• Home
  • »
  • News
  • »
  • crime
  • »
  • CLASS 11 STUDENT CREATES FAKE FACEBOOK ACCOUNT OF TEACHER PROJECTING HER AS ESCORT SD

এসকর্ট সার্ভিস! ভুয়ো প্রোফাইল খুলে শিক্ষিকার নামে হেনস্থার অভিযোগ, গ্রেফতার যুবক

প্রতীকী ছবি

শিক্ষিকার প্রোফাইলে পেশা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘এসকর্ট সার্ভিস’। তারপর থেকে মহিলাকে অচেনা নম্বর থেকে বার বার ফোন করে হেনস্থা করা হয়। পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে।

  • Share this:

    #আগ্রা: শিক্ষিকার নামে ভুয়ো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট তৈরি করে অশ্লীল ছবি শেয়ার করার অভিযোগ উঠেছে এক স্কুলপড়ুয়ার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর প্রদেশের আগ্রায়। ওই শিক্ষিকার প্রোফাইলে পেশা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, 'এসকর্ট সার্ভিস'। তারপর থেকে মহিলাকে অচেনা নম্বর থেকে বার বার ফোন করে হেনস্থা করা হয়। বিষয়টি তদন্ত করার পর মঙ্গলবার পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে।

    পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত একাদশ শ্রেণীর ছাত্র। ২২ বছরের এক যুবকের সাহায্য নিয়ে সে শিক্ষিকার নামে ফেসবুকে একটি ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খোলে। পুলিশ তদন্তে জানতে পেরেছে, ফেসবুকে অ্যাকাউন্ট খোলার সময় যে সিমকার্ড থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করা হয়েছিল সেটি ওই ২২ বছরের যুবকের। পুলিশ তাকেও গ্রেফতার করেছে। আগ্রার সাইবার ক্রাইম অফিসার বিজয় তোমর জানিয়েছেন, অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে হয়রানির অভিপ্রায় ভুয়ো প্রোফাইল তৈরি করেছিল। একটি সংবাদ মাধ্যমকে তোমর বলেছেন, "এটা স্পষ্ট যে ছেলেটি ৩৫ বছর বয়সী এই শিক্ষিকাকে হেনস্থা করতে চেয়েছিল। তবে কী কারণে সে এমন পদক্ষেপ নিয়েছিল তা এখনও পরিষ্কার নয়"। অভিযুক্ত ওই শিক্ষিকার বাড়িতে অঙ্কের জন্য আলাদা ভাবে টিউশন নিত। কিন্তু এক মাস পরে ছেলেটির দুর্ব্যবহারের জন্য ওই শিক্ষিকা তাকে টিউশনে যেতে মানা করে। তারপরই ওই মহিলার কাছে অচেনা নম্বর থেকে বেশ কয়েকটি ফোন আসতে শুরু করে। অশ্লীল ভাষায় কথা বলা হয় তাঁর সঙ্গে। মহিলার হোয়াটস্যাপের প্রোফাইল ছবি ফটোশপে এডিট করে ফেসবুকের জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল। কেবল তাই নয়, পেশা হিসেবে অ্যাকাউন্টে উল্লেখ করা ছিল, 'এসকর্ট সার্ভিস' এবং এক রাতের জন্য ওই মহিলা দেড় হাজার টাকা নেন। ওই শিক্ষিকা যখন কয়েকটি ফোন কল পেয়েছিলেন তখন পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। আর তদন্ত করার পরেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বিষয়টিকে ভারতীয় দন্ডবিধি (আইপিসি) এবং আইটি আইনের আওতায় ফেলা হয়েছে।

    Published by:Somosree Das
    First published: