প্রচুর অস্ত্র উদ্ধার ঢলাহাট থানা এলাকায়

প্রচুর অস্ত্র উদ্ধার ঢলাহাট থানা এলাকায়

এক মাস আগে অস্ত্র কারখানার হদিস পাওয়ার পর,আবার ঢোলা পুলিশের বড় সাফল্য এলো রবিবার রাতে।উদ্ধার প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র

  • Share this:

Shanku Santra

#কলকাতা: গত ২৬ নভেম্বর ঢোলাহাটের আমিরপুরে জহির মীরের বাড়িতে অস্ত্র কারখানার হদীশ পেয়েছিল পুলিশ সুন্দর বন জেলা পুলিশের ঢোলা থানা। সেই ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া জহির মীর ও তাঁর সঙ্গী এরাদআলি লস্করকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেপুলিশ জানতে পারে ওই অস্ত্র গিয়ে মজুত হত ওই এলাকার এক ব্যাক্তির বাড়িতে । রবিবার রাতে ওই ব্যাক্তিকে গ্রেপ্তার করল ঢোলাহাট থানার পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত সাগির সর্দার ওরফে শাকিল ওরফে সাদা, মন্দিরবাজার থানার নিশাপুর এলাকার বাসিন্দা। এদিন রাতে সাগির ওই মজুত রাখা আগ্নেয়াস্ত্র সহ প্রচুর গুলি বিক্রির জন্য ব্যাগে ভর্তি করে টোটোতে চেপে মন্দিরবাজারের পোলের হাটের দিকে যাচ্ছিল। জানা গেছে আগ্নেয়াস্ত্রগুলো কলকাতায় বিক্রির পরিকল্পনা ছিল তাঁর। কিন্তু গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ঢোলাহাট থানার ওসি অনিন্দ্য মুখোপাধ্যায় গভীর রাতে স্থানীয় দক্ষিণ জগদীশপুরের কাছে হাসপাতালমোড় এলাকায় সমস্ত গাড়িতে তল্লাশি অভিযান শুরু করেন। সেই সময় যাত্রী সেজে টোটোতে করে হাসপাতাল মোড়ের কাছে যেতেই পুলিশ হাতেনাতে ধরে ফেলে সাগিরকে।

তার কাছে থাকা ব্যাগের ভেতর থেকে উদ্ধার হয় ৭টি লং রেঞ্জ দেশি বন্দুক, ৭টি আড়াই ফুটের ব্যারেল সহ প্রচুর গুলি। ধৃতকে সোমবার কাকদ্বীপ এসিজেএম আদালতে তোলা হলে পাঁচদিনের পুলিশ হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। ধৃতকে হেপাজতে নিয়ে জেরা করে সুন্দরবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র তৈরী ও মজুত করে রাখা সহ পাচার চক্রের সঙ্গে বাকি দুষ্কৃতীদের টিকি ছুঁতে চাইছে ঢোলাহাট থানার পুলিশ।

এই সাগির মূলত এলাকায় অগ্নেয়াস্ত্র তৈরির বরাত দিত। তার জন্য অগ্রিম দাদন দিত ,অগ্নেয়স্ত্র প্রস্তুতকারীকে।পুলিশের কাছে অনেক আগে থেকে খবর চিল। বিভিন্ন জায়গায় সংগঠিত অপরাধের ক্ষেত্রে অগ্ন্যাস্ত্র যোগান দেওয়াতে মূল ভূমিকা ছিল৷ পুলিশের দাবি এই সাগিরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জেলায় কিংবা রাজ্যে আর কথায় অস্ত্র মজুত আছে তার হদিস পাওয়া যাবে।দেশ যখন উত্তাল, তখন এই রকম ভাবে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার ,যথেষ্ট তাৎপর্য বহন করে।

First published: 11:47:58 PM Dec 30, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर