• Home
  • »
  • News
  • »
  • crime
  • »
  • RELATIVES KILL 17 YEAR OLD UP GIRL OVER WEARING JEANS RC

UP Crime: যোগীরাজ্যে জিন্স পরার 'শাস্তি', পিটিয়ে মেরে ব্রিজ থেকে ছোড়া হল নাবালিকার দেহ!

প্রতীকী ছবি।

১৭-র কিশোরী গ্রামের রাস্তায় জিন্সের প্যান্ট পরে বেরিয়েছিল। সেই জিন্স পরার 'অপরাধে' প্রাণ গেল সেই কিশোরীর (UP Crime)।

  • Share this:

    #লখনউ: মেয়ে হয়ে জিন্স পরার মরণ-শাস্তি যোগীরাজ্যে। ১৭-র কিশোরী গ্রামের রাস্তায় জিন্সের প্যান্ট পরে বেরিয়েছিল। সেই জিন্স পরার 'অপরাধে' প্রাণ গেল সেই কিশোরীর (UP Crime)। এমন ভয়ঙ্কর ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের দেবরিয়া জেলার একটি গ্রামে। পুলিশ সূত্রে খবর, মেয়েটির ঠাকুরদা ও কাকা মিলে খুন করে কিশোরীকে। এক অটোচালক সেই দেহ লোপাটে তাদের সাহায্য করেছিল। বৃহস্পতিবার মাউদিহ পুলিশ স্টেশনে এই ঘটনার অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিশ দুই অভিযুক্তকে আপাতত গ্রেফতার করেছে।

    পুলিশ সূত্রে খবর, ওই ১৭ বছরের কিশোরী লুধিয়ানাতে তার বাবার সঙ্গে থাকত। গ্রামে ফিরে এসে স্বাভাবিক নিয়মে যেমন সে জিন্স পরত, তেমনই পরেছিল। সঙ্গে টপ ও মাঝে মাঝে ট্রাউজার। কিন্তু মেয়ের এমন পোশাক 'দৃষ্টিকটূ' লাগছিল ঠাকুরদা ও কাকার। আত্মীয়রা একাধিক বার মেয়েটিকে সতর্ক করেছিল এমন পোশাক আর না পরতে। তাকে বার বার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল, বাড়ির অন্য মেয়েরা যেমন পোশাক পরে, তেমনই পরতে। তবে মেয়েটি সেই কথা কানে তোলেনি।

    প্রতিবেশীদের দাবি, গত সোমবার এই পোশাক পরা নিয়ে বাড়িতে তুমুল অশান্তি শুরু হয়। কিন্তু তার পরেও বৃহস্পতিবার ফের মেয়েটি জিন্সের প্যান্ট পরেই রাস্তায় বের হয়। আর বাড়ি ফিরতেই মেয়েটিকে বেধড়ক মারধর করে ঠাকুরদা ও কাকা। পরিস্থিতি এমনই হয় যে মারের চোটে জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিেয় পড়ে সে। মেয়েটিকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যায় দুই অভিযুক্ত। কিন্তু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই সে মারা যায়।

    এর পর মেয়ের মৃত্যুতে ভয় পেয়ে গিয়ে দেহ লোপাটের চেষ্টা শুরু করে আত্মীয়রা। একটি সেতু থেকে দেহ নদীতে ছুড়ে ফেলে দেওয়ার চেষ্টাও করে। কিন্তু ব্রিজের কিছুটা নীচেই দেহটি আটকে ঝুলতে থাকে। এর পরই পুলিশ সেখানে উপস্থিত হয় এবং গোটা ঘটনা সামনে চলে আসে। দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। মেয়েটির মামা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঠাকুরদা ও অটোচালককে গ্রেফতার করা গেলেও, কাকা এখনও পলাতক।

    Published by:Raima Chakraborty
    First published: