লকডাউনের আগে ওষুধের দোকানে লম্বা লাইন কেন?

লকডাউনের আগে ওষুধের দোকানে লম্বা লাইন কেন?

শহরের কয়েকশো মানুষ নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী থেকেও মাক্স আর স্যানিটাইজার কেনার উপর জোর দেন। ঘন্টা দুই - তিনেকের মধ্যেই প্রায় সব আউটলেট থেকে মাক্স ও স্যানিটাইজার শেষ হয়ে যায়।

  • Share this:

#মালদহ: লকডাউন এর আগে নিত্য প্রয়োজনীয় নানা সামগ্রী জোগাড় করার জন্য গোটা রাজ্যজুড়ে বাজারে বাজারে ভীড় উপচে পড়ার ছবি। আর মালদহে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য সামগ্রী সঙ্গেই সমান ভিড় ওষুধের দোকানে। লাইন দিয়ে মানুষ কিনলেন হ্যান্ড স্যানিটাইজার , মাক্স । সকাল থেকেই বাছাই করা কয়েকটি ওষুধের দোকানের সামনে লম্বা লাইন চোখে পড়ে।

এই লাইন নোট বন্দির সময় ব্যাংকের এটিএম এ লাইন কেউ যেন হার মানিয়েছে । অনেকে সচেতনতার কারণে, আবার অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে মাক্স, স্যানিটাইজার জোগাড় করতে ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে। একটি মাক্স আর স্যানিটাইজার পেতে মানুষের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের কাজে লাগিয়ে মালদহে মাক্স ও স্যানিটাইজার তৈরি করেছে মালদা জেলা প্রশাসন । এদিন একটি করে মাক্স আর ২০০ মিলিলিটার স্যানিটাইজার বোতলের কম্বো প্যাক বিক্রি হয়েছে মাত্র ৫৫ টাকায় । জেলা প্রশাসনের বেঁধে দেওয়া দাম অনুযায়ী মালদা শহরের হাতে গোনা কয়েকটি ওষুধের দোকান থেকে কোন লভ্যাংশ ছাড়াই এগুলি জনসাধারণের মধ্যে বিক্রি করা হয়। মাথাপিছু মাত্র একটি করে বরাদ্দ ছিল ।

শহরের কয়েকশো মানুষ নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী থেকেও মাক্স আর স্যানিটাইজার কেনার উপর জোর দেন। ঘন্টা দুই - তিনেকের মধ্যেই প্রায় সব আউটলেট থেকে মাক্স ও স্যানিটাইজার শেষ হয়ে যায়। তবে লাইনে দাঁড়িয়ে সংগ্রহ করতে হলেও কমদামে সরকারি ব্যবস্থাপনায় মাক্স ও  স্যানিটাইজার  পেয়ে অনেকেই স্বস্তি প্রকাশ করেন।প্রশাসন জানিয়েছে, আগামী দিনে আরও বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে এই দুটি জরুরী জিনিস পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হবে। বেঙ্গল কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের নির্দিষ্ট করে দেওয়া আউটলেট থেকে এই গুলি কিনতে পারবেন সাধারণ মানুষ।

First published: March 23, 2020, 5:59 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर