• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • ব্রিটেন ফেরত মহিলার শরীরে করোনা স্ট্রেন, আইসোলেশন সেন্টার থেকে পালিয়ে ট্রেনে করে পৌঁছলেন বাড়ি!

ব্রিটেন ফেরত মহিলার শরীরে করোনা স্ট্রেন, আইসোলেশন সেন্টার থেকে পালিয়ে ট্রেনে করে পৌঁছলেন বাড়ি!

বিজ্ঞানীদের অনুমান যে, নতুন রূপে ব্রিটেনে পাওয়া করোনার ভাইরাসটি আগের তুলনায় ৭০% দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

বিজ্ঞানীদের অনুমান যে, নতুন রূপে ব্রিটেনে পাওয়া করোনার ভাইরাসটি আগের তুলনায় ৭০% দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

বিজ্ঞানীদের অনুমান যে, নতুন রূপে ব্রিটেনে পাওয়া করোনার ভাইরাসটি আগের তুলনায় ৭০% দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: করোনাভাইরাসের নতুন স্ট্রেন ভারতেও ঢুকে পড়ল। ব্রিটেন থেকে ফেরত অন্ধ্রপ্রদেশের এক মহিলার শরীরে করোনার নতুন স্ট্রেন পাওয়া গিয়েছে। জানা গিয়েছে, ২১ ডিসেম্বর দিল্লি বিমানবন্দরে অবতরণের পরে ৪৭ বছর বয়সী মহিলাকে আইসোলেশন কেন্দ্রে পাঠানো হলেও, তিনি সেখান থেকে পালিয়ে গিয়েছেন! তারপরে বিশেষ ট্রেনে করে তিনি তাঁর বাড়িতে রাজমন্দ্রি পৌঁছন। জানা গিয়েছে যে, মহিলার সঙ্গে তাঁর ছেলে ছিল, যার করোনার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। দু'জনকেই বর্তমানে রাজ্য সরকারের কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে রাখা হয়েছে।

    বিজ্ঞানীদের অনুমান যে, নতুন রূপে ব্রিটেনে পাওয়া করোনার ভাইরাসটি আগের তুলনায় ৭০% দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। বলা হচ্ছে যে দিল্লিতে অবতরণের পরে ওই মহিলার করোনার পরীক্ষা হয়েছিল, যা পজিটিভ হয়। প্রাথমিকভাবে, রিপোর্টটি আসার পরে তার খোঁজ পাওয়া যায়নি৷ কারণ তার ফোনটি আনরিচেবল ছিল৷ অনেক চেষ্টা করার পরেও মহিলার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

    দেশে এখনও পর্যন্ত সাত জনের মধ্যে করোনার ভাইরাসের নতুন স্ট্রেন পাওয়া গিয়েছে। তারা সকলেই সম্প্রতি ব্রিটেন থেকে ফিরে এসেছিলেন। এর মধ্যে, উত্তরপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, অন্ধ্র প্রদেশ এবং তেলঙ্গানার প্রতিটি অঞ্চলে করোনার নতুন স্ট্রেনের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছিল। বাকি তিনজন আক্রান্ত কর্ণাটকের। বলা হচ্ছে যে, উত্তর প্রদেশের মিরঠে এক বাচ্চার মধ্যে নতুন স্ট্রেনের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। তার পরিবার সম্প্রতি ব্রিটেন থেকে ফিরে আসে। এদের সকলকে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের কোভিড সেন্টারে একক কামরায় বিচ্ছিন্নভাবে রাখা হয়েছে। তাদের সংস্পর্শে আসা মানুষজনকেও পৃথক করা হয়েছে।

    সরকার এক বিবৃতিতে বলেছে যে এখনও অবধি ব্রিটেন থেকে ফিরে আসা ১৪২৩ জন ব্যক্তির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। ১৭ জনকে অনুসন্ধান করা হচ্ছে। যুক্তরাজ্য থেকে ফিরে আসা ১৪০৬ জনকে পরীক্ষা করা হয়েছিল, এদের মধ্যে ১২ জন পজিটিভ৷ এদের সংস্পর্শে আসা ৬৩৬৪ জনের মধ্যে ১২ জন আক্রান্ত হয়েছেন। জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য সমস্ত নমুনা হায়দরাবাদে পাঠানো হয়েছে।

    নতুন স্ট্রেনের ঘটনা সামনে আসার পর কেন্দ্রীয় সরকার বাড়তি সতর্কতা নিতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে যে ৯ থেকে ২২ ডিসেম্বরের মধ্যে ভারতে আসা আন্তর্জাতিক যাত্রীদের জিনোম সিকোয়েন্সিং অসম্পূর্ণ বা সংক্রামিত বলে মনে করা বাধ্যতামূলক হবে। একই সময়ে, ব্রিটেন থেকে ফ্লাইটগুলি ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বন্ধ থাকতে পারে।

    এখনও পর্যন্ত ব্রিটেনে করোনার ভাইরাসের আরও দুটি বিপজ্জনক রূপ পাওয়া গিয়েছে। প্রথম বৈকল্পিকের সন্ধান পাওয়ার পরে, ২১ ডিসেম্বর ভারত সরকার ব্রিটেন থেকে আসা বিমান নিষিদ্ধ করেছিল।

    ব্রিটেন ছাড়াও ভারত, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স, ডেনমার্ক, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জাপান, লেবানন, সিঙ্গাপুর এবং নাইজেরিয়ায় এই নতুন স্ট্রেনের ঘটনা জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকাতে করোনার ভাইরাসের একটি নতুন স্ট্রেনও পাওয়া গিয়েছে। এটি ব্রিটেনের নতুন স্ট্রেন থেকে আলাদা।

    Published by:Pooja Basu
    First published: