নেই শারীরিক সম্পর্ক! নির্যাতনের পাশাপাশি শিশুকন্যাকে মাদক দেন স্বামী, অভিযোগ আহমেদাবাদের গৃহবধূর

নেই শারীরিক সম্পর্ক! নির্যাতনের পাশাপাশি শিশুকন্যাকে মাদক দেন স্বামী, অভিযোগ আহমেদাবাদের গৃহবধূর

নেই শারীরিক সম্পর্ক! নির্যাতনের পাশাপাশি শিশুকন্যাকে মাদক দেন স্বামী, অভিযোগ আহমেদাবাদের গৃহবধূর!

NRI স্বামীর বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগে সরব হলেন আমহমেদাবাদের গোটা (Gota) এলাকার এক মহিলা

  • Share this:

#আহমেদাবাদ: বিয়ে হয়েছে দীর্ঘ দিন। কিন্তু এক বছরের বেশি সময় ধরে কোনও রকম শারীরিক সম্পর্ক করতে চাননি স্বামী। উল্টে যখন-তখন মারধর করেছেন। অত্যাচারের মাত্রা এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, দু'বছরের শিশুকন্যাও রেহাই পায়নি। তাকে জোর করে বিয়ার পান করানোর চেষ্টা করেছেন অভিযুক্ত। NRI স্বামীর বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগে সরব হলেন আমহমেদাবাদের গোটা (Gota) এলাকার এক মহিলা।

বর্তমানে দুবাইতে থাকেন ওই মহিলার স্বামী। অভিযোগপত্রে মহিলা জানিয়েছেন, ২০১৬ সালে বিয়ে হয়েছিল তাঁর। পরের বছর অর্থাৎ ২০১৭ সালে স্বামীর সঙ্গে দুবাই পাড়ি দেন। সেখানে গিয়েই নানা ধরনের অত্যাচার শুরু হয়। ওই ব্যক্তি প্রায় প্রতি দিন মদ্যপান করতেন। পাশাপাশি তাঁর স্ত্রীকেও মদ খেতে বাধ্য করতেন। এমনকি তাঁদের দু'বছরের শিশুকন্যাকেও জোর করে মদ পান করানোর চেষ্টা করেছেন তিনি। এখানেই শেষ নয়। মহিলার অভিযোগ, স্বামীর পেটে মদ পড়া মাত্রই তিনি হিংস্র হয়ে উঠতেন। মদ খেয়ে রোজ নানা কারণে ঝগড়া করতেন।

মহিলা জানান, তিনি একটু লাজুক স্বভাবের। এই কারণে রোজ তাঁকে নানা ধরনের ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের শিকার হতে হয়। এমনকি শারীরিক সম্পর্ক করতেও অস্বীকার করেন তাঁর স্বামী। মাঝে মাঝে মেয়ে অসুস্থ হলেও কোনও রকম ওষুধপত্র আনতেন না। পরের দিকে দুবাই থেকে দেশে ফিরে আসেন তারা। এবার স্ত্রীকে মেটার্নাল হোমে ফেলে রেখে পালিয়ে যান ওই ব্যক্তি। ঘটনায় স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন নির্যাতিতা। আপাতত, তাঁর স্বামীর সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। মহিলার শ্বশুরবাড়ির লোকজন ও স্থানীয়দেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দ্রুত ওই ঘটনার সমাধান হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

প্রসঙ্গত, কয়েক মাস আগেই একটি নির্মম ঘটনার সাক্ষী হয়েছিল আহমেদাবাদ। এক আইনের ছাত্রীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে যুবকের বিরুদ্ধে। ২২ জানুয়ারি একটি ঠিকানা জিজ্ঞাসা করা নিয়ে ওই যুবক চড়াও হয় যুবতীর উপরে। আসলে ঠিকানা জিজ্ঞাসা করার পর, যুবতী বিশেষ কোনও সাহায্য করতে না পারায় নানা ধরনের গালিগালাজ করতে শুরু করে অভিযুক্ত। সেখান থেকেই বচসা শুরু হয়। ঘটনায় স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন যুবতী। পরে CCTV ফুটেজ খতিয়ে দেখে গ্রেফতার করা হয় ওই যুবককে। পুলিশি জেরার মুখে পড়ে নিজের দোষও স্বীকার করে নেয় ওই যুবক।

Published by:Ananya Chakraborty
First published: