• Home
  • »
  • News
  • »
  • crime
  • »
  • নির্মম! দু'বছরের শিশুকন্যাকে গলা টিপে খুন করল খোদ দাদু

নির্মম! দু'বছরের শিশুকন্যাকে গলা টিপে খুন করল খোদ দাদু

২০১৯ সালে আইভিএফ পদ্ধতিতে কাব্য নামে একটি সুস্থ কন্যাসন্তানের জন্ম দেন অভিজিতের মা৷ প্রত্যাশিত ভাবেই তার এইচএলএ অভিজিতের সঙ্গে মিলে যায়৷

২০১৯ সালে আইভিএফ পদ্ধতিতে কাব্য নামে একটি সুস্থ কন্যাসন্তানের জন্ম দেন অভিজিতের মা৷ প্রত্যাশিত ভাবেই তার এইচএলএ অভিজিতের সঙ্গে মিলে যায়৷

মৃত শিশুকন্যার দাদু ঘটনার পর থেকেই পলাতক

  • Share this:

#বর্ধমান: একরত্তি শিশুকন্যাকে গলাটিপে খুন করল তার দাদু! পূর্ব বর্ধমানের কালনায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ওই শিশুকন্যার মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। মৃত শিশুকন্যার দাদু ঘটনার পর থেকেই পলাতক। তার খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।

পূর্ব বর্ধমানের কালনার মধুবন এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। মৃত ওই শিশুকন্যার নাম রশ্মি মোহলি। দু বছরের ওই শিশুকন্যাকে ঘুম পাড়িয়ে কাজে গিয়েছিলেন তার মা। ফিরে এসে শিশুকন্যাকে রক্তাক্ত অবস্থায় সেই বিছানাতে পাওয়া যায়। এই মৃত্যুকে ঘিরে রহস্য দানা বেঁধেছে। ওই শিশুকন্যাকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে দোষীর উপযুক্ত সাজার দাবি জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।

কালনার মধুবন এলাকায় সুনীল মোহলির সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল এলাকার বাসিন্দা পুষ্প মোহলির। কিন্তু তাদের সেই সম্পর্ক মেনে নিতে পারেনি সুনীলের পরিবার। কন্যা সন্তান জন্মানোর পর পুষ্প সঙ্গে শ্বশুরবাড়ির অন্যান্যদের সম্পর্ক তিক্ততার চরমে পৌঁছায়। তার জেরেই এই খুন বলে মনে করা হচ্ছে। পুষ্প বলেন, সকালে মেয়েকে ঘুম পাড়িয়ে একটু কাজে বাইরে বেরিয়েছিলাম। বেলা ১০টা নাগাদ ফিরে এসে দেখি মেয়ে তখনও বিছানায় শুয়ে আছে। কাছে গিয়ে দেখি মুখ দিয়ে রক্ত বেরোচ্ছে। জিভ বেরিয়ে আছে। কালনা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। ওই সময় ঘরে শ্বশুর ছিল। আমার সন্দেহ শ্বশুরই আমার মেয়েকে খুন করেছে।

ঘটনার পর থেকেই পুষ্পার শ্বশুর পলাতক। পুষ্পার বাবা তনু মোহলি বলেন, বিয়ের পর থেকেই আমার মেয়েকে ওরা দেখতে পারত না। ওই শিশুকন্যাটিকেও তারা কোলে পর্যন্ত নিত না।পুলিশ উপযুক্ত তদন্ত করে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিক। শিশু কন্যার বাবা সুনীল বলেন, সকালে কাজে চলে গিয়েছিলাম। তাই কিভাবে কি হয়েছে বলা সম্ভব নয়। পুলিশ তদন্ত করে দোষীকে চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় শাস্তির ব্যবস্থা করুক।

Published by:Ananya Chakraborty
First published: