হাসপাতালেই মিলল কর্মীর ঝুলন্ত মৃতদেহ ! কোথায় ঘটল এমন ঘটনা ?

হাসপাতালেই মিলল কর্মীর ঝুলন্ত মৃতদেহ ! কোথায় ঘটল এমন ঘটনা ?

আজ, বৃহস্পতিবার সকালে কালনা মহকুমা হাসপাতালে এই ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়।

  • Share this:

#বর্ধমান: হাসপাতালেই মিলল কর্মীর ঝুলন্ত মৃতদেহ। তা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়ালো এলাকায়। আত্মহত্যা নাকি খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় মৃতদেহ তা নিয়েই আলোচনায় ব্যস্ত এখন সকলেই। এ রাজ্যের কোন হাসপাতালে ঘটলো এমন ঘটনা!

আজ, বৃহস্পতিবার সকালে কালনা মহকুমা হাসপাতালে এই ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। মহকুমা হাসপাতালের পুরনো বিল্ডিংয়ের সিঁড়িতে ওঠার মুখেই দড়িতে ঝুলছিল মৃতদেহটি। জানা গিয়েছে, মৃতের নাম অনিমেষ রায়। বয়স চব্বিশ বছর। ওই যুবক কালনা মহকুমা হাসপাতলেরই  চতুর্থ শ্রেণীর কর্মী ছিলেন। পরিচিত কর্মীর মৃতদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখার পর হাসপাতালের কর্মী, ডাক্তার, রোগী ও তাঁদের আত্মীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

কালনা থানার পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত অনিমেষের বাড়ি নদিয়ার নবদ্বীপে। কালনার পীরতলা এলাকায় সে মামার বাড়িতে থেকে হাসপাতালে যাতায়াত করত। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, অনিমেষ গতকাল, বুধবার মামার বাড়িতে ফেরেনি। অনেক পরেও না ফেরায় পরিচিতদের বাড়িতে ফোন করে তার খোঁজ করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে তার মৃত্যুর খবর পান আত্মীয়রা। এদিন সকালে এক কর্মী প্রথম মৃতদেহটি দেখেন। পাশেই একটি চেয়ার। তার ওপর দড়িতে ঝুলছিল দেহটি। ওই কর্মী তা দেখতে পেয়ে ডাকাডাকি শুরু করেন। তখন অন্যরাও ভিড় করেন সেখানে। খবর দেওয়া হয় কালনা থানায়। পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পাঠায়।

গত ৮ মাস আগে অনিমেষ কালনা মহকুমা হাসপাতালে কাজে যোগ দিয়েছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হাসপাতলেরই এক মহিলা সহকর্মীর সঙ্গে  প্রণয়ে জড়িয়ে পড়েছিলেন অনিমেষ।  কয়েক মাসের সেই সম্পর্ক কিছুদিন আগে ব্রেক আপ হয়।  তার জেরেই ওই যুবক আত্মঘাতী হয়ে থাকতে পারেন। তবে মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কিনা সেসবও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃতদেহের একটি পা ছিল চেয়ারে। অন্য পা মেঝেতে। সাধারণত এভাবে মেঝেতে পা ঠেকে গেলে মৃত্যু হওয়ায় কথা নয়। আবার আত্মহত্যার পর দড়ি টান পেয়ে নিচে নেমে আসতে পারে।ময়না তদন্তের রিপোর্টেই আত্মহত্যা কিনা সে ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যাবে। সহকর্মীরা বলছেন, অনিমেষ যে এমন একটা ঘটনা ঘটাবে তা ওর ব্যবহারে বিন্দুমাত্র টের পাওয়া যায় নি। যুবকের এরকম মৃত্যুতে স্তম্ভিত সকলেই।

Saradindu Ghosh

First published: March 5, 2020, 4:12 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर