হাতরস কাণ্ডের ছায়া! ১২-র কিশোরীকে গ্ণধর্ষণের পর নৃশংস খুন, রাতের অন্ধকারে দেহ পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ পুলিশের

হাতরস কাণ্ডের ছায়া! ১২-র কিশোরীকে গ্ণধর্ষণের পর নৃশংস খুন, রাতের অন্ধকারে দেহ পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ পুলিশের
১২-র কিশোরীকে গ্ণধর্ষণের পর নৃশংস খুন, রাতের অন্ধকারে দেহ পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ বিহার পুলিশের। প্রতীকী ছবি।

হাতরস কাণ্ডের ছায়া এবার বিহারের পূর্ব চম্পারণে। ১২ বছরের কিশোরীকে পৈশাচিক গণধর্ষণের পর তাঁকে খুন এবং পরিবারের অনুপস্থিতিতে দেহ সৎকার করার অভিযোগ উঠেছে চার ধর্ষকের বিরুদ্ধে।

  • Share this:

    #চম্পারণ: হাতরস কাণ্ডের ছায়া এবার বিহারের পূর্ব চম্পারণে। ১২ বছরের কিশোরীকে পৈশাচিক গণধর্ষণের পর তাঁকে খুন এবং পরিবারের অনুপস্থিতিতে দেহ সৎকার করার অভিযোগ উঠেছে চার ধর্ষকের বিরুদ্ধে। এখানেই শেষ নয়, ওই নাবালিকার মৃত্যুর পরে একটি অডিও এবং একটি ভিডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়েছে।  অভিড ক্লিপে স্থানীয় থানার হাউজ স্টেশন অফিসারকে কিশোরীর দেহ রাতের অন্ধকারে পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ দিতে শোনা গিয়েছে প্রমাণ লোপাটের জন্য। ভিডিও ক্লিপে কিশোরীর দেহ সৎকার করতে দেখা গিয়েছে চার ধর্ষকে। মর্মান্তিক এই ঘটনায় ফুঁসছে স্থানীয় বাসিন্দারা।

    ঘটনার সূত্রপাত ২১ জানুয়ারি। সেদিন রাতে সে একা ঘরে ঘুমোচ্ছিল। চার ধর্ষক ঘরে ঢুকে সেইসময় তাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। টাইমস নিউজ নেটওয়ার্কের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই কিশোরী আদপে নেপালের বারবারদিয়ার বাসিন্দা। বিহারের পূর্ব চম্পারণের বাজারে তার বাবা পাহারাদারের কাজ করেন। সেই সূত্রেই বাবার কাছে থাকত ওই নাবালিকা। তার মা নেপালেই থাকেন।  এ দিনের ঘটনার পরে ধর্ষকরা কিশোরীর বাবাকেও হুমকি দেয় ঘটনার কথা পুলিশকে না জানানোর জন্য। ফলে তিনিও ভয়ে পুলিশের কাছে যাননি। সেই সুবাদে এত বড় ঘটনা ঘটার পড়েও বহালতবিয়তে এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছিল ধর্ষকরা।

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার কথা প্রথম জানাজানি হয়, যখন কুন্দয়া থানার হাউজ স্টেশন অফিসার সঞ্জীব রঞ্জনের ভয়েজ ক্লিপ প্রকাশ্যে আসে। সেখানে তাঁকে ধর্ষণ এবং খুনের প্রমাণ লোপাটের জন্য কিশোরীর দেহ পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ দিতে  সোনা গিয়েছে স্পষ্টভাবে। স্থানীয় নেতা রমেশ শাহকে সঞ্জীব রঞ্জন বলছিলেন, "কিশোরীর পরিবার পুলিশের কাছে যাওয়ার আগে দেহ সৎকার করে ফেলুন।" এরপরেই কিশোরীর বাবা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। ৩ ফেব্রুয়ারি তিনি সাব ডিভিশনাল পুলিশ অফিসারের সঙ্গে দেখা করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।


    পূর্ব চম্পারণের পুলিশ সুপার নবীন চন্দ্র জানিয়েছেন, কিশোরীর বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে পুলিশ ইতিমধ্যেই চার ধর্ষকে গ্রেফতার করেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, খুন-সহ পকসো ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। পাশাপাশি, আরও সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকাএবং প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে। অভিযুক্ত জাউজ স্টেশন অফিসার সঞ্জীব রঞ্জনকে সাসপেন্ড কড়া হয়েছে অভিযোগ দায়েরে দেবী এবং দেহ মেডিক্যাল পরীক্ষার আগে দাহ করার নির্দেশ দেওয়ার জন্য।

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: