Uttar Pradesh: হাত-পায়ের নখে পেরেক গেঁথে নির্মম অত্যাচার! মাস্ক না পরার মাশুল দিল যুবক! কিন্তু...

পেরেক। প্রতীকী ছবি।

পা-হাতের আঙুলের নখে হাতুড়ি ঘায়ে পেরেক (hammering nails) ফুটিয়ে ফুটিয়ে অত্যাচার! করোনা বিধি না মানায় পুলিশ তাঁর ওপরে এ ভাবেই অত্যাচার করে বলে অভিযোগ জানিয়েছে এক যুবক।

  • Share this:

    #বেরেলিঃ পা-হাতের আঙুলের নখে হাতুড়ি ঘায়ে পেরেক (hammering nails) ফুটিয়ে ফুটিয়ে অত্যাচার!মাস্ক না পরার জন্য পুলিশ তাঁর ওপরে এ ভাবেই অত্যাচার করে বলে অভিযোগ জানিয়েছে এক যুবক। আরও একবার কাঠগড়ায় উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের পুলিশ।যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ।

    ঠিক কী অভিযোগ? উত্তরপ্রদেশের  বেরেলির (Uttar Pradesh's Bareilly) যোগী নাভাদার বাসিন্দা রঞ্জিত নামে ওই যুবক তাঁর মাকে সঙ্গে নিয়ে বারাদারি থানায় (Baradari police station) হাজির হন সম্প্রতি। তারপরে অভিযোগ তোলেন খোদ পুলিশের বিরুদ্ধেই। জানান, তাঁর হাত এবং পায়ের নখে পেরেক ফুটিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে করোনা বিধি লঙ্ঘন করার জন্য। যদিও পুলিশের পক্ষ থেকে রঞ্জিতের আনা অভিযোগ এক্কেবারে ফুৎকারে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বরং করোনা কার্ফু ভাঙার অপরাধে (violating the Covid curfew) পুলিশি গ্রেফতারি থেকে বাঁচতে সে নিজেই (self-inflicted) এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে দাবি করেছেন পুলিশ কর্তারা। বেরেলির SSP রোহিত সিং সজ্জন সাফ জানিয়েছেন, 'রঞ্জিতের অভিযোগ ভিত্তিহীন। তাঁর বিরুদ্ধে বারাদারি থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল আগেই। তাই গ্রেফতারি এড়াতে সে নিজেই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে। '

    পুলিশ সুপার আরও বলেন, "২৪ মে যোগী নাভাদার বাসিন্দা রঞ্জিতের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের হয় পুলিশের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করার জন্য। কর্তব্যরত কনস্টেবল তাঁকে মাস্ক পরতে বলায় তিনি তাঁর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। তার ফলে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। রঞ্জিত এই নাটক করেছে পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে। সে যা অভিযোগ করেছে, তার কোনও প্রমান পাওয়া যায়নি।" রঞ্জিতের বিরুদ্ধে ৩২৩ (voluntarily causing hurt), ৫০৪  (intentional insult with intention to provoke breach of peace), ৫০৬ (criminal intimidation), ৩৩২ (voluntarily causing hurt to deter public servant from his duty), ৩৫৩  (assault or criminal force to deter public servant from discharge of his duty), ১৮৮ (disobedience to order duty promulgated by public servant)  এবং ২৭০ (malignant act likely to spread infection of disease dangerous to life) ধারায় মামলা দায়ের হয়েছিল। কিন্তু অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর থেকে সে পলাতক ছিল।

    পুলিশ সুপার সজ্জন জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাতে রঞ্জিতের বাড়িতে হানা দিয়েছিল পুলিশ, কিন্তু তাঁর সন্ধান মেলেনি। তবে এখানেই শেষ নয়, ২০১৯ সালে মদ্যপ অবস্থায় মন্দিরের মধ্যে ঢুকে মূর্তির ক্ষতি করার জন্য তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
    Published by:Shubhagata Dey
    First published: