corona virus btn
corona virus btn
Loading

ভেন্টিলেশনে করোনা আক্রান্ত রাজ্যের স্বাস্থ্যকর্তা !

ভেন্টিলেশনে করোনা আক্রান্ত রাজ্যের স্বাস্থ্যকর্তা !
Representational Image

তীব্র শ্বাসকষ্ট, সঙ্গে ধূম জ্বর ! রবিবার সকালে স্বাস্থ্য কর্তাকে ভেন্টিলেশনে দিতে হয়। ২৪ ঘণ্টা তাঁকে পর্যবেক্ষণে রাখছেন চিকিৎসকরা।

  • Share this:

#কলকাতা: গত ১৪ এপ্রিল, মঙ্গলবার কলকাতা মিন্টো পার্কের বেসরকারি হাসপাতাল বেলভিউ নার্সিংহোমের বর্ষিয়ান অর্থোপেডিক সার্জন নোভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন। ওইদিনই তাঁকে সল্টলেক আমরি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে কলকাতার অন্যতম করোনা হাসপাতাল হিসাবে এই আমরি হাসপাতাল চিহ্নিত। সামান্য জ্বর,কাশি, গলা ব্যথা এবং শ্বাসকষ্ট থাকায় তাকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে রেখেই চিকিৎসা চলছিল। কিন্তু রবিবার সকাল থেকেই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। শ্বাসকষ্ট প্রচুর বেড়ে যায়। উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন চিকিৎসকরা। দুপুরে তাঁকে ভেন্টিলেশনে দিতে হয়। তাঁর শ্বাসকষ্ট কোনওমতেই কমানো সম্ভব হচ্ছিল না। একদিকে বেশি বয়স এবং তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে শ্বাসকষ্ট যথেষ্ট চিন্তায় রেখেছে চিকিৎসকদের।

অন্যদিকে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের সহকারি অধিকর্তা, যিনি সেন্ট্রাল মেডিকেল স্টোরের দায়িত্বে ছিলেন। গত সোমবার থেকেই তিনি শিয়ালদহের সেন্ট্রাল মেডিকেল স্টোরে অফিসে আসা বন্ধ করে দেন। জ্বর, সর্দি-কাশি হওয়ায় হওয়ায় বাড়িতেই থাকছিলেন। গত শুক্রবার বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে ভর্তি হন এই স্বাস্থ্য কর্তা। শুক্রবারই তাঁর লালারসের নমুনা পাঠানো হয়েছিল বেলেঘাটা নাইসেডে। শনিবার সেই রিপোর্টে দেখা যায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন এই স্বাস্থ্য কর্তা। শনিবার সকাল এর পর থেকেই বেহালার বাসিন্দা স্বাস্থ্য কর্তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। দ্রুত তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় সল্টলেক আমরি হাসপাতালে। প্রাথমিকভাবে তার অবস্থা স্থিতিশীল থাকলেও শনিবার রাত থেকেই আবার তাঁর অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। তীব্র শ্বাসকষ্ট এবং তার সঙ্গে ধূম জ্বর। রবিবার সকালে স্বাস্থ্য কর্তাকে ভেন্টিলেশনে দিতে হয়। ২৪ ঘণ্টা তাঁকে পর্যবেক্ষণে রাখছেন চিকিৎসকরা।

বেসরকারি হাসপাতালে বর্ষিয়ান চিকিৎসক এবং শীর্ষ স্বাস্থ্য কর্তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উদ্বিগ্ন রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। এর পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে চিকিৎসক-নার্স স্বাস্থ্যকর্মীরা একের পর এক নভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন। অনেক চিকিৎসক-নার্সকেই quarantine এ চলে যেতে হচ্ছে। ফলে স্বাস্থ্য পরিষেবা অনেকাংশে সমস্যার মুখে পড়ছে। এর জন্য রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর একগুচ্ছ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্য কর্মীদের নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর।

Abhijit Chanda

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: April 20, 2020, 8:15 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर