ভোটের আগে হুহু করে বেড়ে চলেছে করোনা সংক্রমণ, মালদহে রাজনৈতিক সভা সমিতিতে ভিড়, মুখে নেই মাক্স, উধাও স্যানিটাইজার

ভোটের আগে হুহু করে বেড়ে চলেছে করোনা সংক্রমণ, মালদহে রাজনৈতিক সভা সমিতিতে ভিড়, মুখে নেই মাক্স, উধাও স্যানিটাইজার

  • Share this:

#মালদহ: সপ্তম এবং অষ্টম দফায় ভোট মালদহে। তার আগে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই জেলা জুড়ে চলছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রচার ও সভা। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিতে যোগ দিচ্ছেন হেভিওয়েট নেতা, মন্ত্রীরা। কিন্তু, ভোটের প্রচারে কোথাও দেখা যাচ্ছেনা না করোনা বিধি মেনে চলার সচেতনতা।বুধবার মালদা শহরের সদরঘাট এলাকায় বিজেপির চা-চক্রে যোগদেন রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু, ইংরেজবাজার কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী, বিজেপির জেলা পর্যবেক্ষক শংকর চক্রবর্তী সহ অন্যান্য নেতৃত্ব এবং কর্মী সমর্থকরা। চা-চক্রে উপস্থিত নেতাকর্মীদের অনেককেই দেখা গেল মুখে মাক্স নেই । দেখা যায়নি স্যানিটাইজার- এর ব্যবহার।

করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই ভোট প্রচার সম্পর্কে বিজেপি রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু বলেন, ‘‘আমি মাক্স পড়ার চেষ্টা করি। সঙ্গে স্যানিটাইজার রাখার চেষ্টা করি। বাকিটা জনগণের মধ্যে থাকতে হয়। সব ধরনের সাবধানতা মেনে চলা সম্ভব নয়,এটাই বাস্তব।’’  বিজেপি পার্টিতে ব্যাপক হারে করোনা হয়েছে। ‘‘যতদূর জানি তাতে বিজেপি পার্টির বেশিরভাগ রাজ্য নেতাই করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এখনো পর্যন্ত আমার করোনা হয়নি। তিনি বলেন, সকলেরই মাক্স পড়া উচিত। তবে, ভোটের প্রচারে বেরিয়ে মুখে মাক্স দিয়ে বক্তব্য রাখা, কথা বলা সম্ভব হয় না। এরমধ্যেও যথাসম্ভব সাবধানতা নিয়ে প্রচারের চেষ্টা করা হচ্ছে।’’

করোনা বিধি মানার কোনো প্রবণতা চোখে পড়েনি এদিনই মালদহে তৃণমূলের কর্মসূচিতেও। গনিখান চৌধুরীর মৃত্যু দিবস উপলক্ষে এদিন মালদহের মুক্তমঞ্চ সংলগ্ন গনিখান মূর্তিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন কর্মসূচি নেয় তৃণমূল। হাজির ছিলেন ইংরেজবাজার এর তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী, রাজ্যের মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র। প্রার্থী বা মন্ত্রীর মুখে মাক্স থাকলেও, উপস্থিত নেতা কর্মীদের অনেকের মুখেই মাক্স ছিলনা। করোনা বিধি না মানা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ভোটের সময় করোনা বিধি মানা সম্ভব নয়। নির্বাচন করতে হলে মিছিল-মিটিং প্রচার করতেই হবে। তামিলনাডু বা অসমে এক বা দুই দফায় ভোট হলে, রাজ্যে আট দফা ভোট করে ঠিক করেনি কমিশন নির্বাচন কমিশন। অতিমারির সময় এভাবে দীর্ঘ ভোট প্রক্রিয়া করে করোনা ছড়ানোর দায় কমিশনের।

 Sebak DebSarma

Published by:Debalina Datta
First published: