Home /News /crime /
Bansdroni Firing: স্বামীর বন্ধুকে বিয়ে স্ত্রীর, আক্রোশের জেরে হামলা, পাল্টা গুলি বাঁশদ্রোণীতে

Bansdroni Firing: স্বামীর বন্ধুকে বিয়ে স্ত্রীর, আক্রোশের জেরে হামলা, পাল্টা গুলি বাঁশদ্রোণীতে

প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

বাঁশদ্রোণী রেনিয়া এলাকাতে দীর্ঘদিন ধরে সমাজবিরোধীদের উৎপাত বেড়েই চলেছে। মুহুর্তের মধ্যে বন্দুক গুলি এবং বোম ছুটে আসে এদিক ওদিক থেকে।সামান্য শত্রুতাতেই প্রাণনাশের মত আক্রমণ হয়।প্রশাসনের কড়া নজরদারি এড়িয়ে চলে অপরাধ চক্র।

  • Share this:

#কলকাতা: বাঁশদ্রোণীর কংগ্রেস নগরে সাধন বণিক নামে সোনার দোকান ও ইমারত ব্যবসায়ীকে লক্ষ করে গুলি (Bansdroni Firing)। গুলি চালায় অর্পণ চক্রবর্তী ও বুবাই দাস নামে দুই যুবক। পায়ে গুলি লাগে সাধনের। গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচেন ওই ব্যবসায়ী।

প্রথমে বাঁশদ্রোণীর একটি নার্সিং হোমে চিকিৎসা করার পরে, তাঁকে ই এম বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অস্ত্রোপচার করে গুলি বের করেছেন চিকিৎসকরা।

সূত্রের খবর , জনি নামে এক যুবক সাধনের স্ত্রীকে বিয়ে করে (Extra Marital Affair)।  সাধন এবং জনি একান্ত বন্ধু ছিল। কিন্তু জনির সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর সম্পর্ক গড়ে ওঠার পর থেকেই দু' জনের মধ্যে শত্রুতা শুরু হয়।বছর দেড়েক আগের ঘটনা হলেও, সাধনের রাগ ছিল জনির উপরে।অভিযোগ, কয়েকদিন আগে কিছু লোকজন নিয়ে জনিকে মারধর করেন সাধন। তারই শোধ নিতে জনি বুধবার রাতে অর্পন ও বুবাইকে দিয়ে সাধনের উপরে হামলা চালায়।

আরও পড়ুন: মদ খাইয়ে ধর্ষণ করে খুন, প্রেমিকা ও স্ত্রীকে একই ছকে খুন অভিযুক্তের

এই জনি গঙ্গোপাধ্যায় বছর তিনেক আগে জয় নামে একটি ছেলেকে গুলি করেছিল। সেই মামলা এখনও চলছে।

বুধবার সন্ধ্যায় অর্পণ ও বুবাইকে গ্রেফতার করে কলকাতার গোয়েন্দা পুলিশ।একই এলাকায় এই নিয়ে দু' -বার গুলি চালানোর মতো ঘটনা ঘটল।কিছুদিন আগে প্রমোটিংয়ের বিবাদের সূত্র ধরে গুলি চলে। সে বার রেনিয়া এলাকার কুখ্যাত দুষ্কৃতী নান্টির ছেলে শুভর নাম জড়িয়েছিল। সে এখন জেলে রয়েছে।আবার সেই গুলির কাণ্ড ঘটল।

ঘটনার পর থেকে জনি  এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। গোয়েন্দারা এখনও পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করতে পারেনি। তবে ধৃত দু' জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জনির ভূমিকা সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য পেয়েছেv গোয়েন্দারা।

এক্ষেত্রে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জেরেই খুনের চেষ্টা বলে জানতে পেরেছে পুলিশ।বাঁশদ্রোণী থানা এলাকায় প্রায়ই বোমা পড়া. গুলি চালানোর মতো ঘটনায় পুলিশ কর্তারা বেশ চিন্তিত। তবে জমি ও প্রমোটিং সিন্ডিকেটের ঝামেলার জন্য, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রয়েছে। যার ফলে দুষ্কৃতী নিয়ে ঘোরাফেরার প্রবণতা বেড়েছে ওই এলাকার ইমারত ব্যবসায়ীদের।

আজ অর্পণ ও বাবাইকে আলিপুর আদালতে তোলা হবে বলে, পুলিশ সূত্রে খবর।

Published by:Debamoy Ghosh
First published:

Tags: Crime, Kolkata Police

পরবর্তী খবর