• Home
  • »
  • News
  • »
  • crime
  • »
  • KOLKATA FAKE IAS OFFICER DEBANJAN DEV BECOMES RICH WITH HIS FAKE IDENTITY SS

Kolkata Fake IAS Officer: ভুয়ো পরিচয় দিয়ে টাকা আদায়, পকেট ভরত প্রতারণা করেই, লোক ঠকিয়ে বিপুল টাকা করেছিলেন দেবাঞ্জন!

Kolkata Fake IAS Officer Debanjan Dev: সূত্রের খবর, পুলিশ তদন্তে জানতে পেরেছে, কলকাতা পুরসভায় চাকরি দেওয়ার নামেও প্রতারণা করতেন দেবাঞ্জন৷ ভুয়ো পরিচয়পত্র ও নিয়োগপত্র দিতেন ৷

Kolkata Fake IAS Officer Debanjan Dev: সূত্রের খবর, পুলিশ তদন্তে জানতে পেরেছে, কলকাতা পুরসভায় চাকরি দেওয়ার নামেও প্রতারণা করতেন দেবাঞ্জন৷ ভুয়ো পরিচয়পত্র ও নিয়োগপত্র দিতেন ৷

  • Share this:

    কলকাতা: নীল বাতি লাগানো ভাড়ার গাড়ি। প্রতি মাসে গাড়ি বদল করতেন। চালককে দিতেন হাজার হাজার টাকা মাইনে ! নিরাপত্তারক্ষীর বেতনও প্রচুর...টিকা প্রতারণায় ধৃত দেবাঞ্জন দেব কোথা থেকে এত টাকা পেতেন? তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, প্রতারণা করেই পকেট ভরতেন তিনি।

    কখনও বলতেন তিনি আইএএস। কখনও বলতেন তিনি কলকাতা পুরসভার যুগ্ম কমিশনার। সবই আসলে ভুয়ো পরিচয়। যাকে কাজে লাগিয়ে কলকাতার একাধিক এলাকায় টিকাকরণ ক্যাম্প করে প্রতারণা চালাচ্ছিলেন ৷ সেই ভুয়ো ‘আইএএস অফিসার’  দেবাঞ্জন দেব অবশেষে ধরা পড়লেন।

    দেখাতেন বিরাট প্রভাবশালী। কাটাতেন বিলাসবহুল জীবন। লাল বা নীল বাতি লাগানো গাড়িতে ঘুরতেন ৷ পুলিশ সূত্রে খবর, দেবাঞ্জন ভাড়া করা গাড়ি ব্যবহার করতেন ৷ প্রতি মাসে গাড়ি বদলাতেন,  মাসে প্রায় ৩৫ হাজার টাকা গাড়ি ভাড়া দিতেন ৷ গাড়ি চালককে প্রতি মাসে বেতন দিতেন ২৫ হাজার টাকা ৷ প্রাইভেট নম্বর দেখে দেবাঞ্জন গাড়ি ভাড়া নিতেন বলে জানা গিয়েছে ৷

    কিন্তু, এত খরচ করার মত টাকা কোথা থেকে পেতেন? তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে,  প্রতারণা করেই বিপুল টাকার মালিক হন দেবাঞ্জন ৷  আইএএস পরিচয় দিয়ে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করতেন ৷ স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বিভিন্ন ক্যাম্প করার জন্য টাকা দিত তাকে ৷ সেই টাকার অনেকটাই ঢুকত দেবাঞ্জনের পকেটে ৷ কখনও আবার পুরসভার যুগ্ম কমিশনার পরিচয় দিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন ৷ পুরসভার কোনও শিবির করার নামে তাঁদের থেকে টাকাও নিতেন ৷

    যেমন, কলকাতার পুরসভা জানতে পেরেছে, দেবাঞ্জনকে ১ লক্ষ ১১ হাজার টাকা দেয় সরলা মাইক্রোফিনান্স নামে একটি সংস্থা। ১৭১ কর্মীর টিকাকরণের জন্য টাকা দেওয়া হয়। পুরসভার উদ্যোগে টিকাকরণের নাম করে দেবাঞ্জন টাকা তোলেন ৷ অভিযোগ, ব্যবসায়ীদের থেকেও ল্যাপটপ, কম্পিউটার, মাস্ক, স্যানিটাইজার নিতেন দেবাঞ্জন। বৃহস্পতিবার কসবা থানায় দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন এক ব্যবসায়ী।

    সূত্রের খবর, পুলিশ তদন্তে জানতে পেরেছে, কলকাতা পুরসভায় চাকরি দেওয়ার নামেও প্রতারণা করতেন দেবাঞ্জন৷ ভুয়ো পরিচয়পত্র ও নিয়োগপত্র দিতেন ৷

    পুলিশ খতিয়ে দেখছে, পুরসভায় চাকরি দেওয়ার নামেও দেবাঞ্জন টাকা কামাতেন কি না।

    Published by:Siddhartha Sarkar
    First published: