পুনের ৩০-এর যুবতী গবেষকের মৃত্যুতে গ্রেফতার ইন্টেরিয়র ডিজাইনার বন্ধু!

পুনের ৩০-এর যুবতী গবেষকের মৃত্যুতে গ্রেফতার ইন্টেরিয়র ডিজাইনার বন্ধু!

প্রতীকী ছবি

পুনের পাসান এলাকার ন্যাশনাল কেমিক্যাল ল্যাবরেটরির গবেষক ৩০ বছরের যুবতীর খুনের ঘটনায় গ্রেফতার এক। সোমবার তাঁরই পরিচিত এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুনে সিটি পুলিশ। ধৃতের নাম রবিরাজ ক্ষিরসাগর। পেশায় একজন ইন্টেরিয়র ডিজাইনার।

  • Share this:

    #পুনে: পুনের পাসান এলাকার ন্যাশনাল কেমিক্যাল ল্যাবরেটরির গবেষক ৩০ বছরের যুবতীর খুনের ঘটনায় গ্রেফতার এক। সোমবার তাঁরই পরিচিত এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুনে সিটি পুলিশ। ধৃতের নাম রবিরাজ ক্ষিরসাগর। পেশায় একজন ইন্টেরিয়র ডিজাইনার। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ওই যুবতী গবেষকের খুন করেছিল রবিরাজ। তার পর নিজেকেও শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। বাড়িতে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করতে চেয়েও, শেষ পর্যন্ত প্রাণে বাঁচে সে। এবং পরিবারের লোকেরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছিল। হাসপাতাল থেকেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    পুলিশ সূত্রে খবর, 'একটি অনলাইন ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল ধৃত ও মৃতার। মেয়েটির বিয়ে হয়ে যাচ্ছে জানতে পেরে নৃশংস ভাবে কুপিয়ে খুন করে ছেলেটি। তার পর নিজেকেও শেষ করতে গিয়েছিল।' পাসনা এলাকা থেকে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ওই রিসার্চ স্কলার মেয়েটির দেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ পরে জানতে পারে যে, মেয়েটির পরিচিত এক যুবক আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। প্রথম থেকেই পুলিশের সন্দেহের তালিকাতেও ছিল এই ছেলেটি। এর পর তাকে হেফাজতে নিতেই সে নিজের দোষ স্বীকার করে নেয়।

    পুনের সুস খিন্দ এলাকায় ৩০ বছরের সুদর্শনা পণ্ডিত নামে ওই যুবতীর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, অত্যন্ত নৃশংস ভাবে মেয়েটিকে খুন করে মুখটি পাথর দিয়ে থেঁতলে দেওয়া হয়েছিল। মেয়েটিকে যাতে কেউ চিনতে না পারে সে কারণেই এমন ভাবে পাথর মেরে মুখ থেঁতলে দিয়েছিল অভিযুক্ত। ২৭ ফেব্রুয়ারির সকালে মর্নিং ওয়াকে গিয়ে কয়েকজন এই দেহ দেখতে পান।

    মেয়েটির বাড়ি মহারাষ্ট্রের জালনাতে। পুনেত সুতারওয়ার্দি এলাকায় এসে নিজের কাজ ও পড়াশোনা করছিলেন তিনি। গলা কাটা অবস্থায় এবং পরনে কোনও পোশাক না থাকা অবস্থায় মেয়েটির উদ্ধার করা হয়। অভিযুক্তকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করতে চায় পুলিশ। কী কারণে এমন নৃশংস ভাবে খুন, জানতে চান তদন্তকারীরা।

    Published by:Raima Chakraborty
    First published: