দিনে রাজনীতি, রাতে অস্ত্র উঁচিয়ে ডাকাতি ! ধৃত বিজেপি নেতা-সহ ৪

দিনে রাজনীতি, রাতে অস্ত্র উঁচিয়ে ডাকাতি ! ধৃত বিজেপি নেতা-সহ ৪

ধৃতদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ছাড়াও নাইলনের ব্যাগে চারটি তাজা বোমা মিলেছে।

  • Share this:

#বর্ধমান: অনুগামীদের নিয়ে দিনে রাজনীতি আর রাতে ডাকাতি করছিল ধনিয়াখালির বিজেপি নেতা ! এমনই দাবি পুলিশের। ধৃতদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ছাড়াও নাইলনের ব্যাগে চারটি তাজা বোমা মিলেছে। ধৃতদের মধ্যে মহাদেব সোরেনের বিরুদ্ধে ধনিয়াখালি থানায় আগেও অভিযোগ ছিল।

পুলিশের তল্লাশিতে মঙ্গলবার রাতে অস্ত্রসহ গ্রেফতার হন বিজেপি নেতা। গ্রেফতার করা হয় তাঁর তিন সঙ্গীকেও। হুগলির ধনিয়াখালির বিজেপি নেতা ধরা পড়ে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে।

মঙ্গলবার রাতে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার মহিশগড়িয়া এলাকায় গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বিজেপি নেতার গাড়িতে  তল্লাশি চালায় পুলিশ। দুজন পালিয়ে গেলেও ধরা পড়ে যায় চারজন। গাড়িটিকে দাঁড় করিয়ে পুলিশ তল্লাশি চালায়।  সেই গাড়িতে মেলে প্রচুর অস্ত্র। গাড়িটিতে ছিলেন, হুগলির

ধনিয়াখালির মণ্ডল সভাপতি আশিস দাস সহ তাঁর তিন অনুগামী। তারাও বিজেপি কর্মী হিসেবে এলাকায় পরিচিত। পুলিশ জানিয়েছে, গাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি পাইপ গান, তিন রাউন্ড পয়েন্ট এইট এমএম গুলি,একটি তলোয়ার,  একটি ধনুক ও ১১টি তির। এছাড়াও নাইনলের ব্যাগে চারটি তাজা বোমা উদ্ধার হয়েছে।

ধৃত বিজেপি মন্ডল সভাপতি আশিস দাস জানান, তাঁর কাছে নয়, অস্ত্র ছিল বাপন নামে এক কর্মীর কাছে। তিনি পার্টি অফিস থেকে সঙ্গীদের নিয়ে হোটেলে খেতে যাচ্ছিলেন। গাড়িতে যে অস্ত্র রয়েছে, তা তাঁর জানা ছিল না।

অভিযুক্ত আশিসবাবুর স্ত্রী সঞ্চিতা দাস বলেন, আমার স্বামী কোনও ভাবেই এসব কাজে যুক্ত নন। তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি নেতা সন্দীপ মুখোপাধ্যায় বলেন, আমাদের নেতা পার্টি অফিস তৈরির কাজ খতিয়ে দেখে খেতে যাচ্ছিলেন। তিনি কেন অস্ত্র নিয়ে ঘুরবেন। পুরোপুরি সাজানো ঘটনা।তৃণমূলের নির্দেশে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়েছে পুলিশ।

তৃণমূলের পূর্ব বর্ধমান জেলার সাধারন সম্পাদক উত্তম সেনগুপ্ত বলেন, তাঁর  সঙ্গীর কাছে যে অস্ত্র ছিল একথা ওই বিজেপি নেতা নিজেই স্বীকার করেছেন। তৃণমূলের চক্রান্তের কথা বলে বিজেপি এখন লজ্জা লুকোতে চাইছে। কি কারনে তারা ওই অস্ত্র নিয়ে যাচ্ছিল তা খতিয়ে দেখুক পুলিশ।

জেলা পুলিশ জানিয়েছে, রাস্তায় ডাকাতির পরিকল্পনা ছিল ধৃতদের। তেমনই প্রস্তুতি নিয়েছিল তারা। সেই ডাকাতির আগেই তারা ধরা পড়ে যায়। ডাকাতির পরিকল্পনার কথা তারা স্বীকারও করেছে। এর আগে কোন কোন অপরাধ তারা করেছে তা জানার চেষ্টা চলছে।

Saradindu Ghosh

First published: February 6, 2020, 8:08 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर