প্রথমে মাটিতে আছাড়, পরে খুন! ১ বছরের কন্যাশিশুকে গলা টিপে হত্যা করল বাবা

প্রথমে মাটিতে আছাড়, পরে খুন! ১ বছরের কন্যাশিশুকে গলা টিপে হত্যা করল বাবা

উত্তরপ্রদেশের সাহরানপুর জেলায় এক বছরের কন্যা শিশুকে আছাড় মেরে মাটিতে ফেলা হয় প্রথমে। তার পরে গলা টিপে হত্যা করার অভিযোগ ওঠে শিশুটির বাবার উপরে।

উত্তরপ্রদেশের সাহরানপুর জেলায় এক বছরের কন্যা শিশুকে আছাড় মেরে মাটিতে ফেলা হয় প্রথমে। তার পরে গলা টিপে হত্যা করার অভিযোগ ওঠে শিশুটির বাবার উপরে।

  • Share this:

    #সাহরানপুর: দূর হচ্ছে না মানুষের মনের অন্ধকার। যতই নারীবাদ নিয়ে গলা ফাটানো হোক না কেন, সমাজের কোথাও কোথাও আজও নারীদের বঞ্চিত হতে হয়। এখনও সদ্যজাত কন্যা থেকে বৃদ্ধা, কেউই ছাড় পায়না। এমনই এক মর্মস্পর্শী ঘটনায় হতবাক হয়েছে সমাজের মানুষ। উত্তরপ্রদেশের সাহরানপুর জেলায় এক বছরের কন্যা শিশুকে আছাড় মেরে মাটিতে ফেলা হয় প্রথমে। তার পরে গলা টিপে হত্যা করার অভিযোগ ওঠে শিশুটির বাবার উপরে। শিশুটির মা জানিয়েছেন, ওই ব্যক্তি ছেলে সন্তান চেয়েছিলেন। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার কোতোয়ালি থানার অন্তর্গত মহল্লা নূর বসতি এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্ত মহম্মদ চাঁদ একজন বিক্রেতা। ভালবেসে বিয়ে করেছিল উজমাকে। উজমার দাবি, তিনি যখন গর্ভবতী ছিলেন তখন মহম্মদ সব সময় বলত ছেলে সন্তান চায় সে। কিন্তু পরে কন্যা সন্তান হলে মহম্মদের মধ্যে রাগ ঘৃণা আরও বেড়ে যায়। প্রায় দিনই স্ত্রী’র সঙ্গে অশান্তি করত সে। এক বছর ধরে উজমা সব সহ্য করেছেন। এই দিন শুক্রবার যখন তিনি শিশুটিকে নিয়ে ঘুমোচ্ছিলেন, তখন চাঁদ হঠাৎই মেয়েকে নিয়ে গিয়ে মাটিতে ছুঁড়ে ফেলে দেয়। উজমা ঘুম ভেঙে দেখেন এই কান্ড। শিশুটি চিৎকার করলে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে চাঁদ। উজমা রোখার চেষ্টা করলেও নারাজ চাঁদকে কিছুতেই থামানো যাচ্ছিল না। এই ঘটনার তদন্তে যুক্ত পুলিশের এক অধিকারিক বিনীত ভট্টনগর জানিয়েছেন, ‘’আমরা তার স্ত্রী’র জবানবন্দিতেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছি এবং এই বিষয়টিকে আরও খতিয়ে দেখছি’’। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরেও এমন একটি ঘটনা সকলের নজরে এসেছিল। এক মহিলা তার এক বছরের শিশু কন্যাকে হত্যা করেছিল। ঘটনাটি ঘটে মধ্যপ্রদেশের ভোপালে খজুড়ি গ্রামে। শিশু কন্যার রহস্যজনক মৃত্যুর বিষয় পুলিশ তদন্তের করে। ব্যাপারটি নজরে আসে যখন ওই শিশুর দেহ একটি জল ভরা ড্রামে পাওয়া গিয়েছিল।

    Published by:Somosree Das
    First published: