• Home
  • »
  • News
  • »
  • crime
  • »
  • 9 YEARS OLD GIRL IN LUDHIANA WAS STRANGLED TO DEATH BY HER MOTHER AND STEP FATHER RC

Crime: বিমার টাকার লোভে ৯ বছরের মেয়েকে খুন করল মা ও সৎ বাবা!

প্রতীকী ছবি

মেয়ের নামে করা বিমার টাকা হাতানোর পরিকল্পনা। ৯ বছর বয়সি মেয়েকে গলা টিপে খুন (Mothers Kills Daughter) করল মা ও সৎ বাবা।

  • Share this:

    #লুধিয়ানা: মেয়ের নামে করা বিমার টাকা হাতানোর পরিকল্পনা। ৯ বছর বয়সি মেয়েকে গলা টিপে খুন করল (Mothers Kills Daughter) মা ও সৎ বাবা। ঘটনাটি ঘটেছে পঞ্জাবের লুধিয়ানায়। দু'জনকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, মেয়েটির মা ২৭ বছরের পিঙ্কি ও তার নতুন স্বামী ৩১ বছরের নরেন্দ্র পাল গত ১৯ জুন হামব্রানের একটি পশুর খাবারের কারখানায় নিয়ে গিয়ে মেয়ে ভারতীকে গলা টিপে খুন করে। ২০১৮ সালে মেয়ের নামে আড়াই লাখ টাকা বিমা করা হয়েছিল। সেই টাকার লোভেই এই খুন বলে জানতে পেরেছে পুলিশ।

    হরপাল সিংহ নামের এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, 'মেয়েটির নাম ভারতী। তার মায়ের নাম পিঙ্কি (২৭) ও সৎ বাবার নাম নরেন্দ্র পাল (৩১)। ১৯ জুন হুমব্রান এলাকায় একটি কারখানার মধ্যে খুন করা হয় ভারতীকে। পিঙ্কি ও নরেন্দ্র ২০১৯ সালে ৩ লক্ষ টাকা দিয়ে একটি জমি কিনেছিল। তার কিস্তির টাকা শোধ করছিল তারা। ইতিমধ্যেই ১ লক্ষ ৪৯ হাজার টাকা দিয়ে দিয়েছিল তারা। কিন্তু বাকি টাকা দিতে সমস্যা হচ্ছিল। ২০১৮ সালে ভারতীর নামে আড়াই লক্ষ টাকার একটি বিমা করেছিল তারা। সেই বিমার টাকা পেতে ভারতীকে খুন করার পরিকল্পনা করে তারা।'

    যে কারখানার ভিতর ভারতীকে খুন করা হয়েছে, সেখানেই নিজের ছেলে, স্ত্রী ও সৎ মেয়েকে নিয়ে থাকত নরেন্দ্র পাল। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তের পর দাবি, ঘুমের মধ্যেই মেয়েকে টেনে নিয়ে গিয়ে এমন ঘটনা ঘটানো হয়। সেখানেই মা পিঙ্কি নিজের ওড়না দিয়ে মেয়ের গলায় ফাঁস লাগিয়ে দেয় এবং শ্বাসরোধ করে খুন করে মেয়েকে। ৯ বছরের মেয়েকে সকালে নিজেরাই হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তারা দাবি করে, মেয়ে জ্ঞান হারিয়েছে। কিন্তু চিকিৎসকেরা মেয়েকে দেখেই মৃত বলে ঘোষণা করে।

    প্রতিবেশীরা পুলিশকে জানিয়েছে, নরেন্দ্র পাল ভারতীকে পছন্দ করত না। পিঙ্কির প্রথম স্বামীর সন্তান বলে তাকে মাঝে মধ্যে মারধরও করত। প্রথমে তারা ডাক্তারের কাছে স্বাভাবিক ভাবেই মৃত্যুর দাবি করে মেয়ের। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে পরিষ্কার উঠে আসে, গলা টিপে খুনের তত্ত্ব। পরে পুলিশি জেরায় দু'জনেই স্বীকার করে নেয়, আর্থিক সমস্যার সমাধানেই মেয়েকে খুন করেছে তারা। দু'জনেই আপাতত পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।

    Published by:Raima Chakraborty
    First published: