corona virus btn
corona virus btn
Loading

নির্জন আমবাগানে মিলল যুবতীর রক্তাক্ত অর্ধনগ্ন দেহ ! পলাতক স্বামী

নির্জন আমবাগানে মিলল যুবতীর রক্তাক্ত অর্ধনগ্ন দেহ ! পলাতক স্বামী

ধর্ষন করে খুন, অনুমান স্থানীয়দের। দেহ উদ্ধারের পর থেকেই বেপাত্তা ওই মহিলার স্বামী।

  • Share this:

Sebak Deb Sharma

#মালদহ:মালদহের মানিকচকে আমবাগানে মিলল যুবতীর রক্তাক্ত অর্ধনগ্ন দেহ। ধর্ষন করে খুন, অনুমান স্থানীয়দের। দেহ উদ্ধারের পর থেকেই বেপাত্তা ওই মহিলার স্বামী। খুনের কারণ নিয়ে দানা বেঁধেছে রহস্য। এলাকায় তদন্তে যান জেলা পুলিশ সুপার সহ পদস্থ কর্তারা।

দিন কয়েক আগেই মালদহের ইংরেজবাজারের কোতুয়ালীতে আমবাগানে মহিলাকে শ্বাসরোধ করে খুনের পর জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনা হয়। এর রেষ

কাটতে না কাটতেই ফের এক মহিলা খুন নির্জন আম বাগানে। এদিন সকালে মালদহের মানিকচকে কামালপুর এলাকায় রাজ্য সড়কের কাছেই আমবাগানের ভেতর বছর কুড়ির ওই মহিলার দেহ উদ্ধার হয়।শরীরের একাংশে পোশাক ছিল না বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।মুখে এবং মাথার কিছু অংশে রক্তও দেখা যায়। ঘটনাস্থল থেকে মোবাইল ফোন, নতুন শাড়ি, জুতো, ব্যাগ সহ কিছু সামগ্রীও উদ্ধার করেছে পুলিশ।

2407_5e108ff1605f5_04_01_20_MALDA_WOMEN_MURDER_MANIKCHAK_PIC_3

প্রথমে পরিচয় জানা না গেলেও বিকেল নাগাদ মৃতের পরিচয় জানতে পারে পুলিশ। জানা গিয়েছে, ঘটনাস্থলের কাছেই মানিকচক 'কর্মতীর্থে' এক যুবক আকুপাংচার বিশেষঞ্জ হিসেবে রোগী দেখতেন। তিনি এদিন সকালে মানিকচক থানায় গিয়ে স্ত্রী নিঁখোজ বলে অভিযোগ জানিয়ে আসেন। আম বাগানে উদ্ধার যুবতীর সঙ্গে নিঁখোজ ওই মহিলার মিল পেয়ে পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হয় পুলিশ।

তবে দেহ উদ্ধারের ঘটনার পর থেকেই ওই যুবকের খোঁজ মেলেনি।এদিন ঘটনার খবর ছড়াতেই স্থানীয় কয়েকশো মানুষ এলাকায় ভিড় জমান। তাঁদের অনুমান ধর্ষন করে খুন করা হয়েছে ওই যুবতীকে। এদিন মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মালদা মেডিক্যাল কলেজে পাঠায় পুলিশ। এলাকায় সরজমিনে তদন্তে যান জেলা পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীপক সরকার সহ পদস্থ কর্তারা। পুলিশ জানিয়েছে, শ্বাসরোধ করে খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক ভাবে মনে হচ্ছে। কিন্তু, ধর্ষনের কোনো ঘটনা ঘটেছে কিনা অথবা কি উদ্দেশ্যে খুন করা হয়েছে তা জানতে তদন্ত চলছে।

অলোক রাজোরিয়া পুলিশ সুপার মালদা। কোটি টাকার সাপের বিষ উদ্ধার মালদহে। ক্রেতা সেজে হোটেলে হানা দিয়ে চক্র ধরল পুলিশ। গভীর রাতে মালদহের স্টেশন রোড এলাকায় একটি হোটেলে হাজির হয় জেলা পুলিশের "ক্রাইম মনিটরিং গ্রুপ"। এর আগে গত এক মাস ধরেই চক্র ধরতে ফাঁদ পাতে পুলিশ।

অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তিন কারবারিকে। উদ্ধার হয়েছে সুদৃশ্য জার সমেত প্রায় এক কেজি সাপের বিষ। যার বাজার মূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা।

এদিন ধৃতদের মধ্যে রয়েছে কালিয়াচকের শাহবাজপুরের রফিক আলি, কালিয়াচকের আকুন্দবেড়িয়ার আশিক মণ্ডল এবং কালিয়াচকের বাবুনটোলার মাসুদ সেখ। ধৃতদের শনিবার মালদা আদালতে তোলে পুলিশ। জিঞ্জাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়েছে পুলিশ হেফাজতে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অত্যন্ত উচ্চ মানের ওই সাপের বিষ বাংলাদেশ থেকে আনা হয়। এর পিছনে আন্তর্জাতিক চক্রের হাত রয়েছে। বিষধর কোবরা  জাতীয় সাপ থেকে বিষ বের করে নিয়ে ল্যাবরোটরিতে ওই বিষ জার বন্দী করা হয়। মূলতঃ ওষুধ তৈরির জন্যই এই বিষ ব্যবহার হয়।

সাদা পোশাকের পুলিশ কয়েক লক্ষ টাকা সঙ্গে নিয়ে ক্রেতা সেজে হানা দেয় হোটেলে। সেখানে নিজেদের ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রথমে বিপুল অঙ্কের টাকা দেখিয়ে বিশ্বাস অর্জন করা হয়। এতেই পুলিশের পাতা ফাঁদে পা দেয় চক্র।

মালদহের পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া জানিয়েছেন, প্রাথমিক জেরায় ধৃতরা দাবি করেছে, বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া শাহবাজপুর এলাকায় সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়ার কাছেই সাপের বিষ-সহ জার কুড়িয়ে পান তাঁরা। তাঁদের বয়ান বিশ্বাসযোগ্য নয় বলেই মনে করা হচ্ছে। আপাতত ধৃতদের জেরা করে চক্রের আরও বড় চাইদের গ্রেফতারের চেষ্টায় রয়েছে মালদা পুলিশ।

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: January 4, 2020, 8:32 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर