়নি৷ হাত প্রায় শূন্যই ছিল৷

    আরও পড়ুন হেনস্থা ও ব্ল্যাকমেলের শিকার, বাথরুমে আত্মহত্যা করলেন টিভি অভিনেত্রী শ্রাবণী

    টিভি শো থেকে এরপর বাদও দেওয়া হয় তাঁকে৷ এতেই মানসিক সমস্যা শুরু হয় বালাজির, জানাচ্ছেন তাঁর বন্ধু৷ কারণ তিনি ভাবতে পারেননি যে এত তাড়াতাড়ি শোয়ে তাঁর চরিত্রটির ওপর কোপ পড়বে৷ বালাজির স্ত্রীও সেভাবে সমর্থ ছিলেন না৷ তিনিও পড়াশুনা বেশি জানেন না, ফলে আয়ের কোনও উপায়ও তাঁর নেই৷ মোটের ওপর সংসারের আয় পুরোপুরি বন্ধ হয়৷ এরমধ্যেই অসুস্থ হন বালাজি৷ তাঁকে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷ তবে সেখানে চিকিৎসা চালানোর মতো সামর্থ ছিল না পরিবারের৷ তাই তাকে কিছুদিনের মধ্যেই ফের আনা হয় সরকারি হাসপাতালে৷ সেখানে আসার পরই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় অভিনেতার৷ অনেকে মনে করছেন যে, বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা চললে, সম্ভবত তাঁকে বাঁচানো যেত৷

    Published by:Pooja Basu
    First published: