corona virus btn
corona virus btn
Loading

বাইক-ঘড়ি-মোবাইল প্ল্যান করে চলত দেদার ডাকাতি, ধৃতদের কোর্টে তুলবে পুলিশ

বাইক-ঘড়ি-মোবাইল প্ল্যান করে চলত দেদার ডাকাতি, ধৃতদের কোর্টে তুলবে পুলিশ
Photo- Representative

পুলিশ সূত্রে খবর এরা ডাকাতির ঘটনায় আগে গ্রেফতার হয়েছিল

  • Share this:

#কলকাতা: ডাকাতি-র উদ্দেশ্যে জড়ো হওয়া ৫ জনকে গ্রেফতার করল   সোনারপুর থানার পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে, মকগ্রামপুর এলাকা পুলিশ আড়ি পেতে  এই দলের ৫ জনকে ধরে ফেলে ৷ পালিয়ে যায় বেশ কয়েক জন। এদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় মোবাইল ,ঘড়ি, বাইক , নগদ টাকা ও ডাকাতির সরঞ্জাম । ধৃতদের বাড়ি জীবনতলা থানার ঘুটিয়ারিশরিফ এলাকায় । পুলিশ সূত্রে খবর এরা ডাকাতির ঘটনায় আগে গ্রেফতার হয়েছিল। বুধবার এদের বারুইপুর আদালতে তোলা হবে।

৫ জুলাই রাত দুটো নাগাদ সোনারপুর থানার রাতের টহলদারি পুলিশ ,দুটি ছেলেকে দেখতে পান পিঠে ব্যাগ নিয়ে হাঁটতে হাঁটতে সোনারপুর স্টেশন থেকে দক্ষিণ দিকে যাচ্ছে। সেই সময় পুলিশ ওদেরকে দাঁড় করিয়ে পিঠের ব্যাগ খুলে দেখতেই, বেরিয়ে পড়ে টেকনিক্যাল কাজের যন্ত্রপাতি। সঙ্গে চুরির কিছু মালপত্র। ব্যাস তারপর পুলিশের জেরায় স্বীকার করে ফেলে সমস্ত কীর্তি।   পরে পুলিশ ঘুটিয়ারি শরিফ থেকে বাসার আলি খান, ইসারুল মোড়ল, রাজেশ শেখ, রাকেশ শেখকে গ্রেফতার করে।

এদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ঘুটিয়ারি শরিফের মাদারতলা এলাকা থেকে ইসলাম মোল্লা নামে একজনকে গ্রেফতার করে। এই ইসলাম মোল্লা চোরের কাছ থেকে চুরির মালপত্র কিনত।   মাদার তলাতে ইসলাম মোল্লার বাড়িতে গিয়ে পুলিশের চক্ষু চড়কগাছ। ওর বাড়ি ? না, ছোটখাটো একটি শপিং মল! ভালো দামি ব্র্যান্ডের ঘড়ি থেকে আরম্ভ করে মোবাইল, কাপড়, জামা প্যান্ট, বাসন সবই পাওয়া যায়। পাশের গ্রাম ও বিভিন্ন জায়গা থেকে খরিদ্দাররা এসে অর্ধেকের কম দামে ইসলামের কাছ থেকে জিনিসপত্র কিনে নিয়ে যেত৷

ইসলামকেও সোনারপুর থানার পুলিশ গ্রেফতারও করেছে।   এই চোরের দল মাঝে মাঝে কলকাতা এবং তার সংলগ্ন এলাকাতে ডাকাতি ও করেছে। এর আগে কলকাতার মুচিবাজার থানাতে এরা ধরা পড়েছিল। এদের বয়সটা এমনই, এদেরকে দেখে তেমন ভাবে কেউ সন্দেহ করতে পারে না।   তবে সোনারপুর থানা এলাকায় পরপর চুরির কিনারাতে খুশি অভিযোগকারীরা। পুলিশ এদেরকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরো বেশ কিছু চুরির কিনারা করতে চাইছে। পুলিশের দাবি এদের কাছ থেকে দক্ষিণ কলকাতা এবং সোনারপুর, বারাইপুর ,নরেন্দ্রপুর এই সমস্ত থানা এলাকাগুলির বেশির ভাগ চুরির কিনারা করা সম্ভব।

Published by: Debalina Datta
First published: July 8, 2020, 12:11 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर