এক বীণায় ৬ দেশের ৬টি যন্ত্রের সুর, বিশ্বকে তাক লাগাল বাঙালি আবিষ্কার

এক বীণায় ৬ দেশের ৬টি যন্ত্রের সুর, বিশ্বকে তাক লাগাল বাঙালি আবিষ্কার

সারা বিশ্বের ৬টি দেশের ৬ রকমের বাদ‍্যযন্ত্রের সুর পাওয়া যাবে এতে

  • Share this:

শ্রীপর্ণা দাসগুপ্ত

#কলকাতা: আবারও বিস্ময়ের জগতে নতুন সংযোজন বাঙালির। এবার এমন এক যন্ত্রের আবিষ্কার করলেন পণ্ডিত দেবাশিস ভট্টাচার্য যার থেকে বেরবে ৬টি যন্ত্রের সুর। সারা বিশ্বের ৬টি দেশের ৬ রকমের বাদ‍্যযন্ত্রের সুর পাওয়া যাবে এতে। মূলত স্লাইডিং গিটারের ওপরেই এই এক্সপেরিমেন্ট করেছেন দেবাশিস। নাম দিয়েছেন পুষ্প বীণা। দীর্ঘ ১৮ মাস গবেষণা করে তবেই বিশ্বের দরবারে এই আবিষ্কার নিয়ে এলেন তিনি।

৬টি দেশের কোন ৬টি যন্ত্র? আমেরিকার ব‍্যঞ্জো, মধ‍্যপ্রাচ্চের অউদ, আফগানিস্তানের রাবাব, ভারতের সরোদ, চিনের গুজং এবং জাপানের সামিসানের সুর শুনতে পাওয়া যাবে এতে। সাধারণত স্লাইডিং গিটার তৈরি হয় কাঠ দিয়ে।কিন্তু এ ক্ষেত্রে দেবাশিস ব‍্যবহার করেছেন চামড়া, যা আগে কখনও হয়নি। তা ছাড়াও পুষ্প বীণাতে এমন ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়েছে যা এই প্রথম। এই বীণাতে রয়েছে ২৫টি তার, যেটি আরও ইন্টারেস্টিং।

কেন হঠাৎ এই যন্ত্র বানালেন দেবাশিস? এটা অবশ‍্য প্রথম নয়। এর আগে আরও ৩টি এমনই যন্ত্র বানিয়ে ফেলেছেন তিনি। ৪ তারের আনন্দী, ১৪ তারের গান্ধর্বী এবং ২২ তারের চতুরঙ্গী। মূলত শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের ভারতীয় ঘরানা এবং বিদেশী ঘরানার মেলবন্ধনের প্রয়াসেই পরপর এই আবিষ্কার।

গিটারে হাতেখড়ি ৪ বছর বয়সে।সেই থেকে পথ চলা শুরু। বাবা মা দু'জনেই ছিলেন সঙ্গীতশিল্পী। ছোট থেকেই বাড়িতে ছিল সঙ্গীতের আবহ।নানা সময়ে তালিম নিয়েছেন বিভিন্ন সঙ্গীত গুরুর কাছে। তবে এই দীর্ঘ ৪০ বছরের যাত্রা, নানা দেশের নানা সংস্কৃতি নাড়া দিয়েছে তাঁকে। সেই তাগিদেই বিশ্বসঙ্গীতের দরবারে তাঁর এই উপহার।

গত ১৯ বছর ধরে ২৫০০-এরও বেশি কমপোজিশন সৃষ্টি করেছেন দেবাশীষ। শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের জগতে তিনি অবশ‍্যই এক নক্ষত্র। ২০০৯ সালে তাঁর নিজের আ‍্যলবাম ক‍্যালকাটা ক্রনিক‍্যালের জন‍্য তাঁকে গ্র্যামি  আ‍্যওয়ার্ডে পুরস্কৃত করা হয়।​

First published: 02:39:53 PM Nov 30, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर