corona virus btn
corona virus btn
Loading

একের পর এক ছুরির কোপ! ২ সন্তানের রক্তে ভাসল ঘর, দেহ লুকিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা মায়ের

একের পর এক ছুরির কোপ! ২ সন্তানের রক্তে ভাসল ঘর, দেহ লুকিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা মায়ের
প্রতীকী ছবি

দুই সন্তানকে খুনের অভিযোগে স্ত্রী চারিয়ার বিরুদ্ধে খুন এবং আত্মহত্যার চেষ্টার অপরাধে মামলা দায়ের করেছেন স্বামী আহমেদ।

  • Share this:

#হিসার: খেলতে খেলতে খাবারের মধ্যে এসে পড়েছিল খেলনা । এইটুকুই শুধু অপরাধ । তারপর দুই দুধের শিশুর যে পরিণতি করল মা, তা শুনলে শিউড়ে উঠবেন যে কেউ । সাংঘাতিক ঘটনাটি ঘটেছে হিসারের একটি বস্তিতে । দুই সন্তানকে খুনের অভিযোগে স্ত্রী চারিয়ার বিরুদ্ধে খুন এবং আত্মহত্যার চেষ্টার অপরাধে মামলা দায়ের করেছেন স্বামী আহমেদ (২৬) ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আহমেদ এবং চারিয়ার দুই সন্তান মমতা (৩) এবং কিরণ (১) । তাঁরা মূলত রাজস্থানের বাসিন্দা । তবে কর্মসূত্রে আহমেদ তাঁর পরিবার নিয়ে  হিসারের বস্তিতে থাকতেন । প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, রবিবার আহমেদ সহকর্মীদের সঙ্গে কাজে বেরিয়ে যাওয়ার পরে এই মর্মান্তিক কাণ্ড ঘটান বছর ২৬-এর চারিয়া । সেদিন তাঁর দুই মেয়েকে সকালের খাবার দিয়েছিলেন চারিয়া । কিন্তু তাঁদের খেলার সময় খেলনা এসে পড়ে খাবারের মধ্যে । আর তাতেই ভয়ঙ্কর রেগে গিয়ে দুই সন্তানকে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে কুপিয়ে খুন করেন তিনি ।

এখানেই শেষ হয়নি নৃশংসতা । জানা গিয়েছে, দেহ যাতে সামনে থেকে না দেখা যায়, তাই সেগুলো চারিয়া খাতের মধ্যে লুকিয়ে ফেলেন । এরপর ছুরি দিয়ে নিজের গলার নলি কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন । এইসব ঘটনার মধ্যেই ছাড়িয়ার গলার শব্দ পেয়ে যান প্রতিবেশীরা । তাঁরা ছুটে আসে দেখেন রক্তে ভেসে যাচ্ছে ঘর । তার মধ্যেই পড়ে রয়েছেন চারিয়া ।  এরপর তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়, পরে অবস্থার অবনতি হলে হিসারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্তানান্তরিত করা হয় । সেখানেই বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন চারিয়া ।

এদিকে, চারিয়াকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পড় খোঁজ পড়ে দম্পতির দুই সন্তানের । তখনই সারা বস্তি খুঁজতে শুরু করেন প্রতিবেশীরা । খুঁজতে খুঁজতে ঘরের বিছানায় রক্তাক্ত অবস্থায় দুই শিশুর দেহ উদ্ধার হয় । এরপর গ্রামবাসীরাই পুলিশকে খবর দেন । পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পাঠায় ।

Published by: Shubhagata Dey
First published: May 25, 2020, 5:57 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर