এবার রাজ্য থেকে সব কেন্দ্রীয় বাহিনী ফিরিয়ে নেওয়া হোক, পাল্টা দাবি দিলীপের

Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Oct 16, 2017 08:00 PM IST
এবার রাজ্য থেকে সব কেন্দ্রীয় বাহিনী ফিরিয়ে নেওয়া হোক, পাল্টা দাবি দিলীপের
দিলীপ ঘোষ
Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Oct 16, 2017 08:00 PM IST

#কলকাতা: পাহাড় থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রত্যাহার নিয়ে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি ৷ কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে নিজের ক্ষোভ উগরে দেন ৷ অভিযোগ করেন, কেন্দ্র আদালতের নির্দেশের অবমাননা করছে ৷ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগের পাল্টা দাবি করেছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের ৷ তিনি বলেন, রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় বাহিনীর অপব্যবহার করছে।

কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রত্যাহার নিয়ে বিজেপির দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের মন্তব্য, আদালতে পাহাড় শান্ত দাবি করলেও, বাহিনী সরালেই প্রতিবাদ করছে। কেন্দ্রকে সব বাহিনী প্রত্যাহারের দাবি জানাব।

একইসঙ্গে দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, বাহিনী রাখতে হলে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হোক।

পাহাড়ে শান্তি ফেরার মুখে কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে এদিন ক্ষোভ উগরে দেন মুখ্যমন্ত্রী। পাহাড়ে বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। একতরফা এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি বলেন,‘পাহাড়ে হিংসাকে বাহবা দেওয়া হচ্ছে ৷ এটা সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক, অসাংবিধানিক ৷ বাংলার সঙ্গেই এরকম করা হচ্ছে ৷ অন্য রাজ্য থেকে আধা সেনা প্রত্যাহার হয়নি ৷ বিষয়টি নিয়ে আমরা স্তম্ভিত ৷ আমি রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে কথা বলেছি ৷ রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা না করেই এই সিদ্ধান্ত ৷ ১৫-এর মধ্যে ৭ কোম্পানি তুলে নিচ্ছে ৷ প্রশাসনিকভাবে এটা খুব খারাপ সিদ্ধান্ত ৷ কী এমন হল, আধা সেনা প্রত্যাহার করা হল ৷ হাইকোর্টের নির্দেশের অবমাননা করা হল ৷ বিজেপির ইন্ধনেই পাহাড়ে অশান্তি চলছে ৷’

গেরুয়া শিবিবের এক মন্ত্রী ও সাংসদের দিকেও আঙুল তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি অভিযোগ করেন, ‘বিজেপির এক মন্ত্রী ষড়যন্ত্র করছেন ৷ অশান্তিতে তরুণ পুলিশকর্মী নিহত হয়েছেন ৷ তারপরেও কীভাবে বাহিনী প্রত্যাহার করা হল? এটা কি রাজনৈতিকভাবে দেখা উচিত? বিজেপির এক মন্ত্রী এর সঙ্গে জড়িত ৷’

First published: 08:00:53 PM Oct 16, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर