প্রথমে ফাঁদ, পরে নৃশংস ভাবে হত্যা! চিতাবাঘ মেরে মাংস রেঁধে খেয়ে ধৃত ৫

প্রথমে ফাঁদ, পরে নৃশংস ভাবে হত্যা! চিতাবাঘ মেরে মাংস রেঁধে খেয়ে ধৃত ৫
ছ'বছরের একটি চিতাবাঘ হত্যা করে তাকে রান্না করে খাওয়ার অভিযোগে কেরল পুলিশ পাঁচ জন ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করেছে।

ছ'বছরের একটি চিতাবাঘ হত্যা করে তাকে রান্না করে খাওয়ার অভিযোগে কেরল পুলিশ পাঁচ জন ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করেছে।

  • Share this:

    #কেরল: সম্প্রতি একটি চিতাবাঘকে মেরে তাঁর মাংস রান্না করে খাওয়ার জন্য পুলিশ পাঁচজন ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করেছে। এই নৃশংস এবং বর্বর ঘটনায় বাক্যহারা হয়েছেন সকলে । ঘটনাটি ঘটেছে কেরালার ইদুক্কি জেলায়।

    বন দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, বিনকদ ও কুড়িয়াকোজ মনকুলারের কাছে মুনিপাড়ার বন থেকে প্রায় ১০০ মিটার দূরে একটি ব্যাক্তিগত জমিতে ফাঁদ পেতেছিল ওই পাঁচ জন ব্যাক্তি। বুধবার সকালে ছ'বছরের একটি বাচ্চা চিতাবাঘ ফাঁদে পড়ে। তারপর ওই চিতাবাঘটিকে আনা হয় এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত মূল পাণ্ডা বিনোদের বাড়ি। তারপর সেখানে মেরে রান্না করে খেয়ে ফেলে তার মাংস।শুক্রবার, বন কর্মকর্তারা এ সম্পর্কে তথ্য পেয়েছিলেন। এর পরে বিনোদের বাড়িতে তাঁরা তল্লাশি চালায়। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় চিতাবাঘের রান্না করা ১০ কেজি মাংস। বাড়ির ভিতর থেকে তাঁরা বাঘের ছাল এবং দাঁতও উদ্ধার করেছিলেন। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই শুক্রবার এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত পাঁচ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ ৷

    অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন, ভিপি কুড়িয়াকোস (৭৪), সালি কুঞ্জাপ্পান (৫৪), সিএস বিনু (৫০), ভিনসেট (৫০) এবং বিনোদ পিকে (৪৫) ১৯৭২ সালে বলবৎ হওয়া চিতাবাঘ বন্যজীবন সুরক্ষা আইন অনুযায়ী একজন বন কর্মকর্তা বলেছেন, অভিযুক্তদের সাত বছরের কারাদণ্ড হবে। অনুসন্ধানে জানা গিয়েছে, বিনোদের একটি ছাগলকে মেরে ফেলার পরে অভিযুক্তরা রেগে গিয়ে চিতাবাঘটিকে ফাঁদে ফেলে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয়।
    Published by:Somosree Das
    First published: