ক্রাইম

corona virus btn
corona virus btn
Loading

মানবতার লজ্জা! মায়ের প্রেমিককের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে বাবাকে খুন! অর্থের লোভে হাত কাঁপেনি

মানবতার লজ্জা! মায়ের প্রেমিককের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে বাবাকে খুন! অর্থের লোভে হাত কাঁপেনি
প্রতীকী চিত্র

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তের পরে জানাচ্ছে, তিনজন মিলে খুনের ব্লু প্রিন্ট তৈরি করেছিল। অতঃপর দেবানন্দকে নিয়ে গৌতম মদের আড্ডায় বসে।

  • Share this:

#কলকাতা: অনুপম সিংহ হত্যাকান্ড তথা মনুয়া কাণ্ডকে ছাপিয়ে গেল দত্তপুকুরের বেরো নারায়ণপুরে দেবানন্দ মণ্ডল হত্যাকাণ্ড। মঙ্গলবার সকালে দত্ত পুকুর থানার মোচপোল এলাকা থেকে উদ্ধার হয় দেবানন্দ মন্ডলের গলাকাটা দেহ। দেহ খুঁজে পাওয়ার চব্বিশ ঘন্টার আগে বারাসাত জেলা পুলিশ গ্রেফতার করল এই হত্যাকাণ্ডে মুল  অভিযুক্ত গৌতম দে ও হত্যায় ষড়যন্ত্রকারী নিহতের স্ত্রী বৃহস্পতি মন্ডল ও পুত্র সৌমেন মন্ডলকে।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তের পরে জানাচ্ছে,  তিনজন মিলে খুনের ব্লু প্রিন্ট তৈরি করেছিল। অতঃপর দেবানন্দকে নিয়ে গৌতম  মদের আড্ডায় বসে। সেখানেই মদের বোতল ভেঙে  খুন করা হয় দেবানন্দকে।

দেবানন্দের পুত্র সৌমেন দ্বিতীয় বর্ষের কলেজ ছাত্র। বাবার অর্থের মালিক হওয়ার প্রলোভনে বাবাকে খুনের পরিকল্পনায় অংশ নিতে পিছপা হয় নি সৌমেন। এক সময় বারাসত বারাকপুর রোডে অ্যাডামাস বিশ্ববিদ্যালয়ের  নিরাপত্তা কর্মী ছিল দেবানন্দ এবং গৌতম।ত খন থেকেই বারাসাত বেরো নারায়পুরে  দেবানন্দের বাড়িতে যাতায়াত গাইঘাটার গৌতমের।

প্রাক্তন এই সেনা কর্মী তখন থেকে দেবানন্দর পত্নী বছর আটতিরিশের বৃহস্পতির সাথে পরকীয়া শুরু বছর চুয়াল্লিশের গৌতমের। গৌতম ও দেবানন্দ দুজনেই অ্যাডামাস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে  কর্মচ্যুত হয়। তবে যোগযোগ গভীর ভাবেই ছিল বৃহস্পতি-গৌতমের।

দেবানন্দ দিনমজুরের কাজ শুরু করে।দেবানন্দ বেরোলেই কার্গো কর্মী গৌতম পৌঁছে যেত বৃহস্পতির কাছে।গাইঘাটার গৌতমের কাছে কর্মসূত্রে বারাসত দত্তপুকুর এলাকাও ছিল নখদর্পনে। প্রেমকে পরিণতি দিতে পথের কাঁটা দেবানন্দ কে খুন করার পরিকল্পনা করে বৃহস্পতি ও গৌতম।

অর্থের প্রলোভন পেয়ে সঙ্গী হয় দেবানন্দ ও বৃহস্পতির পুত্র সৌমেনও। সব মিলিয়ে এরকম ভাবে বাবা কে খুনে মা ও মায়ের প্রেমিককে ছেলের সহায়তা করা অভূতপূর্ব।

সৌমেন কী ভাবে  গৌতম বৃহস্পতি কে সাহায্য করেছে তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। তবে  প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে  খুনে অংশগ্রহণ করার কথা স্বীকার করে নিয়েছে গৌতম ও অন্য দু'জন এমনটাই সাংবাদিক সম্মেলন করে জানান বারাসাত জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দোপাধ্যায় ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিশ্বচাঁদ ঠাকুর।

আজ তাদের বারাসত আদালতে হাজির করায় পুলিশ। তাদের সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে বারাসত আদালত। তবে দেবানন্দ হত্যা মামলাকারী ছিল তার ছেলে সৌমেন মন্ডল।আর পুলিশ সৌমেনকে পিতা হত্যার দায়ে গ্রেপ্তার করা হয়।

Published by: Arka Deb
First published: September 16, 2020, 9:24 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर