Home /News /crime /
চাই ফ্ল্যাট ও প্রচুর টাকা, ‘ঘনিষ্ঠ’ মুহূর্তের ছবি-ভিডিও দেখিয়ে সাদ্দামকে ব্ল্যাকমেল করত মা-মেয়ে !

চাই ফ্ল্যাট ও প্রচুর টাকা, ‘ঘনিষ্ঠ’ মুহূর্তের ছবি-ভিডিও দেখিয়ে সাদ্দামকে ব্ল্যাকমেল করত মা-মেয়ে !

সাদ্দাম দাবি করেছে, রমার সঙ্গে তার অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সময় সে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি তুলে রাখে।

  • Share this:

    #কলকাতা: হলদিয়ায় মা-মেয়েকে খুনের পর ঝিকুরখালি নদী তীরবর্তী এলাকায় ফেলে যায় অভিযুক্তরা। বহুদিন ধরেই এই এলাকা দুষ্কৃতিদের আখড়া হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ। জোড়া খুনের পর এবার হুঁশ ফিরছে প্রশাসনের। তদন্তে জোড়া খুনের তদন্ত নিয়ে এখনও অনেক প্রশ্নের উত্তর নেই। হলদিয়ায় জোড়া খুনের ঘটনা। এই সূত্রেই বে-আব্রু হয়ে পড়ল প্রশাসনিক গাফিলতি, সামনে এল পুলিশি উদাসীনতা। রাজ্যের অন্যতম বড় শিল্পাঞ্চল। অথচ হলদিয়ার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ঝিকুরখালিতে দাপিয়ে বেড়ায় দুষ্কৃতিরা। ঝিকুরখালি নদী তীরবর্তী অঞ্চলে সংঘর্ষ, বোমাবাজি রোজকার ঘটনা।

    এই ঝিকুরখালিতেই মা ও মেয়েকে খুন করে দেহ জ্বালিয়ে দেয় দুষ্কৃতিরা। স্থানীয়রা বলছেন, এসব কাজের জন্য় ঝিকুরখালিকেই বেছে নেওয়া হবে, সেটাই তো স্বাভাবিক। পুলিশ তো ঝিকুরখালির দিকে ফিরেও তাকায় না। বহুদিন ধরেই এই এলাকা দুষ্কৃতিদের মুক্তাঞ্চল। ঝিকুরখালিতে পুর-পরিষেবারও হাল আরও খারাপ। জোড়া খুন নিয়ে হইচই শুরুর পরই অবশ্য় নড়ে বসেছে স্থানীয় প্রশাসনঝিকুরখালি নিয়ে পুলিশ বা প্রশাসন কেউই মাথা ঘামায়নি। ফল, মাথা চাড়া দিয়েছে দুস্কৃতীরাজ। মা ও মেয়ের খুনের তদন্তেও পুলিশি তদন্ত নিয়ে বহু প্রশ্ন।

    পরিকল্পনা করেই খুন করা হয়েছে। কলকাতা থেকে হলদিয়া নিয়ে গিয়ে খুন করা হয় মা ও মেয়েকে। এবার সেই ঘটনায় উঠে এল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশ সূত্রে খবর, মূল অভিযুক্ত সাদ্দামই মা ও মেয়েকে জীবন্ত পুড়িয়ে মেরেছে। পাশাপাশি সাদ্দাম দাবি করেছে, বারাকপুরের বাসিন্দা রমার সঙ্গে তার অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সময় সে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি তুলে রাখে।

    সাদ্দাম জানান, মা ও মেয়ে তার কাছে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করে। ঘনিষ্ঠ মূহুর্তের ছবি সাদ্দামের স্ত্রী-র কাছে ফাঁস করে দেওয়ার ভয় দেখায়। চার লক্ষ টাকা রমাদের দিয়েওছিল সে ৷ কিন্তু আরও বেশি টাকা চাইতে শুরু করে রমা ও তার মেয়ে ৷ তারপরেই তাদের খুনের পরিকল্পনা করে সাদ্দাম ৷

    কলকাতা থেকে মা-মেয়েকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল হলদিয়ায়। দুর্গাচকের হাসপাতাল রোডের একটি বাড়িতে তাঁদের রাখার পরিকল্পনা করেছিল মেয়ের ‘প্রেমিক’ শেখ সাদ্দাম হুসেন। সেখানেই রাতের খাবারের সঙ্গে মাদক মিশিয়ে প্রথমে বেহুঁশ করা হয় মা-মেয়েকে । এরপর নদীর পাড়ে নিয়ে গিয়ে পুড়িয়ে মারা হয় বলে অভিযোগ ৷

    Published by:Siddhartha Sarkar
    First published:

    Tags: Haldia Murder Case

    পরবর্তী খবর