করোনা ভাইরাস

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

অঙ্কে কাঁচা যাঁরা, তাঁরাই নাকি করোনা নিয়ে ভুল তথ্যে বেশি বিশ্বাস করেন! বলছে নয়া সমীক্ষা

অঙ্কে কাঁচা যাঁরা, তাঁরাই নাকি করোনা নিয়ে ভুল তথ্যে বেশি বিশ্বাস করেন! বলছে নয়া সমীক্ষা

রিপোর্টে এটাই বলা হয়েছে যে যাঁরা অঙ্কে কাঁচা, তাঁদের স্বভাবতই অ্যানালিটিকাল পাওয়ার বা বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা অনেকটাই কম। ফলে তাঁরা যা শোনেন, তার বেশিরভাগটাই বিশ্বাস করেন।

  • Share this:

#কলকাতা: মাধ্যমিকে অঙ্কে কত পেয়েছিলেন? চল্লিশ? তা হলে আপনিই সেই ব্যক্তি যিনি করোনা নিয়ে ভুল তথ্যে সব চেয়ে বেশি বিশ্বাস করেন। আমি বলছি না, বলছে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সার্ভে। তারা একটা-আধটা নয়, পাঁচখানা দেশে এই সার্ভে করেছে। ভাবছেন নিশ্চয়ই- এ কেমন সমীক্ষা?

গার্ডিয়ানের একটি রিপোর্টে এটাই বলা হয়েছে যে যাঁরা অঙ্কে কাঁচা, তাঁদের স্বভাবতই অ্যানালিটিকাল পাওয়ার বা বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা অনেকটাই কম। ফলে তাঁরা যা শোনেন, তার বেশিরভাগটাই বিশ্বাস করেন। খবর বলছে, আয়ারল্যান্ড, স্পেন, মেক্সিকো, স্পেন, ইংলন্ড ও আমেরিকার মতো দেশে এই সার্ভে করা হয়েছিল। এখানে অংশগ্রহণকারীদের তিনটে পরীক্ষা দিতে হয়েছে। গবেষকরা দেখেছেন যে সব ক্ষেত্রে করোনাভাইরাস নিয়ে কোনও তথ্য দেওয়ার সময় পরিসংখ্যানের ব্যবহার হচ্ছে না, সেগুলোই প্রতিযোগীদের কাছে বেশি বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে হচ্ছে।

প্রতিযোগীদের কাছে এটাও জানতে চাওয়া হয় যে তাঁরা নিজেদের করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়া নিয়ে কী ভাবছেন এবং যখন এই ভাইরাসের প্রতিষেধক পাওয়া যাবে তখন তাঁরা কী করবেন! এ ক্ষেত্রে তাঁদের ন'টা স্টেটমেন্ট দেওয়া হয়। যেখানে কিছু ভুল তথ্য ছিল। যেমন 5G নেটওয়ার্ক ব্যবহার করলে করোনা সংক্রমণ বেশি হয় ইত্যাদি। দেখা গিয়েছে যখন এই রোগের প্রতিষেধক দেওয়ার কথা হচ্ছে বা জনস্বাস্থ্য নিয়মের কথা উঠছে, সেখানেই ভুল তথ্যে বিশ্বাস বেশি করে করছেন সবাই।

এই সার্ভের প্রধান গবেষক ডক্টর স্যানডার ভ্যান ডের লিনডেন লক্ষ্য করে দেখেছেন যে বেশিরভাগ মানুষই এই সব তথ্য বিচার করার সময়ে নিজেদের যুক্তিবোধ কাজে লাগান না। অনেকে আবার নিজেদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গীর সঙ্গে সেটা মিশিয়ে দেন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশবাসীকে বলেছিলেন ম্যালেরিয়ার ওষুধ হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন 'ট্রাই' করে দেখতে। বলা বাহুল্য যে অনেকেই গভীর আবেগ নিয়ে এই তথ্যে বিশ্বাস করেছিলেন।

যদিও আশ্চর্যের বিষয় হল এই যে গবেষণাপত্রে কোথাও এটা বলা হয়নি করোনার চেয়েও দ্রুত গতিতে কী ভাবে এই ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ল। আর সেটাই বিশেষজ্ঞদের ভাবাচ্ছে। কেন না অকারণে এবং অতি মাত্রায় ভুল তথ্য ছড়ালে এতদিন ধরে স্বাস্থ্যকর্মীরা যে অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন সেটা পণ্ড হবে। অনেক সময় বিভিন্ন দেশের বড় বড় নেতারা সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা ভুল তথ্য দিচ্ছেন আর তাঁদের সামাজিক মর্যাদা দেখে অনেকেই সেটা বিশ্বাস করছেন- চিন্তার বিষয় সেটাও!

Published by: Simli Raha
First published: October 15, 2020, 11:36 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर