Yogi Adityanath: 'আমাকে খুন করা হয়েছে', সুইসাইড নোটে লিখলেন যোগীর সোশ্যাল মিডিয়া দলের সদস্য!

পার্থ শ্রীবাস্তব।

তাঁর সুইসাইড নোটের লেখায় শুরু হয়েছে বিতর্ক। কারণ, সেখানে নিজের মৃত্যুর জন্য অফিসের সিনিয়রদের দায়ী করেছেন পার্থ। কিন্তু কেন এমন ঘটনা?

  • Share this:

    #লখনউ: উত্তরপ্রদেশ সরকারের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) সোশ্যাল মিডিয়া দলের এক সদস্যের আত্মহত্যার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিজের বাড়িতেই পার্থ শ্রীবাস্তব নামের ২৮ বছরের এক যুবক গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন। তবে তাঁর সুইসাইড নোটের লেখায় শুরু হয়েছে বিতর্ক। কারণ, সেখানে নিজের মৃত্যুর জন্য অফিসের সিনিয়রদের দায়ী করেছেন পার্থ। কিন্তু কেন এমন ঘটনা?

    বেসরকারি ওই সংস্থাটি উত্তর প্রদেশ সরকারের সোশ্যাল মিডিয়া সামলানোর দায়িত্বে রয়েছে। বৃহস্পতিবার লখনউয়ের ইন্দিরানগরের বাড়িতে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় মৃত পার্থর দেহ উদ্ধার করা হয়। 'বাসিল' নামের ওই কোম্পানির কর্মী ছিলেন পার্থ। সুইসাইড নোটে পার্থ তাঁর সিনিয়র সহকর্মী পুষ্পেন্দ্রর বিরুদ্ধে প্রতারণা ও হেনস্থার অভিযোগ করেছেন। এবং তার জন্যই পার্থ আত্মহত্যা করেছেন বলে লিখেছেন। যে নোটটি পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়।

    পার্থ নিজের চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে উল্লেখ করে, অফিসে দলবাজি ও রাজনীতির শিকার হওয়ার কথা লিখেছেন। তিনি সুইসাইড নোটে লিখেছেন, 'এটা খুন। এই ঘটনার জন্য যারা দায়ী তারা হলেন শৈলজা ও পুষ্পেন্দ্র সিং। যিনি শৈলজাকে সাহায্য করেছেন।' যদি সোশ্যাল মিডিয়ায় পরে পার্থর নোটটি আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। পার্থ নিজের বাড়িতে আত্মহত্যা করার পর তাঁর বাবা রবীন্দ্রনাথ তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু ততক্ষণে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। পার্থর বন্ধু আশিস পান্ডে সোশ্যাল মিডিয়ায় মৃত্যুর খবর জানান।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় পার্থর মৃত্যুসংবাদ শেয়ার হওয়ার পর থেকেই 'জাস্টিসফরপার্থ' (#JusticeForParth) নামে একটি ক্যাম্পেন শুরু হয়েছে। সেখানে বহু নেটিজেন পার্থর কথায় সম্মতি জানিয়ে তাঁর মৃত্যুর সঠিক তদন্ত ও বিচারের দাবি করেছেন। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, পার্থর সোশ্যাল মিডিয়া থেকে কে সুইসাইড নোটের স্ক্রিনশটটি ডিলিট করে দিল? পার্থর পরিবার এখনও ইন্দিরানগর পুলিশের কাছে কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি। তবে পুলিশকে গোটা ঘটনার কথা জানিয়েছেন তাঁরা।

    Published by:Raima Chakraborty
    First published: