corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনার গ্রাসে মহারাষ্ট্র, এক দিনে ৪১টি ট্রেন পাঠাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে, আপত্তি রাজ্যের

করোনার গ্রাসে মহারাষ্ট্র, এক দিনে ৪১টি ট্রেন পাঠাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে, আপত্তি রাজ্যের
প্রতীকী চিত্র

এ দিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ও বলেন, শ্রমিকদের পাঠানোর বিষয়টি দুই রাজ্যের সম্মতিক্রমেই হওয়া উচিত৷

  • Share this:

#মুম্বই: মহারাষ্ট্রে হু হু করে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ৷ সবথেকে খারাপ অবস্থা রাজ্যের রাজধানী মুম্বইয়ের৷ এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার একদিনেই মহারাষ্ট্র থেকে পশ্চিমবঙ্গের উদ্দেশ্যে একসঙ্গে ৪১টি রওনা হওয়ার কথা৷ এখনই সেই ট্রেনগুলি রাজ্যে না পাঠানোর দাবি জানাল পশ্চিমবঙ্গ সরকার৷ বিষয়টি দুই রাজ্যের মধ্যে কথা বলে মীমাংসা করতে বলেছে রেল৷

মহারাষ্ট্র করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ইতিমধ্যেই ৫২ হাজার ছাড়িয়েছে৷ দেশের মোট আক্রান্তের এক তৃতীয়াংশের বেশিই এই রাজ্যের৷ মৃতের সংখ্যা ১৬৯৫৷ তার মধ্যে মুম্বইতেই মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ছাড়িয়েছে৷

এই পরিস্থিতিতে মহারাষ্ট্র থেকে পরিযায়ী শ্রমিকদের অন্য রাজ্যে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে৷ বিশেষত মুম্বই বা তার সংলগ্ন এলাকাগুলি থেকে যে পরিযায়ী শ্রমিকরা ফিরছেন, তাঁদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা প্রবল৷ এ দিকে মঙ্গলবারই মুম্বই সহ মহারাষ্ট্র থেকে ৪১টি শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন রাজ্যের উদ্দেশ্যে ছাড়ার কথা৷ কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকার যেহেতু আমফানের জেরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যস্ত, তাই এখনই এই ট্রেনগুলিকে আনার বিষয়ে আপত্তি রয়েছে রাজ্য সরকারের৷ কারণ ট্রেনে করে আসা শ্রমিকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সহ যাবতীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থার আয়োজন করা রাজ্য প্রশাসনের পক্ষে কঠিন৷ বরং ওই শ্রমিকদের থেকেই আরও বহু মানুষের মধ্যে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে৷

রেলের তরফে অবশ্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে জানানো হয়েছে, ট্রেন পাঠানো নিয়ে আপত্তি থাকলে তা মহারাষ্ট্র সরকারকেই জানাতে হবে৷ দুই রাজ্য যদি ঠিক করে ট্রেন এখনই পাঠানো হবে না, তাহলে সেই মতো ব্যবস্থা করবে রেল৷

এ দিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ও বলেন, শ্রমিকদের ফেরত পাঠানোর বিষয়টি দুই রাজ্যের সম্মতিক্রমেই হওয়া উচিত৷ আমফান পরবর্তী পরিস্থিতির জন্য রাজ্য যে কয়েকদিন শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন আসা বন্ধ রাখতে চাইছে, তাও জানান স্বরাষ্ট্রসচিব৷

 
Published by: Debamoy Ghosh
First published: May 26, 2020, 7:20 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर