করোনা ভাইরাস

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

নাক থেকে করোনার নমুনা সংগ্রহে আঘত পেল মহিলার ব্রেন লাইনিন, বেরিয়ে এল মাথার ফ্লুইড!

নাক থেকে করোনার নমুনা সংগ্রহে আঘত পেল মহিলার ব্রেন লাইনিন, বেরিয়ে এল মাথার ফ্লুইড!
Representative Image

যাদের বেশি মাত্রায় সাইনাসের সমস্যা রয়েছে বা মাথার অস্ত্রোপচার হয়েছে, তাদের শুধুমাত্র মুখ থেকে রস পরীক্ষার জন্য বলা হচ্ছে৷ তবে দেখতে হবে, যে শুধুমাত্র সেই ভাবেই করোনা পরীক্ষা সম্ভব কিনা৷

  • Share this:

#ওয়াশিংটন: করতে গিয়েছিলেন করোনার পরীক্ষা৷ কিন্তু সেই পরীক্ষাই হল কাল৷ করোনা সংক্রমণ হয়েছে কিনা, তা জানার আগেই মহিলার ব্রেনের মারাত্মক আঘাত লাগল৷ ক্ষতি হল ব্রেন লাইনিনের৷ নাকের থেকে ঝড়ঝড় করে পড়তে শুরু করল মাথা থেকে তরল পদার্থ৷ যাতে রীতিমত জীবনমরণ সমস্যা শুরু হয় মহিলার৷ বৃহস্পতিবার এই খবরটি প্রকাশিত হয় একটি মেডিক্যাল জার্নালে৷

৪০ বছর বয়সী মহিলার নমুনা ঠিকভাবে সংগ্রহ করা হয়নি বা নমুনা নিতে গিয়ে বেশি খোঁচানোর ফলে এই অবস্থা হয়েছে, এমনই আশঙ্কা৷

জামা অটোল্যারিঙ্গোলজির মাথা ও ঘারের অস্ত্রোপচারের সঙ্গে যুক্ত জারেট ওয়ালশ জানান যে, নমুনা পরীক্ষা করার সময় খুবই সতর্ক থাকা উচিৎ পরীক্ষাকারীর৷ না হলেই এই ধরণের গভীর সমস্যা হতে পারে৷ অন্যদিকে যাদের বেশি মাত্রায় সাইনাসের সমস্যা রয়েছে বা মাথার অস্ত্রোপচার হয়েছে, তাদের শুধুমাত্র মুখ থেকে রস পরীক্ষার জন্য বলা হচ্ছে৷ তবে দেখতে হবে, যে শুধুমাত্র সেই ভাবেই করোনা পরীক্ষা সম্ভব কিনা৷

যারা নমুনা সংগ্রহ করছেন, তাদের বিশেষভাবে ট্রেনিং-এর প্রয়োজন৷ এবং যাদের পরীক্ষা হচ্ছে, তাদেরও পর্যবেক্ষণে রাখা উচিৎ৷ বলছেন ইএনটি স্পেশ্যালিস্ট ডেনিস ক্রাউস৷

জানা গিয়েছে যে, হার্নিয়া অপরেশনের আগে করোনা পরীক্ষা করাতে গিয়েছিলেন ওই মহিলা৷ নাকের মাধ্যমে সেই নমুনা সংগ্রহ করার কথা বলেন তিনি এবং সেই মত কাজ হয়৷ এরপরই তিনি জানাতে থাকেন যে তার নাক দিয়ে এক ধরণের ফ্লুইড বেরচ্ছে৷ এর সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় বমি, মাথাব্যাথা৷ ঘার একেবারে কাঠের মতো শক্ত হয়ে যায় এবং আলোর সামনে শুরু হয় চোখের যন্ত্রণা৷

এরপরই বোঝা যায় যে, সোয়াব সংগ্রহের সময়ই কিছু গণ্ডগোল হয়েছে৷ কিছুভাবে নাকের একটু বেশি ভিতরে ঢুকে গিয়েছে নমুনা সংগ্রহের স্টিক৷ আগেই ইন্ট্রাক্রেনিয়ার হাইপারটেনশনের চিকিৎসা চলেছে তাঁর৷ অর্থাৎ কোনওভাবে তাঁর ব্রেন থেকে জল পড়া বন্ধ করা হয়েছিল৷ তবে তাতেও সমস্যা দেখা যায়৷ নতুন করে স্ক্যান করার পর সেগুলি বোঝা যায়৷ এরপর হয় অস্ত্রোপচার৷ এখন মহিলা সুস্থ রয়েছেন৷ তবে এর চিকিৎসা না হলে তিনি বাঁচতেন না৷ তাই নমুনা সংগ্রহের সময় বিশেষ ভাবে সতর্ক ও প্রশিক্ষিত হবার পক্ষেই মত দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা৷

Published by: Pooja Basu
First published: October 2, 2020, 2:41 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर