যুবতীকে অপহরণ, ফার্মহাউজে আটকে রেখে ৪৮ ঘণ্টা লাগাতার গণধর্ষণ, বিজেপি নেতার 'কীর্তি' ফাঁস...

যুবতীকে অপহরণ, ফার্মহাউজে আটকে রেখে ৪৮ ঘণ্টা লাগাতার গণধর্ষণ, বিজেপি নেতার 'কীর্তি' ফাঁস...
মধ্যপ্রদেশে ধর্ষণযুবতীকে অপহরণের পর গণধর্ষণ। প্রতীকী ছবি।

মুদির দোকানে যাওয়ার রাস্তা থেকে প্রথমে অপহরণ, তারপর ফার্মহাউজে বন্দি করে টানা দু-দিন ধরে লাগাতার পৈশাচিক গণধর্ষণ করে স্থানীয় বিজপির শীর্ষ নেতা-সহ তার তিন শাগরেদ।

  • Share this:

    #ভোপাল: মুদির দোকানে যাওয়ার রাস্তা থেকে প্রথমে অপহরণ, তারপর ফার্মহাউজে বন্দি করে টানা দু-দিন ধরে লাগাতার পৈশাচিক গণধর্ষণ করে স্থানীয় বিজেপির শীর্ষ নেতা-সহ তার তিন শাগরেদ। এরপর নৃশংসতা শেষ হলে যুবতীকে অচৈতন্য অবস্থায় বাড়ির কাছে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভোপাল থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরে শাহদল গ্রামে।

    পরিবারের অভিযোগ, ১৮ ফেব্রুয়ারি বাড়ি থেকে মুদির দোকানে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল যুবতী। তারপর আর ফিরে আসেনি। নিকট আত্মীয় বা কোথাও গিয়েছে ভেবে প্রথমেই পুলিশের কাছে নিখোঁজের অভিযোগ জানানো হয়নি। এরপর ২০ ফেব্রুয়ারি যুবতীকে বাড়ির কাছেই অচৈতন্য অবস্থায় দেখতে পান তাঁরা।  রক্তে ভেসে যাচ্ছিল তাঁর শরীর। এরপরেই পরিবারের সদস্যরা পুলিশের দ্বারস্থ হন এবং লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরিবারের অভিযোগের তীর জাতিপুরের বিজেপি শীর্ষ নেতা বিজয় ত্রিপাঠির এবং তার তিন শাগরেদ রাজেশ শুক্ল, মুন্না সিং এবং মনু মহারাজ নামে চার যুবকের বিরুদ্ধে। তাঁদের দাবি, এই চারজনই তাঁদের মেয়েকে অপহরণ করে ফার্মহাউজে আটকে রেখে দু-দিন ধরে গণধর্ষণ করে।

    যুবতীর এক আত্মীয় জানিয়েছেন, নিগৃহীতা জানিয়েছেন চারজন মিলে একটি গাড়িতে করে তাঁকে তুলে নিয়ে যায়। তারপরে ফার্মহাউজে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন করে। এই সব ঘটনাই পুলিশের কাছে গোপন জবানবন্দিতে জানিয়েছে সে।শাহদলের অ্যাডিশনাল সুপারিন্টেনডেন্ট অব পুলিশ (ASP) মুকেশ বৈশ্য বলেন,  পরিবারের অভিযোগ এবং যুবতীর জবানবন্দির নিরিখে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়েছে। ধর্ষকরা ঘটনার পর থেকে পকাতক। পুলিশ তল্লাশি চালাচ্ছে।


    Published by:Shubhagata Dey
    First published:

    লেটেস্ট খবর