ফের যোগীরাজ্যে প্রশ্নের মুখে নারী নিরাপত্তা, নাবালিকাকে অপহরণ করে গণধর্ষণ!

ফের যোগীরাজ্যে প্রশ্নের মুখে নারী নিরাপত্তা, নাবালিকাকে অপহরণ করে গণধর্ষণ!

প্রতীকী ছবি

পুলিশ সূত্রে খবর, কোনও মতে বন্দিদশা থেকে পালাতে সক্ষম হয়েছিল মেয়েটি। নিজেই পুলিশের কাছে গিয়ে গোটা ঘটনার কথা জানায় সে। পুলিশ দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছে।

  • Share this:

    #মেরঠ: নারী সুরক্ষায় ফের একবার প্রশ্নের মুখে উত্তরপ্রদেশের সরকার। ফের একবার এক ১৫ বছরের নাবালিকাকে দীর্ঘদিন ধরে বন্দি করে রেখে গণধর্ষণের অভিযোগ। প্রায় এক মাস ধরে চলছে এই ঘটনা। মেরঠের কাঙ্কের খেরা এলাকায় সারধানা পুলিশ স্টেশনের কাছে অভিযোগ জমা পড়েছে এই ঘটনার। অভিযোগ, অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই নাবালিকাকে বিক্রি করে দেওয়ারও চেষ্টা করেছিল।

    পুলিশ সূত্রে খবর, কোনও মতে বন্দিদশা থেকে পালাতে সক্ষম হয়েছিল মেয়েটি। নিজেই পুলিশের কাছে গিয়ে গোটা ঘটনার কথা জানায় সে। পুলিশ দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছে। জানা গিয়েছে, ২০২১-এর ২৮ জানুয়ারি থেকে মেয়েটিকে আটকে রাখা হয়েছিল। এবং লাগাতার গণধর্ষণ করা হয়েছে মেয়েটিকে।

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মেয়েটির মা তিন বার বিয়ে করেছেন। মায়ের সঙ্গেই কোথাও একটি যাওয়ার পর সেখানে এই দুই ব্যক্তি মেয়েটিকে নেশার দ্রব্য দিয়েছিল। তার পরই সেখান থেকে তাকে নিয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। প্রায় দেড় মাস ধরে তাদের অধীনে থেকে বারংবার গণধর্ষণের শিকার হয় সে। মার্চের ১৩ তারিখ কোনওক্রমে মেয়েটি সেখান থেকে পালাতে সক্ষম হয়। বাড়ির কাছে পৌঁছে সারধানা পুলিশ স্টেশনে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।

    ১৪ মার্চ মেয়েটির মা-সহ আরও দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে পুলিশ। পুলিশের দাবি, দুই অভিযুক্তের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করেই মেয়েকে বিক্রি করে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সারধানা পুলিশের দাবি, মেয়েটির মা রাধনা গ্রামের একজনের সঙ্গে বিয়ে করেছিলেন। পরে এক ভারতীয় জওয়ানের সঙ্গে বিয়ে করেছিলেন তিনি। তাঁর ৫ সন্তানও রয়েছে।

    দ্বিতীয় স্বামীর মৃত্যুর পর আরেকজনের সঙ্গে তৃতীয় বার বিয়ে করেন ওই মহিলা। কাঙ্কের খেরাতেই আপাতত তার বাড়ি। সেখান থেকেই পরিকল্পনা করে দুই ব্যক্তির সঙ্গে ছক কষে মেয়েকে বিক্রি করে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তিনজনকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    Published by:Raima Chakraborty
    First published:

    লেটেস্ট খবর