• Home
  • »
  • News
  • »
  • crime
  • »
  • ANINDITA PAL DEY GOT LIFE SENTENCE FOR KILLING HUSBAND WISHED TO BUY A NEW SMARTPHONE AKD

জন্মদিনেই স্বামী খুনে দোষী সাব্যস্ত, ইচ্ছেটা অধরাই থেকে গেল অনিন্দিতার

অনিন্দিতার আইনজীবী সোহিনী অধিকারী।

অনিন্দিতার নয় হাজার টাকার স্মার্টফোন পুলিশ বাজেয়াপ্ত করার পর থেকেই একটা নতুন স্মার্টফোন কেনার ইচ্ছে ছিল। আর সেই সুপ্ত ইচ্ছে বাবার কাছে প্রকাশ করেছিলন অনিন্দিতা।

  • Share this:

#কলকাতা: জন্মদিনের উপহার অধরা থেকে গেল অনিন্দিতার।‌ ১৫ সেপ্টেম্বর জন্মদিন ছিল  অনিন্দিতার। আর সেই সোমবারই ছিল রজত দে হত্যা কাণ্ডের রায় দান। সেদিন সকালে বাড়ি থেকে খুব আশা নিয়েই বারাসাতের দিকে রওনা হয়েছিলেন জামিনে মুক্ত অনিন্দিতা পাল দে। নির্দোষ সাব্যস্ত হবেন আশা নিয়েই বাড়ির থেকে বাবা অলোক পালের হাত ধরে বেরিয়েছিলেন অনিন্দিতা জন্মদিনের আগের দিনই।পথে যেতে যেতেই মেয়ের সঙ্গে আলাপচারিতার পরে বাবা স্থির করেছিলেন একটা স্মার্ট ফোন মেয়ের হাতে তুলে দেবেন।

অনিন্দিতার নয় হাজার টাকার  স্মার্টফোন পুলিশ বাজেয়াপ্ত করার পর থেকেই একটা নতুন স্মার্টফোন কেনার ইচ্ছে ছিল। আর সেই সুপ্ত ইচ্ছে বাবার কাছে  প্রকাশ করেছিলন অনিন্দিতা। কিন্তু সোমবার  বিচারক অনিন্দিতাকে দোষী সাব্যস্ত করায় বাড়ি ফেরা হয়নি।

সাড়ে তিন বছরের ছেলে গুড্ডু, বাবা বা মায়ের সঙ্গে দেখা করার আর উপায় নেই অনিন্দিতার। মোবাইল সেটটাও কেনা হয়নি আর। জন্মদিনের উপহার অধরা থেকে গেল অনিন্দিতার।

সোমবারই দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন আইনজীবী রজত দে হত্যাকাণ্ডে তার স্ত্রী অনিন্দিতা পাল দে।আর জন্মদিনের পরের দিনেই যাবজ্জীবনের সাজা শুনলেন তিনি। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী রজত দে হত্যাকাণ্ডে তার আইনজীবী স্ত্রী অনিন্দিতা দে-কে যাবজ্জীবনের সাজা শোনালেন বারাসত আদালতের ফাস্ট ট্র্যাক তৃতীয় কোর্টের বিচারক সুজয় কুমার ঝা। স্বামী হত্যায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন শুনে অনিন্দিতার চোখের জলে ভেসে গেল তার জন্মদিনের উপহার।

এদিন বিচারকের রায়ে দু'চোখে গভীর আশঙ্কার ছায়া নেমে আসে বাবা আর মেয়ের। তাঁদের অব্যক্ত কাহিনি বর্ণনা করেন অনিন্দিতার আইনজীবী সোহিনী অধিকারী বললেন, "অনিন্দিতাকে মক্কেল নয়,বোন হিসেবেই দেখেন তিনি।"

তবে সোহিনী অধিকারী আশাবাদী উচ্চ আদালতে বিফল মনোরথ হয়ে ফিরতে হবে না অনিন্দিতাকে।

Published by:Arka Deb
First published: