• Home
  • »
  • News
  • »
  • crime
  • »
  • DID RHEA CHAKRABORTY SHOWIK SELL DRUGS TOO NCB GETS CRUCIAL INFORMATION DURING GRILLING SS

এনসিবি দফতরে হাজির রিয়া, আজই গ্রেফতার ? তুমুল জল্পনা

Photo Source: Twitter

স্যামুয়েল, শৌভিক ও দীপেশের মুখোমুখি বসিয়ে রিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে সূত্রের খবর।

  • Share this:

#মুম্বই: এনসিবি হেড কোয়ার্টারে আজ, সোমবার দ্বিতীয় দফার জেরার জন্য হাজির রিয়া চক্রবর্তী। সকাল ৯.৩০টা নাগাদ এনসিবি দফতরে পৌঁছন রিয়া। সময়ের এক ঘণ্টা আগেই এদিন চলে এসেছিলেন রিয়া। তাঁকে ডাকা হয়েছিল সকাল ১০.৩০টা নাগাদ। স্যামুয়েল, শৌভিক ও দীপেশের মুখোমুখি বসিয়ে রিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে সূত্রের খবর। তাঁর গ্রেফতারির সম্ভাবনা জোরালো।

স্যামুয়েল-শৌভিকদের এদিন করোনা টেস্টও করানো হয় ৷ অভিযুক্ত প্রত্যেককেই মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে ৷ করোনা পরিস্থিতিতে এনসিবি-র উপর যাতে কোনও আঙুল না ওঠে, তার জন্য  জিজ্ঞাসাবাদের আগেই কোভিড টেস্ট করানো হয় প্রত্যেকের ৷

ছ'ঘণ্টা নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর জিজ্ঞাসাবাদ চলে রবিবার। সূত্রের খবর, ভাই শৌভিকের মাধ্যমে মাদক কেনার কথা স্বীকার করেছেন রিয়া। আজ, সোমবার ফের রিয়াকে জেরা করা হচ্ছে। আজই কি তাহলে রিয়াকে গ্রেফতার করবে NCB? তা নিয়ে জোর জল্পনা। দিনকয়েক আগে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর মাদক পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার হন রিয়ার ভাই শৌভিক চক্রবর্তী। নিয়মিত মাদক নেওয়ার পাশাপাশি বিক্রিও করতেন তিনি বলে অভিযোগ। ড্রাগ দিতেন সুশান্তকেও। এনসিবির দাবি, জেরায় তা স্বীকার করেছেন শৌভিক। সুশান্তের প্রাক্তন হাউস ম্যানেজার স্যামুয়েল মিরান্ডাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। এ নিয়ে মাদক-যোগে গ্রেফতার হয়েছে এখনও পর্যন্ত সাত জন।

শৌভিক জেরায় স্বীকার করেছেন যে তিনি মাদক পাচারে জড়িত। নিজে মাদক নিতেন। সুশান্তকেও মাদক সরবরাহ করতেন। শৌভিক রিয়ার ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে মাদক কিনতেন বলে অভিযোগ। এমন ১২টি লেনদেনের কথা জানা গিয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। NCB-র দাবি, শৌভিকের সঙ্গে একাধিক সেলিব্রিটিরও যোগ রয়েছে। মাদকচক্রে জড়িত থাকার অভিযোগে সুশান্তের প্রাক্তন হাউস ম্যানেজার স্যামুয়েল মিরান্ডাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

কীভাবে সুশান্ত মৃত্যুতে মাদক যোগের হদিশ পেলেন তদন্তকারীরা? সূত্রের খবর, রিয়ার মোবাইল ফোন ক্লোন করে সিবিআই ৷ বেশ কিছু হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট তাদের নজরে আসে। সাংকেতিক ভাষায় চলত মাদকের লেনদেন। প্রতিটি মাদকের জন্য আলাদা কোড থাকত। যেমন, ‘WEED’-কে বলা হত মার্কিন ডলার। ‘ব্ল-বেরি কুশ’ মানে ব্রিটিশ পাউন্ড। ডিরহাম বলা হত ‘স্ট্রবেরি কুশ’কে। স্থানীয় WEED-এর কোড ছিল ভারতীয় টাকা। এই সব তথ্য NCB-কে দেয় CBI।

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: