ক্রাইম

corona virus btn
corona virus btn
Loading

চলন্ত বাস থেকে লাফাতে বাধ্য হল শিক্ষার্থীরা! হেনস্থার অভিযোগ বাসচালকের বিরুদ্ধে

চলন্ত বাস থেকে লাফাতে বাধ্য হল শিক্ষার্থীরা! হেনস্থার অভিযোগ বাসচালকের বিরুদ্ধে
প্রতীকী ছবি

পড়ুয়াদের হেনস্থা করার অভিযোগ উঠেছে বাস চালকের উপর। বৃহস্পতিবার দিল্লির নয়ডায় ঘটনাটি ঘটেছে। দুই শিক্ষার্থী গুরুতর ভাবে আহত হয়েছেন।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: বার বার বাস থামানোর জন্য অনুরোধ করছিল ড্রাইভারকে। কথা না শোনায় বাধ্য হয়ে চলন্ত বাস থেকে লাফাতে বাধ্য হল দ্বাদশ শ্রেণির দুই ছাত্রী। উত্তর প্রদেশের এই ভয়ঙ্কর ঘটনায় আশ্চর্য হয়েছে সকলে। সূত্রের খবর, ওই বাসের মধ্যে চার যুবক ছিল। মেয়েদের হেনস্থা করার অভিযোগ উঠেছে বাস চালকের উপর। বৃহস্পতিবার দিল্লির নয়ডায় ঘটনাটি ঘটেছে। দুই শিক্ষার্থী গুরুতর ভাবে আহত হয়েছেন। সকাল দশটার দিকে রানহেরা গ্রামের বাসিন্দা ওই দুই স্কুল শিক্ষার্থী একটি বেসকারি বাসে উঠেছিলেন, স্কুল যাওয়ার জন্য। গাড়ির মাঝের সিটে বসেছিল তাঁরা। কিছু ক্ষণ পরে সামনে বসা চার যুবক তাঁদের অশ্লীল মন্তব্য ও হেনস্থা করতে শুরু করে। দুই পড়ুয়া বাস চালককে গাড়ি থামানোর জন্য বললে, ড্রাইভার তাঁদের কথা শুনতে অস্বীকার করেছিল। পরিবর্তে আরও জোরে গাড়ি চালায় বাস চালক। এমনকি রাস্তায় আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী বাসে ওঠার জন্য অপেক্ষা করছিল। কিন্তু বাস স্টপে বাস থামায়নি ওই চালক। বাস অন্য পথে নিয়ে যাচ্ছে দেখে ওই দুই শিক্ষার্থীর সন্দেহ বাড়তে থাকে। তাঁরা আবারও অনুরোধ করে বাস থামানোর জন্য। একজন শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, "আমরা বাসে উঠতেই ওই চার যুবক আমাদের সঙ্গে অশ্লীল আচরণ করছিল। বাস না থামায় তাঁরা পরিস্থিতির সুযোগ নিতে শুরু করে। তাঁরা মন্তব্য করছিল, আজ বাস থামবে না। আরও বেশি মজাদার হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি। আমাদের ভয় করছিল। বাস চালককে বার বার বলা স্বত্বেও সে আমাদের কোনও কথা শুনছিল না। তাই আমরা বাধ্য হয়ে একে একে বাস থেকে লাফাই"।

পুলিশ সূত্রে খবর, ওই দুই শিক্ষার্থীর মধ্যে একজনের মাথায়, পায়ে এবং কোমরে গুরুতর আঘাত পেয়েছে। অপরজনের হাত ও পা ভেঙে গিয়েছে। স্থানীয় লোকেরা তাঁদের দুজনকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এরপরেই পরিবারের সদস্য পুলিশের কাছে এফআইআর করে। উল্লেখ্য, পুলিশ জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্থ মেয়েদের অভিভাবকরা ওই চার যুবকের মন্তব্যের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ করেননি। তারা কেবল বলেছিল যে বাস চালক গাড়ি থামাতে অস্বীকার করেছে। সুতরাং, কেবলমাত্র বাস চালককে ভারতীয় দণ্ডবিধির (আইপিসি) অনুযায়ী, সেকশন ২৭৯ (দ্রুত ড্রাইভিং), ৩৩৮ (অন্যের জীবনকে বিপন্ন করে তোলে) এবং ৩৩৭ (কোনও ব্যক্তিকে আহত করা হয়েছে)-এর আওতায় ফেলা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে ঘটনাটির তদন্ত চলছে এবং ওই ড্রাইভার ক্ষমা চেয়েছে।

Published by: Somosree Das
First published: January 8, 2021, 10:20 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर