অশিক্ষার চরম, শেভিং ব্লেড দিয়ে C-section করতে গিয়ে রক্তক্ষরণে মারা গেলেন প্রসূতি

অশিক্ষার চরম, শেভিং ব্লেড দিয়ে C-section করতে গিয়ে রক্তক্ষরণে মারা গেলেন প্রসূতি

Photo-Representative

প্রেগন্যান্ট মহিলার সবচেয়ে আনন্দের দিন হয়ে গেল চরমতম দুঃখের দিন...

  • Share this:

    #লখনউ:  মা ও সদ্যোজাত সন্তানের ভয়ানক মৃত্যু হল৷ ক্লাস ৮ -র পর লেখাপড়া করেননি লোকাল ক্লিনিকে কাজ করতেন অভিযুক্ত৷ সেই অভিযুক্ত প্রসূতির সিজার করেন শেভিং ব্লেড দিয়ে৷

    ৩০ বছরের রাজেন্দ্র শুক্লা রক্তাক্ত অবস্থায়  মহিলাটিকে পাঠিয়ে দেন৷ রক্তক্ষরণ হতে হতে প্রসূতি মারা যান৷ C-section সার্জারির পর সদ্যোজাত শিশুটিও প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই মারা যায়৷ সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ি অভিযুক্ত রাজেন্দ্র শুক্লা ক্লাস এইটের পর আর পড়াশুনো করেননি৷ সে সাইনি ভিলেজের মা সারদা হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন৷ তিনি হাসপাতালে সার্জারির কাজ চালাত৷  তদন্তে জানা গেছে রাজেশ সাইনি -র কোনও রেজিস্ট্রেশন নেই৷ এখানে সবাই হাতুড়ে৷ প্রধান মেডিক্যাল অফিসারে-র কাছে পুলিশ লিখিত অভিযোগ করেছে৷  সেখানে বলা হয়েছে দ্রুত এই ধরণের অবৈধ ক্লিনিক বন্ধ করা হক৷

    রাজেন্দ্র শুক্লা ও রাজেশ সাইনিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে৷ মৃতার স্বামীর অভিযোগের ভিত্তিতেই এই দুইজনকে ধরা হয়েছে৷ মৃতার স্বামী রাজারাম অভিযোগ দায়ের করেন৷ সুলতানপুরের এসপি অরবিন্দ চতুর্বেদী জানিয়েছেন স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যু হয়েছে চিকিৎসার গাফিলতিতে এই অভিযোগই করেন রাজারাম৷

    অরবিন্দ চতুর্বেদি জানিয়েছেন, ‘আমরা দেখি ক্লিনিকের কোনও রেজিস্ট্রেশন  নেই৷ অপারেশন করানোর কোনও পরিকাঠামো নেই৷ অশিক্ষিতরা রেজর ব্লেড ব্যবহার করে অপারেশন করত৷

    প্রসব যন্ত্রণা ওঠায় স্ত্রীকে নিয়ে ধাইমা-র কাছে যান মৃতার স্বামী ৷ কিন্তু তিনি রাজারামকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন৷ সেখানে একজন নার্স রাজারামের স্ত্রী পুনমকে পরীক্ষা করে দেখে৷ জানান পরিস্থিতি ভালো নয়৷ অপারেশন টেবলেই প্রবল রক্তক্ষরণ শুরু হয়৷

    পরে তাঁকে লখনউয়ের  KGMU Trauma Centre, নিয়ে যাওয়া হয়৷

    Published by:Debalina Datta
    First published: