Home /News /crime /

চা খেতে বেরিয়েছিলেন দক্ষিণ বিষ্ণুপুর গ্রামে কংগ্রেসের বুথ সভাপতি, তারপর...

চা খেতে বেরিয়েছিলেন দক্ষিণ বিষ্ণুপুর গ্রামে কংগ্রেসের বুথ সভাপতি, তারপর...

Congress leader's body recovered in raiganj

Congress leader's body recovered in raiganj

দেবেশবাবুর অস্বাভাবিক মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান এবং মৃত পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যানী।

  • Share this:

#রায়গঞ্জ: বাড়ির থেকে কিছুটা দূরে কংগ্রেসের বুথ সভাপতির ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ালো এলাকায়। ঘটনাটি ঘটেছে রায়গঞ্জ থানার দক্ষিন বিষ্ণুপুর গ্রামে। মৃত ওই ব্যাক্তির নাম দেবেশ বর্মন।  ঘটনাস্থলে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। তদন্তে পুলিশ কুকুর আনা হয়। তদন্তের গতি বাড়াতে রায়গঞ্জ গভর্মেন্ট মেডিক্যাল কলেজের ফরেন্সিক দলকেও ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছিল। ঘটনার তদন্তে যায় জেলা সিআইডি-র একটি দল।

জানা গিয়েছে, অন্যদিনের মত সোমবার রাতে রায়গঞ্জ থানার দক্ষিন বিষ্ণুপুর গ্রামের বাসিন্দা দেবেশ বর্মন প্রতিদিনের মতো চা খেতে বেরিয়েছিলেন। অধিক রাত পর্যন্ত দেবেশবাবু বাড়ি ফেরেননি। তিনি দক্ষিন বিষ্ণপুর গ্রামের কংগ্রেস বুথ সভাপতি হবার সুবাদে এরকম বহুদিনই রাতেই তাকে অধিক রাতে বাড়িতে ফিরতে হয়েছে। সেই কারনে পরিবারের লোকেরা বাড়িতে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। ভোর পর্যন্ত  বাড়িতে না ফেরা পরিবারের লোকেরা খোঁজ শুরু করেন। বাড়ি থেকে কিছুদূরেই পরিবারের লোকেরা তার সাইকেল পরে থাকতে দেখেন। সেই পথ দিয়ে যাবার সময় প্রতিবেশীরাই দেবেশবাবুর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান। এ খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। দেহ মাটিতে থাকলেও   দেবেশবাবুর মুখে তৃনমুল কংগ্রেসের পতাকা লাগানো আছে। দেবেশবাবুর ঝুলন্ত মৃতদেহটি দেখতে ছুটে আসে আশপাশ থেকে বহু মানুষ।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে রায়গঞ্জ থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। দেবেশবাবু ১৪ সালে ৯ নম্বর গৌরী গ্রাম পঞ্চায়েতের সি পি এমের সদস্য ছিলে। ১৯ সালে আবার তিনি আবার কংগ্রেসের থেকে পঞ্চায়েত ভোটে দাঁড়িয়ে ছিলেন। বর্তমানে দেবেশবাবু কংগ্রেসের বুধ সভাপতি ছিলেন। দেবেশবাবুর ছেলে বিদ্রোহী বর্মন জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত তারা দেহ নিয়ে যেতে দেবেন না। যারা তার বাবাকে খুন করছে অভিযুক্তকে খুজে বের করার দাবি করেন ছেলে বিদ্রোহী বর্মন। পুলিশ তার দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে ঘটনার তদন্তে পুলিশ কুকুর এবং রায়গঞ্জ  মেডিক্যাল কলেজের ফরেন্সিক দলকে সেখানে পাঠানো হয়। কয়েকঘন্টা বাদে পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ  হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। পুলিশে মৃত কংগ্রেস নেতার আত্মীয় ছবিলাল বর্মন লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এই অভিযোগের পরই ঘটনার তদন্তে যান জেলা সি আই ডি একটি দল।

জেলা কংগ্রেস সভাপতি তথা রায়গঞ্জের প্রাক্তন বিধায়ক মোহিত সেনগুপ্ত জানান, গত বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস দলের গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করেছেন দেবেশবাবু।কোন রাজনৈতিক দল তাকে খুন করলে সেই দলের ফ্ল্যাগ লাগিয়ে দেবে না। পুলিশি তদন্তকে ঘুরিয়ে দিতেই এই পতাকা লাগানো হয়েছে।পুলিশকে অভিযুক্তদের খুজে বের করার দাবি জানিয়েছেন জেলা কংগ্রেস সভাপতি।  তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সাঙ্গু মণ্ডল জানান, তৃণমূল কংগ্রেস খুনের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়। পুলিশকে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি করেছেন। বিজেপি দেবেশবাবুকে তাদের দলের সমর্থক বলে দাবি করেছেন। দেবেশবাবুর অস্বাভাবিক মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান এবং মৃত পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যানী।

Uttam Paul

Published by:Debalina Datta
First published:

Tags: Congress, Death, Raiganj

পরবর্তী খবর