• Home
  • »
  • News
  • »
  • crime
  • »
  • খাবারের দাম মাত্র ২৫০ টাকা! অনলাইন অর্ডারে ৫০ হাজার টাকা জালিয়াতির শিকার মহিলা

খাবারের দাম মাত্র ২৫০ টাকা! অনলাইন অর্ডারে ৫০ হাজার টাকা জালিয়াতির শিকার মহিলা

খাবারের দাম মাত্র ২৫০ টাকা! অনলাইন অর্ডারে ৫০ হাজার টাকা জালিয়াতির শিকার মহিলা

খাবারের দাম মাত্র ২৫০ টাকা! অনলাইন অর্ডারে ৫০ হাজার টাকা জালিয়াতির শিকার মহিলা

খাবার অর্ডার করতে গিয়ে জালিয়াতির শিকার হলেন ৫৮ বছরের এক মহিলা। প্রায় ৫০ হাজার টাকা তাঁর ব্যাংক থেকে চুরি গিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

  • Share this:

    #বেঙ্গালুরু: আপনি কি প্রায়ই বাইরে থেকে খাবার অর্ডার করে খান? দিনের ব্যস্ততা মিটিয়ে সময় হয়ে ওঠে না নিজের জন্য রান্না করার?অনলাইনে ফুড ডেলিভারির দিকেই আপনার ঝোঁক বেশি?

    সাবধান৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় একদল হ্যাকার হোম ডেলিভারির ভুয়ো প্রতিশ্রুতি দিয়ে লোক ঠকাচ্ছে। সম্প্রতি বেঙ্গালুরুর একটি ঘটনায় তাজ্জব হয়েছে সকলেই। এক পঞ্চাশোর্ধ মহিলা ফেসবুকে খাবার অর্ডার করে খোয়ালেন বিরাট অঙ্কের টাকা৷

    করোনা আবহে ব্যাঙ্ক জালিয়াতি, চুরি, সাইবার হ্যাকিং-এর মতন ঘটনা গুলি প্রায় সকলের নজরে আসছিল। লকডাউন চলাকালীন বিশ্বজুড়ে সাইবার জালিয়াতি প্রচুর পরিমাণে বৃদ্ধিও পেয়েছে। বিশেষ করে প্রবীণদের থেকে ছিনতাই করার জন্য নিত্য নতুন ফাঁদ পেতে চলেছে হ্যাকাররা।

    ৫৮ বছর বয়সি সবিতা শর্মা থাকেন বেঙ্গালুরুতে৷ তিনি কিছু দিন আগে ফেসবুকে একটি খাবারের জন্য হোম ডেলিভারির বিজ্ঞাপন দেখেছিলেন। যেখানে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, ২৫০ টাকার একটি লাঞ্চ থালি কিনলে, আর একটি থালি বিনামূল্যে পাওয়া যাবে। মানে 'বাই ওয়ান, গেট ওয়ান অফার৷'বিজ্ঞাপনটি দেখে মহিলা  একটি থালি অর্ডার করেন। সংস্থার পক্ষ থেকে একটি মোবাইল নম্বরও বিজ্ঞাপনে দেওয়া হয়েছিল।

    যখন তিনি ফোনে খাবার অর্ডার দিচ্ছিলেন, তখন ফোনের ওপাশ থেকে তাঁকে জানানো হয় যে, প্রথমে তাঁকে অনলাইন ১০ টাকা দিতে হবে, তাহলে অর্ডারটি নেওয়া হবে। তারপরে খাবার ডেলিভারির সময় বাকি টাকা তিনি নগদে দিতে পারবেন। মানে ক্যাশ অন ডেলিভারি৷

    এর পরেই মোবাইল ফোনে বিজ্ঞাপন সংস্থার তরফে একটি ফর্মের লিঙ্ক পাঠানো হয়। সেখানে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সমস্ত তথ্য দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। সবিতা জালিয়াতির কোনও আঁচ করতে না পেরে ডেবিট কার্ডের যাবতী. তথ্য থেকে শুরু করে পিন নম্বর সব ওই ফর্মে লিখে দেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই সবিতার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে ৪৯ হাজার ৯৯৬ টাকা কেটে নেওয়া হয়। এই ঘটনার পর বিজ্ঞাপন সংস্থার প্রদত্ত নম্বরে বার বার ফোন করলেও স্যুইচ অফ আসে।

    এই ঘটনার সম্পর্কে সবিতা সাইবার ক্রাইমে (অর্থনৈতিক অপরাধ বিভাগ) অভিযোগ দায়ের করেন। বিষয়টির তদন্ত করছে পুলিশ। উল্লেখ্য, জাতীয় ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী ২০১৯ সালের চেয়ে চলতি বছর সাইবার অপরাধের মামলা ৬৩৫ শতাংশ বেড়েছে। এনসিআরবি-র তথ্যে বলা হয়েছে যে, ২০১৮ সালে সাইবার অপরাধের মামলা ছিল ২৮ হাজার ২৪৮। ২০১৯-এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৪৪ হাজার ৫৪৬। কর্ণাটকে সবচেয়ে বেশি সাইবার জালিয়াতির ঘটনা দেখা যায় অন্যান্য রাজ্যের তুলনায়।

    Published by:Somosree Das
    First published: