শেষ রক্ষা হলো না, ছিনতাই করে পালানোর পথে পুলিশের জালে দুই দুষ্কৃতি

শেষ রক্ষা হলো না, ছিনতাই করে পালানোর পথে পুলিশের জালে দুই দুষ্কৃতি

  • Share this:

#বর্ধমান: ভাতারের বামশোর গ্রামে আগ্নেয়াস্ত্র সহ দুই দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করল পুলিশ। সোমবার রাতে স্থানীয় এক ব্যবসায়ীকে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে মারধর করে তাঁর সঙ্গে থাকা টাকার ব্যাগ ও মূল্যবান সামগ্রী ওই দুষ্কৃতিরা ছিনিয়ে নিয়েছিল বলে অভিযোগ। আক্রান্ত ব্যক্তি ভাতার থানার পুলিশকে বিষয়টি জানান। পুলিশ দ্রুততার সঙ্গে তদন্ত শুরু করে। তাতেই এই দুই দুষ্কৃতিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে বলে জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

ছিনতাইয়ের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ওই দুই দুষ্কৃতীর নাম মদন শেখ এবং বাপ্পা মাঝি। মদন শেখের বয়স চব্বিশ বছর ও বাপ্পা মাঝির বয়স ৪৩ বছর। সোমবার গভীর রাতে বামশোর গ্রামের পাশে ক্যানেল পাড়ের রাস্তা থেকে তাদের ধরেছে পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি দেশি পিস্তল, একটি মোটর সাইকেল,এক রাউন্ড গুলি, নগদ টাকা,বাঁশের লাঠি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভাতারের বামশোর গ্রামের বাসিন্দা কৌশিক সাহার মদের দোকান রয়েছে বলগোনা বাজারে। তিনি সোমবার রাতে দোকান বন্ধ করে বাইকে চড়ে বাড়ি ফিরছিলেন।ভুমশোর গ্রামের কাছে ক্যানেল পাড়ের রাস্তা ধরে বাড়ি ফেরার সময় তিন দুষ্কৃতি তাঁর পথ আটকায়। ব্যপক মারধর করে।তারপর কৌশিকের কাছে থাকা ৬৫ হাজার টাকা, তিনটি মোবাইল ফোন, সোনার লকেট ও হাতঘড়ি ছিনতাই করে। কৌশিক বাড়ি ফিরে স্থানীয়দের ঘটনার কথা জানান। পুলিশকেও জানানো হয়। ভাতার থানার পুলিশ তৎক্ষণাৎ বিভিন্ন এলাকায় টহলরত পুলিশ কর্মীদের সতর্ক করে দেয়। রাস্তায় রাস্তায় নাকা চেকিং শুরু হয়‌। তাতেই মোটর সাইকেল চড়ে পালাতে সচেষ্ট দুই দুষ্কৃতি ধরা পড়ে।

ধৃতদের মঙ্গলবার বর্ধমান আদালতে তোলা হয়। এই ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত বাকিদের হদিশ পেতে পুলিশ ধৃতদের দশ দিনের হেফাজত চেয়েছে। জেলা পুলিশের এক পদস্থ আধিকারিক বলেন, ছিনতাইয়ের খবর পাওয়া মাত্রই অভিযুক্তদের হদিশ পেতে এলাকাজুড়ে তল্লাশি শুরু হয়েছিল। তাতেই এই সাফল্য মিলেছে। এই ঘটনার সঙ্গে আর কারা কারা জড়িত, অন্য জেলার সঙ্গে এই চক্রের যোগ রয়েছে কিনা,কতদিন ধরে কোন কোন এলাকায় কুকর্ম চালিয়ে যাচ্ছিল তারা এসব বিস্তারিত জানতে ধৃতদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করা হবে।

Saradindu Ghosh

Published by:Debalina Datta
First published:

লেটেস্ট খবর