Home /News /crime /
Kolkata: চরিত্র খারাপ সন্দেহে স্ত্রী-কে খুন করে সোজা থানায় এসে ধরা দিল স্বামী !

Kolkata: চরিত্র খারাপ সন্দেহে স্ত্রী-কে খুন করে সোজা থানায় এসে ধরা দিল স্বামী !

ধৃত সঞ্জয়ের বাড়ি চিৎপুর থানা এলাকার রাজা মণীন্দ্র রোডে ৷ সেখানে একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে স্ত্রী মুনমুন ও বছর আঠেরোর ছেলে শুভমকে নিয়ে থাকত সে ৷

  • Share this:

কলকাতা: বৃহস্পতিবার সকাল দশটা নাগাদ চিৎপুর থানাতে সঞ্জয় দাস নামে এক ব্যক্তি গিয়ে বলেন, সে তার স্ত্রীকে খুন করেছে। থানায় ডিউটি রত অফিসার বিষয়টি শুনে প্রথমে হতভম্ব হয়ে পড়েন। বিষয়টি নিয়ে ধাতস্ত হতে বেশ খানিকটা সময় লেগে যায় পুলিশ কর্মীদের। তারপর, ওই ব্যক্তির কথা শোনার পরে, তাকে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় চিৎপুর থানার পুলিশ।

২২/১৯৭ রাজা মনীন্দ্র রোড, কলকাতা ৩৭-এর ঠিকানাতে বাড়ির তিনতলার ঘরে গিয়ে দেখে, স্ত্রী মুনমুন দাস মেঝেতে উপুড় হয়ে পড়ে রয়েছেন।  সঞ্জয় দাস পেশায় অটো চালক। মুনমুন শহরের একটি কেকের দোকানে কাজ করতেন ৷ দীর্ঘদিন ধরে লকডাউনের জন্য সঞ্জয়ের অটো চালানো বন্ধ ছিল। ফলে রোজগার প্রায় ছিল নাই বলা চলে। সঞ্জয় স্ত্রীর চরিত্র নিয়ে সন্দেহ করত। এই নিয়ে প্রায়শই মারধরও করত স্ত্রীকে। মুনমুনের দিদি, কুমকুম ঘোষের বক্তব্য -মুনমুনের ১৪ বছর বয়সে সঞ্জয়ের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল।বিয়ের পর থেকে,দু’জনের মধ্যে গন্ডগোল লেগেই থাকত।যেহেতু আর্থিক দিক থেকে সঞ্জয় দুর্বল ছিল,তাই মুনমুন কাজে গেলেই তাকে সন্দেহ করত সে বলে অভিযোগ ।

ধৃত সঞ্জয়ের বাড়ি চিৎপুর থানা এলাকার রাজা মণীন্দ্র রোডে ৷ সেখানে একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে স্ত্রী মুনমুন ও বছর আঠেরোর ছেলে শুভমকে নিয়ে থাকত সে ৷ কয়েকদিন আগেও ঘরে অশান্তির পর বাপের বাড়ি চলে গিয়েছিলেন মুনমুন। বাড়িওয়ালি পিংকি দাসের কথায়,ওরা দু’জন ছেলেকে নিয়ে বছর দুয়েক আগে তাদের বাড়িতেই ভাড়া আসে। স্বামী-স্ত্রী-র মধ্যে ঝগড়া লেগেই থাকত ৷ সকালে পুলিশ আসার পর,উনি ও সবাই জানতে পারে খুনের বিষয়।সকালে, ছেলে সুমন দাস তার কর্মস্থলে বেরিয়ে গিয়েছিল। ঘটনা ঘটার পর সবাই জানতে পারে খুনের কথা। তবে সূত্রের খবর,মুনমুনের মুখে আঘাতের চিহ্ন ছিল। গলায় ওড়নার ফাঁস লাগিয়ে তাকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয় বলে অনুমান পুলিশের। তদন্তকারীদের বক্তব্য, প্রথমে শক্ত কিছু দিয়ে স্ত্রী-র মুখের ডান দিকে আঘাত করেছিল সঞ্জয়। জ্ঞান হারিয়ে ফেলার পরেই গলায় ফাঁস লাগিয়ে মুনমুনকে খুন করে সে। মুনমুনের পরিবারের তরফে থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত সঞ্জয় দাসকে গ্রেফতার করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে ময়না তদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত, মৃত্যুর সঠিক কারণ বলতে নারাজ পুলিশ।

Shanku Santra

Published by:Siddhartha Sarkar
First published:

Tags: Murder

পরবর্তী খবর