ক্রাইম

corona virus btn
corona virus btn
Loading

অবিবাহিত পুরুষরা সাবধান, বিয়ের টোপ দিয়ে ঠকাচ্ছে একদল মহিলা! যেভাবে পাতা হচ্ছে ফাঁদ...

অবিবাহিত পুরুষরা সাবধান, বিয়ের টোপ দিয়ে ঠকাচ্ছে একদল মহিলা! যেভাবে পাতা হচ্ছে ফাঁদ...

সম্প্রতি বহু ছেলের সঙ্গে বিয়ের নামে প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: একদিকে করোনার সময় মানুষ স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য নতুন নতুন কিছু করতে শুরু করছে, আবার অন্যদিকে প্রতারণা ও জালিয়াতির ব্যবসাও শুরু হচ্ছে। অনেকে নতুন কৌশল প্রয়োগ করে প্রতারণামূলক ব্যবসা করছে। উল্লেখ্য মহিলারা প্রতারণা ও ছেলেদের বোকা বানিয়ে অর্থোপার্জনের ব্যবসায় পেতে বসেছে। এই মহিলারা বিয়ের ষড়যন্ত্র করে অবিবাহিত ছেলেদের ফাঁসিয়ে দিচ্ছে৷

সম্প্রতি বহু ছেলের সঙ্গে বিয়ের নামে প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে। উত্তরপ্রদেশে মথুরার বাসিন্দা দীপক এই ফাঁদ থেকে বাঁচতে পারলেও তার আত্মীয়রা এর শিকার হয়েছে। যে গ্যাং বিয়ের নামে প্রতারণা করে তারা প্রথমে ছেলেদের বিয়ে করতে চেয়ে অবহিত করে। তারপরে, মেয়ের ছবি দেখানোর পরে তারা তাদের রাজি করায় এবং তারপরে একটি ফোন নম্বর দেয়৷ এই নম্বরে ছেলের সঙ্গে কথা বলতে বলা হয়। আর এখান থেকেই শুরু হয় প্রতারণার খেলা।

লকডাউনে ট্যাক্সি হিসাবে নিজের গাড়ি চালাচ্ছিলেন দীপক সিংহ৷ নিউজ 18 কে তিনি তার দুঃখের ঘটনা জানান৷ দীপক জানান যে দু'মাস আগে তিনি তার রাইড নিয়ে যাচ্ছিলেন৷ পথে তার সঙ্গে আরও এক ট্যাক্সি চালকের দেখা হয়৷ সেখান থেকেই দীপকের এই ঘটনার সূত্রপাত। দীপক বিয়ের ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন। তখনই সেই চালক তার ফোনে এক আত্মীয়ের মেয়ের ছবি দেখিয়েছিলেন। মেয়েটি ছবি দীপকের পছন্দ হলে দীপককে একটি ফোন নম্বর দেওয়া হয়৷ বলা হয় যে, ফোনে কথা বলে এ ব্যাপারে আরও এগিয়ে যেতে৷

দীপক সেই নম্বরে কল করলে মেয়েটি ফোনটি তুলে জানায় যে তার বাবা অসুস্থ। অনেক দিন ধরে মেয়েটি দীপকের সঙ্গে কথা বলেছিল এমনকি বিয়ের কথাও হয় তাদের মধ্যে। বাবার সঙ্গে কথা বলার পরে এক সপ্তাহের মধ্যে মেয়েটিকে দেখা করার বিষয়টি ঠিক হয়ে যায়। অন্যদিকে দীপক তার বাড়িতে মেয়েটির ছবিও দেখালে তার পরিবারও বিয়ের জন্য প্রস্তুত ছিল। কিন্তু মেয়েটি দেখা করার দু'দিন আগে দীপকের কাছ থেকে আট হাজার টাকা সাহায্য চায়। সে বলে যে বাবার স্বাস্থ্য হঠাৎ করে খারাপ হয়ে গেছে, তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, ছাড়ার জন্য তার অর্থের প্রয়োজন।

দীপক তৎক্ষণাত আট হাজার টাকার ব্যবস্থা শুরু করেন৷ তার কাছে অত টাকা না থাকায়, তিনি তার দাদার কাছে টাকা চেয়ে নেন। যদিও দাদা তাকে টাকা না দিয়ে উল্টে মেয়েটির খোঁজ করতে বলেন৷ যদিও মেয়েটি যে গ্রামের বাসিন্দা বলে নিজেকে, সেখানে গিয়ে খুঁজলে, তার খোঁজ মেলেনি৷ এর পরে, দীপক মেয়েটিকে দেখা না করা পর্যন্ত টাকা না দেওয়ায়, মেয়েটি নম্বরটি বন্ধ করে দেয়। দীপক জানিয়েছেন যে এই খবরটি ছড়িয়ে পড়তেই জানা যায় এমন অনেক ঘটনা ঘটেছে৷

দ্বিতীয় ঘটনাটি খবর জানিয়েছেন দীপক নিজে। একটি বেসরকারী সংস্থায় কর্মরত ব্যক্তি লকডাউনে নিজের বাড়ি ফিরছিলেন৷ দিল্লি-আগ্রা হাইওয়েতে একজনের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হয়৷ বিয়ের কথা উঠতেই তিনি ওই ব্যক্তিকে একটি মেয়ের ছবি দেখানো নয়৷ সঙ্গে দেওয়া হয় ফোন নম্বর৷ সেই মেয়েটির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, সে জানায় যে সে খুব দরিদ্র এবং তার বাবা নেই। সে নিজেই তার বাড়ির ব্যয় পরিচালনা করেন। সে বিয়ের জন্য প্রস্তুত এবং নির্দিষ্ট স্থানে দেখা করতে আসবে বলে জানায়।

এই কথটি ওই ব্যক্তি নিজের বাড়িতে জানান এবং মেয়েটি দেখার সময়সূচি স্থির হয়। এদিকে, মেয়েটি তাকে ক্রমাগত নিজের অসহায়তার কথা জানিয় এবং তার অ্যাকাউন্টে টাকা রাখার জন্য বলে। প্রথমে অ্যাকাউন্টে চার হাজার টাকা পাঠানো হয়। এর পরে,আরও দুই হাজার টাকা পাঠানো হয়। মেয়েটি আরও টাকা চেয়ে পাঠানোর পর, ওই ব্যক্তি তার পরিচিতদের কাছে বিষয়টি জানান এবং প্রতারণার শিকার হওয়ার আশঙ্কা করেন। পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হলে শুরু হয় খোঁজ৷ জানা যায় যে, এই নম্বরটি এমন এক মহিলার যার একটি শিশুও রয়েছে। তবে স্ব-ইচ্ছায় ভর্তির টাকা দেওয়ার কারণে ওই মহিলার বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি।

Published by: Pooja Basu
First published: December 23, 2020, 5:47 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर