বিনোদন

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

ভয় পেতে ভালবাসেন? ভুতুড়ে এই চরিত্রদের সঙ্গে মোলাকাত জরুরি

ভয় পেতে ভালবাসেন? ভুতুড়ে এই চরিত্রদের সঙ্গে মোলাকাত জরুরি

এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক সে রকমই কিছু ছবির কথা। এদের কিছু ছবিতে সরাসরি এসেছে ভূত, কয়েকটিতে আছে শুধু ভুতুড়ে উপাদান।

  • Share this:

ভূতে বিশ্বাস থাকুক, ছাই না থাকুক, বৃষ্টির দুপুর কিংবা নিঝুম রাতে গা-ছমছমে সিনেমা দেখতে কিন্তু অনেকেরই বেশ ভালোই লাগে। খানিক নেশাই ধরে যায়। আর শিরদাঁড়া দিয়ে ঠাণ্ডা স্রোত বয়ে যাওয়ার মতো ছবি কিন্তু টলিউড, বলিউডের চেয়ে হলিউডেই ঢের ভালো হয়। তারা প্রমাণ করছে  অনেক দিন ধরেই- গা-ছমছমে ছবি তৈরির জন্য ভূতের দরকার না হলেও চলে!

এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক সে রকমই কিছু ছবির কথা। এদের কিছু ছবিতে সরাসরি এসেছে ভূত, কয়েকটিতে আছে শুধু ভুতুড়ে উপাদান। কিন্তু চরিত্রদের শেষ পর্যন্ত ভালো না বেসে উপায় নেই।

দ্য অ্যাডামস ফ্যামিলি (১৯৯১)

চার্লস অ্যাডামসের তৈরি কার্টুন থেকে এই  গল্পের চরিত্ররা প্রাণ পেয়েছিল। ১৯৬৪ সালে একই চরিত্রদের নিয়ে টিভি সিরিজও হয়েছিল। ছবিতে ছিলেন অ্যাঞ্জেলিকা হাটসন, ক্রিস্টিনা রিচি, রাউল  জুলিয়া এবং ক্রিস্টোফার লয়েড। অ্যাডামস পরিবারের থেকে সবাই কী ভাবে সুবিধে নিতে চাইত, সেই নিয়েই এগিয়েছে গল্প।

বিটলজুস (১৯৮৮)

কমেডি/হরর বিভাগের আরেকটি অনবদ্য ছবি এটি। টিম বার্টনের তৈরি ছবি এটি। অ্যাডাম এবং বারবারা, এই দম্পতি মৃত, কিন্তু নিজেদের প্রিয় বাড়ির মায়া কাটিয়ে এঁরা যেতেই পারেন না, সেই নিয়েই ছবি। নতুন খদ্দের বাড়ি দেখতে এলে এঁরা ভয় দেখান। কিন্তু কিছুতেই কাজের কাজ হয় না, বরং ভূত হিসেবেও হাসির খোরাক হন তঁরা। এই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন মিশেল কিটন, জিনা ডেভিস।

হোকাস ফোকাস (১৯৯৩)

কেনি অর্টিগার ছবি। স্যান্ডারসন বোনেদের নিয়েই ছবির গল্প। ৩০০ বছর আগে কালাজাদু করত তিন বোন। অভিশাপ কাটিয়ে হঠাৎ জীবন ফিরে পায় তারা। সূর্য ওঠার আগে শুরু হয় তাদের পৃথিবীকে বাঁচানোর লড়াই। যা আপনাকে মুগ্ধ করবেই!

এডওয়ার্ড সিজরহ্যান্ডস (১৯৯০)

এটিও টিম বার্টনের আরেকটি ক্লাসিক ছবি। জনি ডেপ এবং উইনোনা রাইডার এই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন। এক অনুমানব তৈরির গল্প। হাত দুটো বানানোর আগেই তার স্রষ্টা মারা যায়। শুধু রেখে যায় এক জোড়া কাঁচি। এক মহিলা তাকে বাড়িতে নিয়ে গেলে তার মেয়ের সঙ্গে প্রেম হয় ওই অনুমানবের।

স্ক্রিম (১৯৯৬)

সত্যি ঘটনা অবলম্বনে তৈরি ছবি। পরিচালক ওয়েস ক্রাভেন। এই ছবিতে দেখানো সিরিয়াল কিলারের মুখোশটি এখন যোখানে সেখানে বিক্রি হয়। ভয়ের প্রতীক হিসেবেই ব্যবহার করা হয় মুখোশটি, এমনই তার জনপ্রিয়তা।

ব্রাইড অফ চাঙ্কি (১৯৯৮)

চাঙ্কি নামের এক পুতুলকে নিয়ে গল্প। কুখ্যাত সিরিয়াল কিলার চার্লস লি রে-র প্রাণটা ঢুকে পড়েছে চাঙ্কির ভেতর। সেই নিয়েই এগিয়েছে ছবির গল্প।

জেনিফার'স বডি (২০০৯)

জেনিফার চেক নামের এক স্কুল পড়ুয়া হঠাৎ খেপে ওঠে মানুষের রক্তের নেশায়। বন্ধুর প্রেমিকের রক্তই তার চাই। ক্যারিন কুসামার পরিচালনায় গা ছমছমে ছবি।

ওয়র্ম বডিজ (২০১৩)

নিকোলাস হল্ট, টেরেসা পামার অভিনীত এই ছবিটিকেও বাদ দেওয়া যাবে না। জম্বিদের আক্রমণ থেকে পৃথিবী আপাতত শান্ত। এমন পরিস্থিতিতে এক বাবা তাঁর মেয়ে, মেয়ের প্রেমিক এবং আরও কয়েকজনকে পাঠালেন আক্রান্তদের দেখাশোনার ওষুধ আনতে। পথে হল দেখা জম্বিদলের সঙ্গে। তার পর? প্রচণ্ড ভয় আর তারই মধ্যে জম্বির সঙ্গে মানুষের প্রেম কী ভাবে হয়, তা ছবিটা না দেখলে জানা যাবে না।

Written By:Madhumanti Chatterjee

Published by: Arka Deb
First published: September 22, 2020, 6:09 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर