corona virus btn
corona virus btn
Loading

স্বাভাবিক হচ্ছে বাজার, দাম কমছে মুরগির মাংস, সবজির

স্বাভাবিক হচ্ছে বাজার, দাম কমছে মুরগির মাংস, সবজির

একদিকে যেমন ভিড়ের চাপ কমছে তেমনি ঊর্ধ্বমুখী বাজার কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে। সবজি বাজার থেকে মাংসের বাজার দাম কমেছে বেশ কিছুটা।

  • Share this:

BISWAJIT SAHA

#কলকাতা: করোনা আতঙ্ক কাটিয়ে স্বাভাবিক হচ্ছে বাজার। একদিকে ক্রেতার ভিড় এর চাপ যেমন কমছে। তেমনি ঊর্ধ্বমুখী বাজার কিছুটা নামছে। দাম কমেছে পটল, ঝিঙে, উচ্ছের। অনেকটাই দাম কমেছে মুরগির মাংসের।

লকডাউন ঘোষণার দিন থেকেই বাজারে ছিল থিকথিকে ভিড়। কলকাতা থেকে জেলার বাজার সর্বত্র একই চিত্র। বাধ্য হয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে নিজে বাজারে গিয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দিতে হয়। নিজে হাতে মার্কিং করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেখিয়ে দেন কিভাবে বাজারে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে। তারপর থেকে পুলিশও সেই পথ অনুসরণ করে প্রতিটি বাজারেই হয় মার্কিং। কিন্তু ভিড়ের ঠেলায় সেই মার্কিং এ দাঁড়ানো বা সামাজিক দূরত্বের নিয়ম লাটে উঠেছিল।

গতকাল থেকে বাজারে এসেই ভিড়ের চাপ কিছুটা হলেও কমতে শুরু করেছে। একদিকে যেমন ভিড়ের চাপ কমছে তেমনি ঊর্ধ্বমুখী বাজার কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে। সবজি বাজার থেকে মাংসের বাজার দাম কমেছে বেশ কিছুটা।

করণ আতঙ্কে মুরগির মাংসের দাম তলানিতে থেকে ছিল। চায়নাতে যখন করোনা তুমকো বিশ্ববাজারে ছেড়ে যাচ্ছে তখন বাংলার বাজারে মুরগির দাম ১০০ টাকা কেজি নিচে নেমে এসেছিল। ডিস্ট্রেস সেল দিতে হচ্ছিল মুরগী বিক্রেতাদের। ভারত এবং কলকাতায় লকডাউন ঘোষণার পর মুরগির মাংসের বাজার ঊর্ধ্বমুখী হয়। কাটা মুরগির মাংস ২০০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। কেজিপ্রতি সেই মুরগির কাটা মাংস মঙ্গলবার বিক্রি হয়েছে একশো কুড়ি টাকা থেকে দেড়শ টাকা।

মুরগির মাংস বিক্রেতা সঞ্জু মন্ডল জানান, গতকাল ও ১৫০-৬০ টাকায় কাটা মুরগির মাংস বিক্রি করেছি আজ কাটা মুরগির মাংস ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, আতঙ্কের চাহিদা কিছুটা কমে যাওয়ায় আর জোগান স্বাভাবিক হয় মুরগির মাংসের দাম স্বাভাবিক হচ্ছে।

সবজির বাজারে ও একই চিত্র। মঙ্গলবারও গড়িয়াহাট সবজি বাজারে পটল, ঝিঙে, ভেন্ডির দাম ৫০ টাকা কেজি প্রতি ছিল। এঁচোড় ৬০ টাকা, বেগুন ৪০ টাকা, উচ্ছে ৫০ টাকা, টমেটো ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কিলো দরে বিক্রি হয়েছে। গড়িয়াহাট বাজারে জ্যোতি আলু ২২ টাকা, চন্দ্রমুখি ২৮ টাকা কিলো এবং পেঁয়াজ ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কিলো দরে বিক্রি হয়েছে। তবে জোগাড় না থাকায় বেড়েছে পাতি লেবুর দাম।

সবজি বিক্রেতা সেন্টু সাঁতরা বলেন, লকডাউন হওয়ার পর থেকে সবজি মান্ডি থেকে বাজারে সবজি আনার সময় সমস্যা হচ্ছিল। পরিবহণের সমস্যা মিটে যেতেই বাজারে সবজির যোগান স্বাভাবিক হয়েছে এবং দামও অনেকটাই কমেছে। লকডাউন ঘোষণার দিন সোমবার সকালে গরিহাট বাজারে পটল বিক্রি হয়েছে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা কিলো দরে। যোগান এরকম স্বাভাবিক থাকলে দামও আর বাড়বে না বলেই মনে করছেন সবজি বিক্রেতা।

Published by: Simli Raha
First published: March 31, 2020, 1:58 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर