পরিবারে পরিবারে তুমুল খারাপ সম্পর্ক, জীবন দিয়েই প্রেমের সম্পর্কে ইতি তরুণ-তরুণীর

পরিবারে পরিবারে তুমুল খারাপ সম্পর্ক, জীবন দিয়েই প্রেমের সম্পর্কে ইতি তরুণ-তরুণীর

Photo-Representative

প্রেমে -র এই পরিণতিই কি প্রাপ্য ছিল...

  • Share this:

#চাকুলিয়া : প্রেমিক-প্রেমিকা যুগল আত্মঘাতীর ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল উত্তর দিনাজপুর জেলার চাকুলিয়া থানার লাধি গ্রামের আদিবাসী পাড়ায়। মৃত যুবক যুবতীর নাম আরুল ইসলাম ও নুরশাদি বেগম। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে আসে চাকুলিয়া থানার পুলিশ। মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালের পুলিশ মর্গে পাঠানোর হয়েছে। এই ঘটনার পুলিশ একটি অস্বাভাবিক মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,  চাকুলিয়া থানার বেলন গ্রামপঞ্চায়েতের পাটোয়া গ্রামের বাসিন্দা আমিরুদ্দিনের ছেলে আরুল ইসলামের সঙ্গে দীর্ঘদিনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল ওই গ্রামেরই বাসিন্দা মুস্তাকিমের মেয়ে নুরশাদি বেগমের। কিন্তু দুই পরিবারের লোকজন তাদের এই প্রেমের সম্পর্ক মেনে নিতে পারেনি। এই সম্পর্ক দুই পরিবারের মধ্যে বিবাদ লেগেই ছিল। দুই পরিবারের বিবাদ মেনে নিতে পারেননি প্রেমিক-প্রেমিকা যুগল।অবশেষে তারা চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলেন।

Photo-News 18 Bangla Photo-News 18 Bangla

পরিবারের লোকেরা তাদের সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় আরুল ও নুরশাদি আত্মঘাতী হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সোমবার সকালে লাধি গ্রামের আদিবাসী পাড়ায় একটি জঙ্গলের মধ্যে একটি গাছে একসাথে  গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় প্রেমিক যুগলের মৃতদেহ দেখতে পান। গ্রামের বাসিন্দারা তাদের দেখতে পায়ে পরিবারে খবর দেয়।মুহূর্তের মধ্যে এই খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। তাদের দেখতে হাজার হাজার মানুষ সেখানে পৌঁছে যান।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে চাকুলিয়া থানার পুলিশ। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।  শোকের ছায়া নেমে এসেছে প্রেমিক যুগলের বাড়ি পাটোয়া গ্রামে। চাকুলিয়া থানার পুলিশ অস্বাভাবিক মামলা রজু করে মামলা শুরু করেছে। স্থানীয় বাসিন্দা শামসুল হক জানান,  দীর্ঘদিন যাবৎ এই সম্পর্ক নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিবাদ চলছিল। বাসিন্দারা সেই বিবাদ মিটিয়ে ফেলার জন্য আলোচনা করা হয়েছিল। দুই পরিবারই এই সম্পর্ক মেনে না নেওয়ার কারনে তারা আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই গ্রাম জুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে।

Uttam Paul

Published by:Debalina Datta
First published: