নারকীয় অত্যাচার! গণধর্ষণের শিকার ১৩-র কিশোরী, চিকিৎসা করাতে নিয়ে গিয়ে চরম পরিণতি বাবার...

নারকীয় অত্যাচার! গণধর্ষণের শিকার ১৩-র কিশোরী, চিকিৎসা করাতে নিয়ে গিয়ে চরম পরিণতি বাবার...

গণধর্ষণের শিকার হয়েছে নিজের ১৩ বছরের ছোট্ট মেয়ে। মঙ্গলবারই সেই অভিযোগ দায়ের করেছিলেন কিশোরীর বাবা। তার ২৪ ঘণ্টা পেরোনোর আগেই ট্রাকের ধাক্কায় মৃত্যু হল কিশোরীর বাবার।

গণধর্ষণের শিকার হয়েছে নিজের ১৩ বছরের ছোট্ট মেয়ে। মঙ্গলবারই সেই অভিযোগ দায়ের করেছিলেন কিশোরীর বাবা। তার ২৪ ঘণ্টা পেরোনোর আগেই ট্রাকের ধাক্কায় মৃত্যু হল কিশোরীর বাবার।

  • Share this:

    #কানপুর: গণধর্ষণের শিকার হয়েছে নিজের ১৩ বছরের ছোট্ট মেয়ে। মঙ্গলবারই সেই অভিযোগ দায়ের করেছিলেন কিশোরীর বাবা। তার ২৪ ঘণ্টা পেরোনোর আগেই ট্রাকের ধাক্কায় মৃত্যু হল কিশোরীর বাবার। মেয়েকে চিকিৎসা করাতে নিয়ে গিয়ে বুধবার ক্লিনিকের বাইরে গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু হয়েছে তাঁর। জঘন্যতম ঘটনাটি ফের উত্তরপ্রদেশের। এ বারে ঘটনাস্থল কানপুর। কিশোরীর দাদু অর্থাৎ মৃতের বাবার দাবি, গণধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করার শাস্তিস্বরূপ তাঁর ছেলেকে ইচ্ছাকৃতভাবে গাড়ির ধাক্কা দিয়ে খুন করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের সামনে এই একই কথা জানিয়েছেন বৃদ্ধ।

    কিশোরীর পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গণধর্ষণ-কাণ্ডের মূল পান্ডা গলু যাদবকে। তার বাবা উত্তরপ্রদেশ পুলিশের সাব-ইনস্পেক্টর। বর্তমানে তিনি কানপুর থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে কনৌজ জেলায় কর্মরত। পরিবারের অভিযোগ, পুলিশের লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পরেই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ গলু যাদবকে গ্রেফতার করে। তারপর থেকেই গলুর পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁদের নানাভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য। পরিবারের আরও এক সদস্যের দাবি, অভিযোগ দায়ের করার পর থেকেই গলুর দাদা পরিবারের সদস্যদের হুমকি দিয়ে বলেন, "সাবধানে থাকুন। আমার বাবা পুলিশের সাব-ইনস্পেক্টর।"

    নিগৃহীতার পরিবারের দাবি, বুধবার কিশোরীর যখন শারীরিক পরীক্ষা চলছিল, তখন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বাইরে চা খেতে বেরিয়েছিলেন তার বাবা। সেই সময়ই আচমকা একটি ট্রাক এসে ধাক্কা মেরে বেরিয়ে যায় তাঁকে। পথচারীরা তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে কানপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে শেষরক্ষা হয়নি। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। কানপুর পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিক প্রীতিন্দর সিং বলেন, "দুর্ঘটনার পরে পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছে। তদন্ত চলছে।"

    এ দিকে, পুলিশের আরও এক পদস্থ আধিকারিক ব্রিজেশ শ্রীবাস্তব বলেন, "কিশোরীর বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে। ধর্ষিতা তরুণীর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। ঘটনার তদন্তের জন্য পাঁচ সদস্যার বিশেষ দল (SIT) গঠন করা হয়েছে।" অন্যদিকে, কিশোরীর বাবার মৃত্যু তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত চলছে। যত দ্রুত সম্ভব ঘাতক ট্রাক এবং তার চালককে গ্রেফতার করা হবে।

    Published by:Shubhagata Dey
    First published:

    লেটেস্ট খবর