ফুরিয়ে আসছে স্বাস্থকর্মীদের নিরাপত্তার সরঞ্জাম, সংকট বাড়লে মরতে হবে পৃথিবীকে:‌ হু

এখনও পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে বাড়িতে পৃথিবী জুড়ে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

এখনও পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে বাড়িতে পৃথিবী জুড়ে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

  • Share this:

    #‌জেনেভা:‌ ফুরিয়ে আসছে স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তার সরঞ্জাম। কমছে চিকিৎসা সরঞ্জামের সরবরাহও। আর কয়েকদিন গেলে যতটুকু ছিল ততটুকুও শেষ হয়ে যাবে। আর তারপর থেকে মানুষকে বাঁচানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে! এমনই এক ভয়ঙ্কর তথ্য দিয়েছে হু।

    ‌করোনাভাইরাস আতঙ্কে পৃথিবীব্যাপী বেশকিছু চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং স্বাস্থ্য কর্মীদের ব্যবহার করার জন্য কিছু জিনিস এখন অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। মারণ ভাইরাসের দ্রুত বৃদ্ধির কারণে সারা পৃথিবীতেই সেই জিনিসটি জিনিসগুলি চাহিদাও বেড়ে গিয়েছে। কিন্তু চাহিদার তুলনায় জিনিসের সরবরাহ যথেষ্ট নেই। তাই দ্রুত ফুরোচ্ছে চিকিৎসা সরঞ্জাম, আর তাতেই সিঁদুরে মেঘ দেখছে হু। হু–এর পক্ষ থেকে শুক্রবার জেনেভায় একটি সাংবাদিক বৈঠকে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্যকর্মীরা সাবধানতা অবলম্বন করার জন্য যে ধরনের পোশাক ব্যবহার করেন, তার বিশ্বব্যাপী এক সংকট দেখা দিয়েছে। যদি সত্যি এই সংকট স্থায়ী হয়, তাহলে অনেক মানুষকেই হয়তো আর বাঁচানো যাবে না। তিনি জানিয়েছেন ‘‌হু’‌ প্রায় কুড়ি লক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীদের জিনিস বা পি পি ই পৃথিবীর ৭৪ টি দেশে সরবরাহ করেছে। এরপরে আরও সাতটি দেশে এই কিট পাঠানো হবে। কিন্তু এর সংস্থান সীমিত। তিনি জানিয়েছেন, একমাত্র আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও সমবেদনা দাঁড়াই এই সংকট কাটিয়ে ওঠা যেতে পারে।

    জি-টুয়েন্টি দেশগুলো যদি নিজেদের উৎপাদন ক্ষমতা ও আবিষ্কারের ক্ষমতা কে প্রয়োগ করে এই ধরনের জিনিস তৈরি করে এবং সারা পৃথিবীতে আরও বেশি মানুষের কাছে ছড়িয়ে দেয়, তাহলেই একমাত্র সাধারণের জীবন বাঁচানো সম্ভব বলে মনে করছেন তিনি। এখনও পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে বাড়িতে পৃথিবী জুড়ে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা গিয়েছেন ইউরোপে। চিনে শুরু হওয়া এই মারণ রোগের ফলে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৫ লক্ষ ৫০ হাজার মানুষ। তবে এর মধ্যে এক লক্ষ মানুষ ইতিমধ্যে সুস্থও হয়ে গিয়েছেন। হু এদিন জানিয়েছে, ‘‌আমরা সবে লড়াইয়ের শুরু করেছি। আমাদের শান্ত থাকতে হবে, ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তবেই আমরা শেষ পর্যন্ত এই লড়াইয়ে জিততে পারব।’‌

    Published by:Uddalak Bhattacharya
    First published: